অনলাইনে আবেদন করার পর সাত দিনের মধ্যে পাসপোর্ট পাইছি। টাকা-পয়সাও লাগে নাই। দালালের কাছে যাইনি। অনলাইন আবেদন কিভাবে করতে হয়,প্রথমে তা বুঝতে পারেনি, পরে সরাসরি পাসপোর্ট অফিসের ভিতরে ঢুকে উপ-পরিচালক এর সাথে পরামর্শ করলে,সে আমাকে সব বুঝিয়ে দেয়।
গাজীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে ইসেবা কার্যক্রমের মাধ্যমে ভোগান্তিহীন পাসপোর্ট সেবা দিচ্ছেন। শতভাগ ডিজিটাল সেবার কারণে, নেই দালালদের হুরোহুরি,কাগজপত্র নিয়ে নেই টানাটানি, অফিসের বাইরের চত্বরে নেই দর কষাকষি, নিছক দুই একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া তেমন কোন অভিযোগ নেই।
সরেজমিনে দেখা যায়, আগের মত গাজীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট সেবায় নেই লম্বা লাইন, সকাল থেকেই অফিস টাইম পর্যন্ত, চলছে পাসপোর্ট বিতরণের কার্যক্রম। তবে মাঝেমধ্যে যান্ত্রিক দুটির কারণে কর্মযোগ্য থেমে যায় অফিসারদের। পাসপোর্ট নিতে আসা মোঃ শাহেদুল ইসলাম বলেন, আমি বিদেশ যাওয়ার জন্য তাড়াহুড়ো করে পাসপোর্ট এর আবেদন করি। অনলাইনে আবেদন কার্যক্রম সম্পন্ন হবার পর খুব তাড়াতাড়ি পুলিশ ভেরিফাই হয়। পাঁচ দিনের মাথায় পাসপোর্ট নেওয়ার জন্য মোবাইল ফোনে মেসেজ পাই। এখন পাসপোর্ট নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি ভিসার জন্য আমি আবেদন করব। এতে বিদেশ জাওয়ার রাস্তাটা সহজ হয়েছে।
এ বিষয়ে উপ পরিচালক সাংবাদিককে বলেন, পাসপোর্ট সেবা আগের মত ম্যানুয়াল নেই।অনলাইনে আবেদনের প্রথম দিন থেকেই পাসপোর্ট হাতে পাওয়া পর্যন্ত অনলাইনের মাধ্যমে গ্রহীত জানতে পারবে এবং দেখতে পারবে। গ্রহিতাদের ভুলভাল বোঝানোর মত আর কিছু নেই। গাজীপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস থেকে প্রতিদিন প্রায় ৩০০-৪০০পাসপোর্ট বিতরণ কার্যক্রম করা হয়। তাছাড়াও ত্রুটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করি এবং জেলা প্রশাসন আমাদেরকে সার্বিক সহযোগিতা করেন। অনলাইন সেবার মান বাড়ার কারণে ভোগান্তহীন পাসপোর্ট সেবা।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন থেকে জানানো হয়, অবৈধভাবে মানুষের পকেট কাটা দালাল চক্রের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসন সবসময় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। পাসপোর্ট কার্যক্রম ভোগান্তিহীন ও অফিস নিরাপদ করার লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন সর্বদা মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নিচ্ছে।
পাসপোর্ট অধিদপ্তরেরই ( ই সেবা) পরিচালক, মুঠোফোনে জানান, সারা দেশের ন্যায় গাজীপুরেও অনলাইন সেবা পুরোপুরি চালু হওয়ার পর এখন আর আগের মতো গ্রহীতাদের অভিযোগ নেই। অনলাইনে সারাদিন লক্ষাধিক আবেদন জমা পড়লেও কাজ করতে স্বস্তি পাচ্ছেন অফিসার রা।পাসপোর্ট অফিসের সেবা নিয়ে জনগণের ভুল ধারণা পাল্টে দেওয়া আমাদের মূল লক্ষ্য।

























