০৭:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সময় নির্ধারণ করে সেবা দেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, মন্ত্রণালয় থেকে আমরা যত সেবা দেই সব সেবাগুলো আমরা একটা রিটেন ফ্লো চার্টের মধ্যে দেব। যেখানে সেবা দেওয়ার সময় এবং প্রক্রিয়া উল্লেখ থাকবে। কোন প্রক্রিয়া কত সময়ের মধ্যে দেব এটাও করে ফেলব। এটা করে ফেলতে পারলে আমাদের পুরো সেবাটাই ই-গভর্ননেন্সে পরিপূর্ণ রূপ দিতে পারব। গতকাল বুধবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত ইনোভেশন শো-কেসিং উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছর শুরু হবে এক মাসের মধ্যে। জুনে বাজেট শুরু হবে। আমি কয়েকটি কাজ করতে অনুরোধ করব আপনাদের। আমরা যে সেবা প্রদান করি সেই প্রক্রিয়াটাকে ডিজিটালাইজ করা। আমাদের ডিজিটালাইজেশনের ধারণাটা পরিষ্কার না। কোনো সেবা প্রদান করার প্রক্রিয়া যদি লিপিবদ্ধ না থাকে আমরা ইংরেজিতে বলি (বিজনেস রুলস স্পেসিফিকেশন)। এটা যেকোনো অটোমোশন বা ই-গভর্নেন্স-র পূর্বশর্ত। যে সেবাটি আপনি দেবেন সেটা ফ্লো-চার্টের মতো সাজানো থাকা উচিত। আমাদের আগামী বছরের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রথম উদ্ভাবনী হওয়া উচিত আমাদের সেবাদান প্রক্রিয়া লিপিবদ্ধ করে ফেলা। এগুলো যার যার বিভাগে যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার কাছ থেকে অনুমোদন নেওয়া। খুব সহজ; আমি কি সেবা দিচ্ছি এবং সেবাটা কি প্রক্রিয়ায় দেব। স্টেপ বাই স্টেপ লিপিবদ্ধ থাকবে। আগামী বছর আমাদের উদ্ভাবন পরিকল্পনা একটা অন্যতম অনুষঙ্গ হবে এটা।

টিটু বলেন, এখন আর আরজিসিতে একটা কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করতে কাউকে আমাদের অফিসে আসতে হয় না। দেশে বা বিদেশে যেখানেই থাকবে সেখানে বসেই কিন্তু একটা কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন করা সম্ভব। আমাদের আইআরসি, এক্সপার্ট পারমিশন, ইমপোর্ট পারমিশন কিন্তু অনলাইনে সেবা দানের জন্য পদক্ষেপ নিয়েছি। যেখানে আমাদের সমস্যাটা সমাধান করতে হবে সেটা হলো জিনিসটাকে একই লাইনে আনতে হবে। একটা প্রক্রিয়া অটোমেট করলেন আরেকটা করলেন না তাহলে তো হবে না। এই জায়গাগুলোতে আমাদের উদ্ভাবনী প্রক্রিয়াগুলো চিন্তা করি এবং সেটাকে আমরা ডিজিটালাইজ করার চেষ্টা করি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে এখন স্মার্ট বাংলাদেশের কথা বলেছেন; আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী চারটি পিলারের ওপর স্মার্ট বাংলাদেশকে দাঁড় করিয়েছেন। প্রথমত স্মার্ট সিটিজেন, তাদেরকে নিয়েই আমাদের সব কর্মপরিকল্পনা। কোনো সিস্টেম ডিজিটাল করলাম কিন্তু পেমেন্ট মেথড ডিজিটাল করলাম না তাহলে কিন্তু পরিকল্পনাটা সু-সম্পূর্ণ হলো না। আপনি সেবা দিচ্ছেন কিন্তু পেমেন্টটা কিভাবে নিচ্ছেন সেটাও কিন্তু ভাবতে হবে। এটাকে ডিজিটালাইজ করতে হবে। আমাদের প্রত্যেকটা জিনিসের কর্মপরিকল্পনা লিপিবদ্ধ করে ডিজিটালাইজ এবং সম্পূর্ণ করতে পারলেই আমাদের সার্থকতা। আমরা বাংলা এবং ইংরেজি একেবারে গুলিয়ে ফেলছি। হয় পুরোটা ইংরেজিতে বলি অথবা পুরোটা বাংলায় বলি। আমার মনে ইংরেজি যা লিখি সেটা ইংরেজি লেটার দিয়ে লিখলে ভালো হয়। আমাদের এই প্র্যাকটিসটা শুরু করা উচিত।

সময় নির্ধারণ করে সেবা দেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় : ০৬:০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০২৪

বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু বলেছেন, মন্ত্রণালয় থেকে আমরা যত সেবা দেই সব সেবাগুলো আমরা একটা রিটেন ফ্লো চার্টের মধ্যে দেব। যেখানে সেবা দেওয়ার সময় এবং প্রক্রিয়া উল্লেখ থাকবে। কোন প্রক্রিয়া কত সময়ের মধ্যে দেব এটাও করে ফেলব। এটা করে ফেলতে পারলে আমাদের পুরো সেবাটাই ই-গভর্ননেন্সে পরিপূর্ণ রূপ দিতে পারব। গতকাল বুধবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত ইনোভেশন শো-কেসিং উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছর শুরু হবে এক মাসের মধ্যে। জুনে বাজেট শুরু হবে। আমি কয়েকটি কাজ করতে অনুরোধ করব আপনাদের। আমরা যে সেবা প্রদান করি সেই প্রক্রিয়াটাকে ডিজিটালাইজ করা। আমাদের ডিজিটালাইজেশনের ধারণাটা পরিষ্কার না। কোনো সেবা প্রদান করার প্রক্রিয়া যদি লিপিবদ্ধ না থাকে আমরা ইংরেজিতে বলি (বিজনেস রুলস স্পেসিফিকেশন)। এটা যেকোনো অটোমোশন বা ই-গভর্নেন্স-র পূর্বশর্ত। যে সেবাটি আপনি দেবেন সেটা ফ্লো-চার্টের মতো সাজানো থাকা উচিত। আমাদের আগামী বছরের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রথম উদ্ভাবনী হওয়া উচিত আমাদের সেবাদান প্রক্রিয়া লিপিবদ্ধ করে ফেলা। এগুলো যার যার বিভাগে যিনি নেতৃত্ব দিচ্ছেন তার কাছ থেকে অনুমোদন নেওয়া। খুব সহজ; আমি কি সেবা দিচ্ছি এবং সেবাটা কি প্রক্রিয়ায় দেব। স্টেপ বাই স্টেপ লিপিবদ্ধ থাকবে। আগামী বছর আমাদের উদ্ভাবন পরিকল্পনা একটা অন্যতম অনুষঙ্গ হবে এটা।

টিটু বলেন, এখন আর আরজিসিতে একটা কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন করতে কাউকে আমাদের অফিসে আসতে হয় না। দেশে বা বিদেশে যেখানেই থাকবে সেখানে বসেই কিন্তু একটা কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন করা সম্ভব। আমাদের আইআরসি, এক্সপার্ট পারমিশন, ইমপোর্ট পারমিশন কিন্তু অনলাইনে সেবা দানের জন্য পদক্ষেপ নিয়েছি। যেখানে আমাদের সমস্যাটা সমাধান করতে হবে সেটা হলো জিনিসটাকে একই লাইনে আনতে হবে। একটা প্রক্রিয়া অটোমেট করলেন আরেকটা করলেন না তাহলে তো হবে না। এই জায়গাগুলোতে আমাদের উদ্ভাবনী প্রক্রিয়াগুলো চিন্তা করি এবং সেটাকে আমরা ডিজিটালাইজ করার চেষ্টা করি। প্রধানমন্ত্রী আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে এখন স্মার্ট বাংলাদেশের কথা বলেছেন; আমরা সে লক্ষ্যে কাজ করছি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী চারটি পিলারের ওপর স্মার্ট বাংলাদেশকে দাঁড় করিয়েছেন। প্রথমত স্মার্ট সিটিজেন, তাদেরকে নিয়েই আমাদের সব কর্মপরিকল্পনা। কোনো সিস্টেম ডিজিটাল করলাম কিন্তু পেমেন্ট মেথড ডিজিটাল করলাম না তাহলে কিন্তু পরিকল্পনাটা সু-সম্পূর্ণ হলো না। আপনি সেবা দিচ্ছেন কিন্তু পেমেন্টটা কিভাবে নিচ্ছেন সেটাও কিন্তু ভাবতে হবে। এটাকে ডিজিটালাইজ করতে হবে। আমাদের প্রত্যেকটা জিনিসের কর্মপরিকল্পনা লিপিবদ্ধ করে ডিজিটালাইজ এবং সম্পূর্ণ করতে পারলেই আমাদের সার্থকতা। আমরা বাংলা এবং ইংরেজি একেবারে গুলিয়ে ফেলছি। হয় পুরোটা ইংরেজিতে বলি অথবা পুরোটা বাংলায় বলি। আমার মনে ইংরেজি যা লিখি সেটা ইংরেজি লেটার দিয়ে লিখলে ভালো হয়। আমাদের এই প্র্যাকটিসটা শুরু করা উচিত।