১২:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
কৃমিনাশক ঔষধের ডোজ দিনে তিনবার তিনমাস

ফরিদগঞ্জে আজব ডাক্তারের ভৌতিক প্রেসক্রিপশন 

কৃমিনাশক ঔষধের ডোজ  দিনে তিনবার তিনমাস এমন কথা সাধারন যে কেউ বিশ্বাস করবেনা। কিন্তু এমন কথা কোন ডাক্তার লিখিত আকারে প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমে বলেন তাহলে কেমন হবে….?!?! সাধারনত ডাক্তাররা লিখিত আকারে কিংবা মৌখিকভাবে যা বলে তা  রোগীরা প্রতি পদাঙ্কে পালন করতে চেষ্টা করে। এদিকে কৃমিণাশক ঔষধ কোন এম.বি.বি.এস চিকিৎসক যদি প্রতিদিন একটি করে তিনবার তিনমাস খেতে নির্দেশনা দেয়। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের বৈধতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন আশা স্বাভাবিক।
এমবিবিএস ডাক্তার কতৃক এমনই প্রেসক্রিপশন লিখেছেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে পাশ করা নিজেকে চিকিৎসক দাবি করা ডাক্তার সুমাইয়া আজাদ প্রাপ্তি। তিনি রংপুর মেডিকেল থেকে এমবিবিএস  সিএমইউ আল্ট্রা এবং বিএমডিসি ( রেজি: এ- ১৩০৩৮৮) নিবন্ধনকৃত। বর্তমানে তিনি   চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার মজিদিয়া ট্রাস্টের আইডিয়াল ডায়গনস্টি সেন্টারে স্ত্রী, প্রসূতী গাইনি, মেডিসিন রোগের অভিজ্ঞ এবং সনোলজিস্ট পরিচয়ে নিয়মিত রোগী দেখে থাকেন। তবে নিজের এমন ভুল স্বীকার করতে নারাজ তিনি , বলেছেন এটি কলমের ভুল (পি এফ পেন) কলমের ভুলেই নাকি এমনটা হয়েছে।
তার দেওয়া এক ভিডিও বক্তব্যে ডাক্তার সুমাইয়া আজাদ প্রাপ্তি নিজের ভুল স্বীকার করেছেন। এমন ভুলে যে মানুষের জীবনের প্রশ্ন হয়ে দাড়ায় তা হয়ত তিনি জানেইনা। ভিডিও বক্তব্যে তিনি দাাবী করেন ক্যালসিয়ামের ঔষধ এলজেনটা ডিএস লিখতে চেয়েছেন সেটা কলমের ভুলে এলবেন ডিএস হয়েগেছে। এমনই একটি প্রেসক্রিপশন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ডাক্তার সুমাইয়া আজাদ প্রাপ্তির চিকিৎসা সেবা দেওয়ার বিষয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে। এতে নিন্দার ঝড় ওঠে, প্রশ্ন ওঠে পেশাদারিত্বের এবং প্রশ্ন উঠে তার সাটিফিকেট বৈধতা নিয়েও। নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে একাধিক ফার্মেসীর পরিচালক এই প্রতিবেদককে জানান এমন ভুল তিনি পূর্বেও এককাধিকবার করেছেন, কখনও ট্যাবলেট ক্যাপসুলের ফরমেটে সিরাপ আবার সিরাপের ফরমেটে ট্যাবলেট লিখেছেন। শিশু রোগীর পেশকিপশনে লিখেছেন সার্জেল সিরাপ। যা কিনা এই নামের কোন সিরাপই নেই৷
এবিষয়ে মজিদিয়া  ট্রাস্ট্র আইডিয়াল ডায়গনস্টিক সেন্টারের পরিচালক  মাহবুবুর রহমানের মোবাইল  ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁয়ে আল হাবিব ইন্টা.ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মাঝে বই বিতরণ

কৃমিনাশক ঔষধের ডোজ দিনে তিনবার তিনমাস

ফরিদগঞ্জে আজব ডাক্তারের ভৌতিক প্রেসক্রিপশন 

আপডেট সময় : ০৪:৫৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ মে ২০২৪
কৃমিনাশক ঔষধের ডোজ  দিনে তিনবার তিনমাস এমন কথা সাধারন যে কেউ বিশ্বাস করবেনা। কিন্তু এমন কথা কোন ডাক্তার লিখিত আকারে প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমে বলেন তাহলে কেমন হবে….?!?! সাধারনত ডাক্তাররা লিখিত আকারে কিংবা মৌখিকভাবে যা বলে তা  রোগীরা প্রতি পদাঙ্কে পালন করতে চেষ্টা করে। এদিকে কৃমিণাশক ঔষধ কোন এম.বি.বি.এস চিকিৎসক যদি প্রতিদিন একটি করে তিনবার তিনমাস খেতে নির্দেশনা দেয়। সেক্ষেত্রে ডাক্তারের বৈধতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন আশা স্বাভাবিক।
এমবিবিএস ডাক্তার কতৃক এমনই প্রেসক্রিপশন লিখেছেন, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে পাশ করা নিজেকে চিকিৎসক দাবি করা ডাক্তার সুমাইয়া আজাদ প্রাপ্তি। তিনি রংপুর মেডিকেল থেকে এমবিবিএস  সিএমইউ আল্ট্রা এবং বিএমডিসি ( রেজি: এ- ১৩০৩৮৮) নিবন্ধনকৃত। বর্তমানে তিনি   চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার মজিদিয়া ট্রাস্টের আইডিয়াল ডায়গনস্টি সেন্টারে স্ত্রী, প্রসূতী গাইনি, মেডিসিন রোগের অভিজ্ঞ এবং সনোলজিস্ট পরিচয়ে নিয়মিত রোগী দেখে থাকেন। তবে নিজের এমন ভুল স্বীকার করতে নারাজ তিনি , বলেছেন এটি কলমের ভুল (পি এফ পেন) কলমের ভুলেই নাকি এমনটা হয়েছে।
তার দেওয়া এক ভিডিও বক্তব্যে ডাক্তার সুমাইয়া আজাদ প্রাপ্তি নিজের ভুল স্বীকার করেছেন। এমন ভুলে যে মানুষের জীবনের প্রশ্ন হয়ে দাড়ায় তা হয়ত তিনি জানেইনা। ভিডিও বক্তব্যে তিনি দাাবী করেন ক্যালসিয়ামের ঔষধ এলজেনটা ডিএস লিখতে চেয়েছেন সেটা কলমের ভুলে এলবেন ডিএস হয়েগেছে। এমনই একটি প্রেসক্রিপশন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে ডাক্তার সুমাইয়া আজাদ প্রাপ্তির চিকিৎসা সেবা দেওয়ার বিষয়ে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে। এতে নিন্দার ঝড় ওঠে, প্রশ্ন ওঠে পেশাদারিত্বের এবং প্রশ্ন উঠে তার সাটিফিকেট বৈধতা নিয়েও। নাম পরিচয় গোপন রাখার শর্তে একাধিক ফার্মেসীর পরিচালক এই প্রতিবেদককে জানান এমন ভুল তিনি পূর্বেও এককাধিকবার করেছেন, কখনও ট্যাবলেট ক্যাপসুলের ফরমেটে সিরাপ আবার সিরাপের ফরমেটে ট্যাবলেট লিখেছেন। শিশু রোগীর পেশকিপশনে লিখেছেন সার্জেল সিরাপ। যা কিনা এই নামের কোন সিরাপই নেই৷
এবিষয়ে মজিদিয়া  ট্রাস্ট্র আইডিয়াল ডায়গনস্টিক সেন্টারের পরিচালক  মাহবুবুর রহমানের মোবাইল  ফোনে একাধিকবার চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।