❝নিরাপদ সন্তান প্রসব মায়ের অধিকার❞ এ কথাটি অস্বীকার করার উপায় নেই। অথবা ❝হাসপাতালে প্রসব করান, মা ও শিশুর জীবন বাঁচান❞ এমন একটা শ্লোগানও থাকবে সবার মুখে মুখে। একজন সুস্থ মা জন্ম দেন একটি সুস্থ সন্তান। আর এই সুস্থ সন্তানটি হবে আমাদের আগামী দিনের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ বা কর্ণধার। যে কোনো দেশের উন্নয়নের একটি বিশেষ দিক হলো মাতৃস্বাস্থ্য। মাতৃস্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব ও এর কার্যকারিতা অনুধাবন করে ১৯৯৭ সাল থেকে ২৮ মে দিবসটি যথাযথভাবে পালন করা হয়।
২০০১ সালে প্রতি লাখে মাতৃ মৃত্যুহার ছিল ৩২২ জন। ২০১০ সালে ওই হার কমিয়ে ১৯৪-এ আনা হয়। ২০১৫ সালের মধ্যে এই হার ১৪৩-এ কমিয়ে আনা হয়। এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে ২০১০ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘের এমডিজি পুরস্কার দেয়া হয়।
বিবিএস বলছে, ২০২২ সালে দেশে এক বছরের কম বয়সী শিশুর মৃত্যুহার ছিল হাজারে ২৫ জন, যা ২০২৩ সালে বেড়ে হয়েছে ২৭। পাঁচ বছর আগে এই সংখ্যা ছিলো ২১।
নিরাপদ মাতৃত্বের জন্য বাল্যবিবাহ রোধ, ২০ বছরের আগে সন্তান না নেয়া এবং প্রথম সন্তান হবার পর ৩ বছরের বিরতি নেয়া এসব বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে হবে। তাহলে মাতৃমৃত্যুর ঝুঁকি কমিয়ে আনা সম্ভবপর হবে।
এছাড়া নবজাতক ও মাতৃমৃত্যু রোধ করতে হলে গর্ভধারণের আগে থেকেই নারীর প্রতি যত্নশীল হওয়া উচিত। নিরাপদ মাতৃত্বের ব্যাপারে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা উচিত। সকল প্রকার কুসংস্কার দূর করে মায়ের স্বাস্থের প্রতি যেমন খেয়াল রাখতে হবে। ঠিক তেমনি সন্তান প্রসবের সময় সচেতন হতে হবে। সকলকে ভাবতে হবে, নিরাপদ হোক মাতৃত্বের প্রতিটি মুহূর্ত।
শংকরী বাড়ৈ শ্রুতি, শিক্ষার্থী,ইডেন মহিলা কলেজ।






















