টেকনাফের সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের ভোট গ্রহণ শেষে, ফেরার পথে বাংলাদেশী নির্বাচনী কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে মিয়ানমারের আরকান আর্মীরা গুলিবর্ষণ করে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
বুধবার, ৫ জুন, সন্ধ্যায় সেন্টমার্টিন থেকে কোস্টবগার্ডের
স্পীড বোটে করে ফেরার পথে শাহপরীর দ্বীপের কাছকাছি টেকনাফের নাফনদীর মোহনায় পৌছলে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের উপর মিয়ানমার সীমান্ত থেকে গুলি বর্ষণ করে। এতে আরকান আর্মিরা অন্তত ২০-২৫ রাউন্ড গুলি চালায়।
গত ২৯ মে তৃতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত হওয়া টেকনাফ উপজেলার একটি ইউনিয়ন সেন্টমার্টিন। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া হওয়ার কারণে নির্বাচনী সরঞ্জাম পৌছাতে পারেননি নির্বাচন কমিশন। স্থগিত হওয়া সেই সেন্টমার্টিনের জিনজিরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ শেষে ফেরার পথে বাংলাদেশী নির্বাচনী কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে মিয়ানমারের আরকান আর্মীরা গুলিবর্ষণ করে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করে প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে টেকনাফ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, ‘সুষ্ঠু সুন্দর উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন শেষ করে টেকনাফ ফেরার পথে মিয়ানমার অভ্যন্তর থেকে গুলি ছোড়ে। এতে বোটে থাকা নির্বাচনী কর্মকর্তারা নিরাপত্তার জন্য বোটের পাটাতনে লুটিয়ে পরে। এসময় সহকারী কমিশনার ভূমি, প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পুলিং অফিসারসহ দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের একটি টিমও ছিলো। আমরা সকলেই নিরাপদে সুস্থ ভাবে ফিরে মহান আল্লাহর নিকট শুকরিয়া আদায় করছি।
কোস্ট গার্ডের স্পীড বোটে থাকা টেকনাফ নির্বাচন অফিসের ইভিএমের কারিগরি দায়িত্বে থাকা মো.নাজিম উদ্দিন বলেন, আজকে মরতে মরতে প্রাণে ফিরেছি। সেন্টমার্টিন থেকে নির্বাচন শেষে টেকানাফে ফেরার পথে শাহপরীর দ্বীপের কাছকাছি নাফনদী মোহনায় পৌছলে মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ব্যাপ গুলি বর্ষণ করে। এতে আমরা সবাই ভয়ে নিচের দিকে বসে পরি। পরে কোস্ট গার্ডের স্পীড বোট দ্রুত গতিতে আমাদের নিরাপদে নিয়ে আসেন।
বিজিবি টেকনাফ-২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দীন আহমেদ বলেন, ‘ সেন্টমার্টিনে নির্বাচন শেষে ফেরারপথে নির্বাচনী কর্মকর্তাদের বহনকারী কোস্ট গার্ডের স্পীড বোটের উপর লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়েছে এটা সত্য। তবে কারা গুলি বর্ষণ করেছে, সেটি জানার চেষ্টা চলছে।’























