০৭:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ত্রিশালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে প্রচারণায় ব্যাস্ত প্রার্থীরা

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় এখন সরব ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা। প্রতীক বরাদ্দের পরপরই নির্বাচনি প্রচারে নেমেছে প্রার্থীরা। শুরু করেছেন জনসংযোগ। ভোটারদের আকৃষ্ট করতে তুলে ধরছেন নিজের পরিচয়। হাট-বাজারে ও বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে গিয়ে কুশল বিনিময় করে ভোটারদের সাথে সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করছেন প্রার্থীরা। নিজ নিজ প্রতীকের পোস্টার টানানোর পাশাপাশি মাইকেও চলছে প্রচার-প্রচারণা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটারদের মাঝে জমে উঠেছে প্রার্থীদের বিচার বিশ্লেষণ ও আলোচনা-সমালোচনা। প্রতিটি ইউনিয়ন, গ্রাম, পাড়া-মহল্লা ও চায়ের দোকানগুলোতে চলছে নির্বাচনী আলোচনা। নিজ নিজ প্রার্থীদের পক্ষে সমর্থকগণ চলাচ্ছেন নানান আঙ্গিকে প্রচারণা। ভোটারদের ধারে ধারে গিয়ে প্রার্থীরা ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করছেন। সোমবার প্রতীক পেয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন তারা। তীব্র গরম উপেক্ষা করে ভোটারদের ধারে ধারে গিয়ে দিচ্ছেন নানান প্রতিশ্রম্নতি। সেই সঙ্গে উঠান বৈঠক ও নির্বাচনি সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। হাটবাজার, চা-পানের দোকান ও হোটেলগুলো এখন নির্বাচনী আমেজে সরব।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পাদে উপজেলা আ.লীগের সভাপতি আবুল কালাম মো. শামছুদ্দিন (আনারস প্রতীক), সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন (মোটর সাইকেল প্রতিক), উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জুয়েল সরকার (কৈ মাছ প্রতীক), উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জুয়েল (দোয়াত-কলম প্রতীক) ও মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত (কাপ-পিরিচ প্রতীক) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর আকন্দ (তালা প্রতীক), উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইব্রাহীম খলিল নয়ন (টিউবওয়েল প্রতীক) ও ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর সারোয়র আলম (চশমা প্রতীক) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আ.লীগের সহ সভাপতি মোছা. লুৎফুন্নেছা বিউটি (হাঁস প্রতীক), মাহমুদা খানম রুমা (পদ্ম ফুল প্রতীক) ও শিরিন ইসলাম চায়না (কলস প্রতীক) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ভোটাররা বলছেন, সৎ, যোগ্য, পরোপকারী ও বিপদে যাকে কাছে পাবেন এবং উন্নত জীবন গড়তে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা দিবেন এমন প্রার্থীকেই বিজয়ী করবেন তারা। যে প্রার্থী উন্নয়ন করতে পারবে তাকেই চান সাধারণ ভোটাররা। তাই নির্বাচনের আলোচনায় রয়েছে, কে হবেন আগামী পাঁচ বছরের জন্য উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলার ভাইস চেয়ারম্যান।

প্রার্থী আবুল কালাম মো. শামছুদ্দিন বলেন, এ উপজেলার উন্নয়নে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করব। সে লক্ষ্যে প্রচার-প্রচারণায় নেমেছি। আরেক প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম জুয়েল বলেন, উপজেলার জনসাধারণ আমাকে চায়। তাদের সুখে-দুঃখে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও পাশে থাকতে চাই।

ত্রিশাল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান জানান, নির্বাচন ঘিরে আমাদের মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার রয়েছে। প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত কোথাও আচরণবিধি লঙ্ঘনের মতো ঘটনা ঘটেনি। উপজেলায় আমাদের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আচরণবিধি পর্যবেক্ষণে মাঠে সার্বক্ষণিক কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কোন অভিযোগ পেলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

ত্রিশালে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে প্রচারণায় ব্যাস্ত প্রার্থীরা

আপডেট সময় : ০৫:২৬:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ মে ২০২৪

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় এখন সরব ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলা। প্রতীক বরাদ্দের পরপরই নির্বাচনি প্রচারে নেমেছে প্রার্থীরা। শুরু করেছেন জনসংযোগ। ভোটারদের আকৃষ্ট করতে তুলে ধরছেন নিজের পরিচয়। হাট-বাজারে ও বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে গিয়ে কুশল বিনিময় করে ভোটারদের সাথে সম্পর্ক গড়ার চেষ্টা করছেন প্রার্থীরা। নিজ নিজ প্রতীকের পোস্টার টানানোর পাশাপাশি মাইকেও চলছে প্রচার-প্রচারণা।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভোটারদের মাঝে জমে উঠেছে প্রার্থীদের বিচার বিশ্লেষণ ও আলোচনা-সমালোচনা। প্রতিটি ইউনিয়ন, গ্রাম, পাড়া-মহল্লা ও চায়ের দোকানগুলোতে চলছে নির্বাচনী আলোচনা। নিজ নিজ প্রার্থীদের পক্ষে সমর্থকগণ চলাচ্ছেন নানান আঙ্গিকে প্রচারণা। ভোটারদের ধারে ধারে গিয়ে প্রার্থীরা ভোট ও দোয়া প্রার্থনা করছেন। সোমবার প্রতীক পেয়েই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণায় মাঠে নেমেছেন তারা। তীব্র গরম উপেক্ষা করে ভোটারদের ধারে ধারে গিয়ে দিচ্ছেন নানান প্রতিশ্রম্নতি। সেই সঙ্গে উঠান বৈঠক ও নির্বাচনি সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। হাটবাজার, চা-পানের দোকান ও হোটেলগুলো এখন নির্বাচনী আমেজে সরব।

ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পাদে উপজেলা আ.লীগের সভাপতি আবুল কালাম মো. শামছুদ্দিন (আনারস প্রতীক), সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন (মোটর সাইকেল প্রতিক), উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহিদুল ইসলাম জুয়েল সরকার (কৈ মাছ প্রতীক), উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম জুয়েল (দোয়াত-কলম প্রতীক) ও মুহাম্মদ আনোয়ার সাদাত (কাপ-পিরিচ প্রতীক) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আ.লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হুমায়ুন কবীর আকন্দ (তালা প্রতীক), উপজেলা আ.লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ইব্রাহীম খলিল নয়ন (টিউবওয়েল প্রতীক) ও ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর সারোয়র আলম (চশমা প্রতীক) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে উপজেলা আ.লীগের সহ সভাপতি মোছা. লুৎফুন্নেছা বিউটি (হাঁস প্রতীক), মাহমুদা খানম রুমা (পদ্ম ফুল প্রতীক) ও শিরিন ইসলাম চায়না (কলস প্রতীক) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ভোটাররা বলছেন, সৎ, যোগ্য, পরোপকারী ও বিপদে যাকে কাছে পাবেন এবং উন্নত জীবন গড়তে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা দিবেন এমন প্রার্থীকেই বিজয়ী করবেন তারা। যে প্রার্থী উন্নয়ন করতে পারবে তাকেই চান সাধারণ ভোটাররা। তাই নির্বাচনের আলোচনায় রয়েছে, কে হবেন আগামী পাঁচ বছরের জন্য উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলার ভাইস চেয়ারম্যান।

প্রার্থী আবুল কালাম মো. শামছুদ্দিন বলেন, এ উপজেলার উন্নয়নে এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করব। সে লক্ষ্যে প্রচার-প্রচারণায় নেমেছি। আরেক প্রার্থী মাজহারুল ইসলাম জুয়েল বলেন, উপজেলার জনসাধারণ আমাকে চায়। তাদের সুখে-দুঃখে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও পাশে থাকতে চাই।

ত্রিশাল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান জানান, নির্বাচন ঘিরে আমাদের মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার রয়েছে। প্রার্থীরা প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত কোথাও আচরণবিধি লঙ্ঘনের মতো ঘটনা ঘটেনি। উপজেলায় আমাদের একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আচরণবিধি পর্যবেক্ষণে মাঠে সার্বক্ষণিক কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কোন অভিযোগ পেলে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।