গাজীপুরের কালীগঞ্জে উপজেলার নাগরী ইউনিয়নের উলুখোলা বাইপাশ সড়কের কেটুন এলাকার নানা বাড়ী রেস্টুরেন্ট সংলগ্ন রাস্তায় বাবুল হোসেন নামের এক অটোরিকশা চালককে হত্যা করে পালিয়ে যাওয়া প্রধান আসামী বিপ্লব হোসেন নয়নকে গ্রেফতার করেছে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃত নয়ন মাত্র ১৫ হাজার টাকার জন্য আটো ড্রইভারকে নিশংসভাবে হত্যা করার লোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে গাজীপুর আদালতের। পরে তাকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মধু সূদন পান্ডে জানান,বৃহস্প্রতিবার সকালে ৯৯৯ এ ফোন পেয়ে নাগরী ইউনিয়নের উলুখোলা বাইপাশ সড়কের কেটুন এলাকার নানা বাড়ী রেস্টুরেন্ট সংলগ্ন রাস্তা থেকে বাবুল হোসেন নামের এক অটোরিকশা চালকের অজ্ঞাতনামা মরদেহ উদ্ধার করি। ঐদিন বিকালে লাশের পরিচয় নিশ্চত হই। পরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে টঙ্গীর দীঘির পাড় এলাকা থেকে বেটারী ছাড়া অটোরিক্রাটি উদ্ধার করি। তার দুইদিন পর নিহতের স্ত্রী সাজেদা বেগম বাদী হয়ে অজ্ঞাত নামা আসামী করে কালীগঞ্জ একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।যার নং ২ তাং ২/৬/২৪ ইং।
তারই সূত্র ধরে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তথ্য প্রযোক্তির মাধ্যমে ঢাকার জুরাইন এলাকার এক আত্নীয়েরবাসা থেকে প্রধান আসমী বিপ্লব হোসেন নয়নকে গ্রেফতার করি। পরে তার দেয়া তথ্যমতে অটোরিক্রার ব্যাটারী ক্রেতা শাহিন আলম মিঠুকে টঙ্গী এলাকা থেকে গ্রেফতার করি। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে নয়ন অটোরিক্রা চালক বাবুলকে হত্যার লোমহর্ষক ঘটনার বর্ণনা দেন। পরে গাজীপুর আদালতের মাধ্যমে তাদের জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
বিপ্লব হোসেন নয়ন(২২) ফেনী জেলার সোনাগাজী থানার আলমপুর গ্রামের ওবায়দুলের পুত্র এবং শাহিন আলম মিঠু(৩৫) কুমিল্লা জেলাধীন মুরাদনগর থানার কামাল্লা গ্রামের মান্নানের পুত্র।
উল্লেখ্যঃ নিহত অটো চালক বাবুল হোসেন (৫২) কিশোরগঞ্জ জেলার সদর থানার সলপা মারিয়া গ্রামের হাবিবুর রহমানের পুত্র। তিনি গাজীপুরের এরশাদ নগর বাস্তুাহারা এলাকায় ভাড়া বাসায় থেকে আটো চালিয়ে সংসার চালাতো।
এ বিষয়ে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মাহাতাব উদ্দিন জানান, নিহত অটো চালক বাবুল হোসেনের স্ত্রী বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করলে পুলিশ বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করেন। আদালতে তারা হত্যার জবানবন্ধী দিলে আদালত তাদের হাজতে প্রেরণ করেন।























