০২:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রাসেলের মাছ কেটে মাসে আয় ৬০-৭০ হাজার টাকা

খাগড়াছড়ি মাছ বাজারগুলোতে মাছ ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি দা-বঁটি নিয়ে বসেন কিছু লোক। ক্রেতারা মাছ কেনামাত্র তারা সেগুলোর আঁশ ছাড়িয়ে চাহিদামতো কেটে দেন। বিনিময়ে নেন মাছের পরিমাণ অনুযায়ী পারিশ্রমিক। মাছ কেটে তাদের বেশিরভাগের দৈনিক আয় ১ থেকে ২ হাজার টাকা। অনেকের আয় আবার এর চেয়েও বেশি।

খাগড়াছড়ি মাছ বাজারের মো: আরিফ হোসেন। বাড়ি উত্তর গঞ্জপাড়া, বয়স ২২ এর কাছাকাছি। মাছ কাটার পেশায় যুক্ত আছেন ১২ বছর ধরে, তিনি বলেন দৈনিক ২শ থেকে ৫০০ কেজি  মাছ কাটানো যায়। এক সময় দৈনিক ৮ হাজার  টাকার কাজ পেয়েছি। এখন আর আগের মতো তেমন ইনকাম হয় না।

একি পেশায় জড়িত মোহাম্মদ রাসেল ১৫ বছর ধরে মাছ কাটেন তিনি। মোহাম্মদপুর শালবাগানে তাঁর বাড়ি, বয়স ২৪, মাছ কাটেন এ পেশায় নির্দিষ্ট কোনো কর্মঘণ্টা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সকাল থেকে রাত অবধি মাছ কাটার কাজ করি। কেজি প্রতি ২০ টাকা করে মাছ কাটি, মাস শেষে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকার কাছাকাছি গিয়ে দাঁড়ায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাছ বাজারে এ পেশায় জড়িত রয়েছেন আরো অনেকেই তাঁরা বলেন, পুঁজিবিহীন এ পেশায় শুধু বসার জায়গাটি ভাড়া নিতে হয়। আর প্রয়োজন হয় একটি বঁটির।

তিনি আরো বলেন কিন্তু মাঝে মধ্যে একা সব কাজ সামলে ওঠা সম্ভব হয় না। তাই অনেক সময় সাহায্য নিতে হয় অন্যদেরও। কেউ কেউ মাছ কেটে দৈনিক আয় করেন ৩ হাজার টাকার ওপরেও। তবে সেটি হাতে-গোনা দুই-একজন।

ভাইবোন ছড়ার ম্রাচানাই পাড়ার কার্বারি মংশি মারমা বলেন, আমার ৪১ কেজি মাছ দুজনে ৩০ মিনিটের মধ্যে কাটা কমপ্লিট। যেমন বলেছি তেমন কেটে দিল।
এদিকে, সদরে মাষ্টার পাড়া নিবাসী নাজিম ফরাজিসহ মাছ ক্রেতারা বলেন, বাসায় গিয়ে মাছ কাটার ঝামেলা এড়াতে বাজার থেকে কেটে নিয়ে যাওয়াই ভালো। অল্প পারিশ্রমিকের বিনিময়ে পছন্দমতো মাছ কেটে নেয়া যায়।

জনপ্রিয় সংবাদ

রাসেলের মাছ কেটে মাসে আয় ৬০-৭০ হাজার টাকা

আপডেট সময় : ০৪:২৬:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪

খাগড়াছড়ি মাছ বাজারগুলোতে মাছ ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি দা-বঁটি নিয়ে বসেন কিছু লোক। ক্রেতারা মাছ কেনামাত্র তারা সেগুলোর আঁশ ছাড়িয়ে চাহিদামতো কেটে দেন। বিনিময়ে নেন মাছের পরিমাণ অনুযায়ী পারিশ্রমিক। মাছ কেটে তাদের বেশিরভাগের দৈনিক আয় ১ থেকে ২ হাজার টাকা। অনেকের আয় আবার এর চেয়েও বেশি।

খাগড়াছড়ি মাছ বাজারের মো: আরিফ হোসেন। বাড়ি উত্তর গঞ্জপাড়া, বয়স ২২ এর কাছাকাছি। মাছ কাটার পেশায় যুক্ত আছেন ১২ বছর ধরে, তিনি বলেন দৈনিক ২শ থেকে ৫০০ কেজি  মাছ কাটানো যায়। এক সময় দৈনিক ৮ হাজার  টাকার কাজ পেয়েছি। এখন আর আগের মতো তেমন ইনকাম হয় না।

একি পেশায় জড়িত মোহাম্মদ রাসেল ১৫ বছর ধরে মাছ কাটেন তিনি। মোহাম্মদপুর শালবাগানে তাঁর বাড়ি, বয়স ২৪, মাছ কাটেন এ পেশায় নির্দিষ্ট কোনো কর্মঘণ্টা নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, সকাল থেকে রাত অবধি মাছ কাটার কাজ করি। কেজি প্রতি ২০ টাকা করে মাছ কাটি, মাস শেষে প্রায় ৬০ থেকে ৭০ হাজার টাকার কাছাকাছি গিয়ে দাঁড়ায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাছ বাজারে এ পেশায় জড়িত রয়েছেন আরো অনেকেই তাঁরা বলেন, পুঁজিবিহীন এ পেশায় শুধু বসার জায়গাটি ভাড়া নিতে হয়। আর প্রয়োজন হয় একটি বঁটির।

তিনি আরো বলেন কিন্তু মাঝে মধ্যে একা সব কাজ সামলে ওঠা সম্ভব হয় না। তাই অনেক সময় সাহায্য নিতে হয় অন্যদেরও। কেউ কেউ মাছ কেটে দৈনিক আয় করেন ৩ হাজার টাকার ওপরেও। তবে সেটি হাতে-গোনা দুই-একজন।

ভাইবোন ছড়ার ম্রাচানাই পাড়ার কার্বারি মংশি মারমা বলেন, আমার ৪১ কেজি মাছ দুজনে ৩০ মিনিটের মধ্যে কাটা কমপ্লিট। যেমন বলেছি তেমন কেটে দিল।
এদিকে, সদরে মাষ্টার পাড়া নিবাসী নাজিম ফরাজিসহ মাছ ক্রেতারা বলেন, বাসায় গিয়ে মাছ কাটার ঝামেলা এড়াতে বাজার থেকে কেটে নিয়ে যাওয়াই ভালো। অল্প পারিশ্রমিকের বিনিময়ে পছন্দমতো মাছ কেটে নেয়া যায়।