০৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ৩১ আষাঢ় ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ভিয়েতনামে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন, চটল যুক্তরাষ্ট্র

◉ রুশ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো
◉রাশিয়ার দুটি জ্বালানি ডিপোতে ড্রোন হামলা

চলতি এশিয়া সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে বর্তমানে ভিয়েতনামে অবস্থান করছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার এই সফর শুরু হয়েছিল উত্তর কোরিয়া দিয়ে। ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত কিম জং উনের নিমন্ত্রণ রক্ষায় সেখানে যান তিনি। এরপর গতকাল ভোরে ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে পৌঁছান পুতিন। বিমানবন্দরে ভিয়েতনামের উপপ্রধানমন্ত্রী চান হোং হা ও ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ কূটনীতিক লে হাই চুং পুতিনকে স্বাগত জানান। এসময় তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

পুতিনকে সাদরে বরণ করায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ভিয়েতনাম। ওয়াশিংটনের দাবি, এই সফরে ইউক্রেন আগ্রাসনকে আরো বৈধতা দেওয়ার সুযোগ পাবেন পুতিন। কোনো দেশের উচিত না পুতিনকে তার আগ্রাসী যুদ্ধের প্রচারের জন্য কোনো মঞ্চ দেওয়া। এর আগে, গত বছর হ্যানয়ের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নত করেছে ওয়াশিংটন। বর্তমানে ভিয়েতনামের প্রধান রপ্তানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র।

এই সফর উপলক্ষ্যে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির সংবাদপত্র নান জানে লেখা এক নিবন্ধে ইউক্রেইনের ‘সংকট সমাধানে একটি বাস্তবসম্মত পথকে’ সমর্থন করায় হ্যানয়ের প্রশংসা করেন পুতিন। ইউক্রেইন যুদ্ধের বিষয়ে ভিয়েতনামের ‘ভারসাম্যপূর্ণ’ অবস্থানের প্রশংসা করার পাশাপাশি পুতিন নিজের লেখায় দুই দেশের মধ্যে আর্থিক, জ্বালানি ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে অগ্রগতির কথাও তুলে ধরেন।

বৈঠকে পুনঃনির্বাচনের জন্য পুতিনকে অভিনন্দন জানিয়ে রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশংসা করেন ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট তো লাম। তিনি বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিপুল সমর্থন পাওয়ার জন্য আমাদের কমরেডকে আবারও অভিনন্দন। এটি রুশ জনগণের আস্থার প্রতীক। জবাবে পুতিন বলেন, ভিয়েতনামের সঙ্গে সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারত্বকে জোরদার করা রাশিয়ার অন্যতম অগ্রাধিকার। দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের সঙ্গে সংলাপের প্রতি রাশিয়া সম্মান প্রদর্শন করে। ভিয়েতনাম এই জোটে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

বিশ্ব শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভিয়েতনাম একটি নিরপেক্ষ পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করে যাকে তারা ‘বাঁশের কূটনীতি’ বলে অভিহিত করে। ইউক্রেইনে রাশিয়ার আক্রমণের নিন্দা করেনি ভিয়েতনাম; পশ্চিমা দেশগুলো হ্যানয়ের এ অবস্থানকে ‘ক্রেমলিন ঘনিষ্ঠ’ হিসেবে বিবেচনা করে। উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া, উভয়েই আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হওয়ার মুখে থাকলেও ভিয়েতনাম সতর্কতার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি মিত্রতা গড়ে তুলেছে।

 

রুশ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো
রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে পশ্চিমাঞ্চলীয় লভিভ অঞ্চলে আহত হয়েছেন অন্তত দুইজন। গত বুধবার এই হামলায় চালিয়েছে রাশিয়া। টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলার স্থানে জরুরি পরিষেবা মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া, লভিভের পশ্চিমাঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বৈদ্যুতিক সরঞ্জামগুলোও মেরামতের কাজ চলছে। টেলিগ্রামে লভিভের আঞ্চলিক গভর্নর ম্যাকসিম কোজিটস্কি বলেছেন, ন্যাটো সদস্য দেশ পোল্যান্ডের সীমান্তবর্তী লভিভে হামলার সময় পাঁচটি ড্রোন ব্যবহার করেছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সেগুলো ধ্বংস করেছে। তবে ধ্বংসাবশেষ পড়ে দুই ব্যক্তি আহত হয়েছেন। লভিভের মেয়র আন্দ্রি সাদোভি লিখেছেন, লভিভ জেলা শহরের মালেখিভ গ্রামে ড্রোন হামলায় একটি বহুতল আবাসিক ভবন এবং অন্যান্য আবাসিক ভবনের বেশ কয়েকটি জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেনের বিমান বাহিনী বলেছে, ইউক্রেনের ছয়টি অঞ্চলে রাশিয়ার ছোড়া ২১টি ড্রোনের মধ্যে ১৯টিই ধ্বংস করেছে তারা। তবে এ বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। উভয় পক্ষই যুদ্ধে বেসামরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার কথা অস্বীকার করে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিবেশী ইউক্রেনে সর্বাত্মক হামলা শুরু করেছিল রাশিয়া। লভিভ শহর লভিভ অঞ্চলের প্রশাসনিক কেন্দ্র।

 

রাশিয়ার দুটি জ্বালানি ডিপোতে ড্রোন হামলা
রাশিয়ার দুটি জ্বালানি ডিপোতে সন্দেহজনক ড্রোন হামলার পর আগুন ধরে যায়। গতকাল এই হামলা হয়েছে। সম্প্রতি রাশিয়ার তেল শিল্পের ওপর ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার অংশ হিসেবে এই ড্রোন হামলা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাম্বভ অঞ্চলের গভর্নর মাক্সিম ইয়েগোরভ জানান, মস্কোর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্লাটোনোভস্কায়া জ্বালানি ডিপোতে বিস্ফোরণের পর আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, ড্রোন হামলার পর আগুন ধরেছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে রুশ বার্তা সংস্থা আরআইএ জানিয়েছে, একই জ্বালানি ডিপোর দ্বিতীয় একটি রিজার্ভারেও আগুন ধরে যায়। স্থানীয় জরুরি সেবা কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য ড্রোন হামলার সতর্কতা জারি করেছে এবং সাধারণ নাগরিকদের সতর্ক থাকতে এবং খোলা স্থানে যাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে। এর আগে, রাশিয়ার উত্তর ককেশাস অঞ্চলের আদ্যগেয়ায় আরেকটি জ্বালানি ডিপোতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার কারণে আগুন ধরে যায়। তবে সেই আগুন এরই মধ্যে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে আঞ্চলিক প্রধান মুরাত কুম্পিলভ টেলিগ্রামে জানিয়েছেন।

ভিয়েতনামে রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন, চটল যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট সময় : ০৮:২৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

◉ রুশ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো
◉রাশিয়ার দুটি জ্বালানি ডিপোতে ড্রোন হামলা

চলতি এশিয়া সফরের দ্বিতীয় পর্যায়ে বর্তমানে ভিয়েতনামে অবস্থান করছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তার এই সফর শুরু হয়েছিল উত্তর কোরিয়া দিয়ে। ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত কিম জং উনের নিমন্ত্রণ রক্ষায় সেখানে যান তিনি। এরপর গতকাল ভোরে ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে পৌঁছান পুতিন। বিমানবন্দরে ভিয়েতনামের উপপ্রধানমন্ত্রী চান হোং হা ও ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির শীর্ষ কূটনীতিক লে হাই চুং পুতিনকে স্বাগত জানান। এসময় তাকে লাল গালিচা সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

পুতিনকে সাদরে বরণ করায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমালোচনার মুখে পড়েছে ভিয়েতনাম। ওয়াশিংটনের দাবি, এই সফরে ইউক্রেন আগ্রাসনকে আরো বৈধতা দেওয়ার সুযোগ পাবেন পুতিন। কোনো দেশের উচিত না পুতিনকে তার আগ্রাসী যুদ্ধের প্রচারের জন্য কোনো মঞ্চ দেওয়া। এর আগে, গত বছর হ্যানয়ের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক উন্নত করেছে ওয়াশিংটন। বর্তমানে ভিয়েতনামের প্রধান রপ্তানি বাজার যুক্তরাষ্ট্র।

এই সফর উপলক্ষ্যে ভিয়েতনামের কমিউনিস্ট পার্টির সংবাদপত্র নান জানে লেখা এক নিবন্ধে ইউক্রেইনের ‘সংকট সমাধানে একটি বাস্তবসম্মত পথকে’ সমর্থন করায় হ্যানয়ের প্রশংসা করেন পুতিন। ইউক্রেইন যুদ্ধের বিষয়ে ভিয়েতনামের ‘ভারসাম্যপূর্ণ’ অবস্থানের প্রশংসা করার পাশাপাশি পুতিন নিজের লেখায় দুই দেশের মধ্যে আর্থিক, জ্বালানি ও বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে অগ্রগতির কথাও তুলে ধরেন।

বৈঠকে পুনঃনির্বাচনের জন্য পুতিনকে অভিনন্দন জানিয়ে রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার প্রশংসা করেন ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট তো লাম। তিনি বলেন, সম্প্রতি অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিপুল সমর্থন পাওয়ার জন্য আমাদের কমরেডকে আবারও অভিনন্দন। এটি রুশ জনগণের আস্থার প্রতীক। জবাবে পুতিন বলেন, ভিয়েতনামের সঙ্গে সমন্বিত কৌশলগত অংশীদারত্বকে জোরদার করা রাশিয়ার অন্যতম অগ্রাধিকার। দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের সঙ্গে সংলাপের প্রতি রাশিয়া সম্মান প্রদর্শন করে। ভিয়েতনাম এই জোটে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।

বিশ্ব শক্তিগুলোর সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভিয়েতনাম একটি নিরপেক্ষ পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করে যাকে তারা ‘বাঁশের কূটনীতি’ বলে অভিহিত করে। ইউক্রেইনে রাশিয়ার আক্রমণের নিন্দা করেনি ভিয়েতনাম; পশ্চিমা দেশগুলো হ্যানয়ের এ অবস্থানকে ‘ক্রেমলিন ঘনিষ্ঠ’ হিসেবে বিবেচনা করে। উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া, উভয়েই আন্তর্জাতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হওয়ার মুখে থাকলেও ভিয়েতনাম সতর্কতার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে একটি মিত্রতা গড়ে তুলেছে।

 

রুশ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামো
রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনের মধ্যাঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে পশ্চিমাঞ্চলীয় লভিভ অঞ্চলে আহত হয়েছেন অন্তত দুইজন। গত বুধবার এই হামলায় চালিয়েছে রাশিয়া। টেলিগ্রাম মেসেজিং অ্যাপে দেশটির জ্বালানি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলার স্থানে জরুরি পরিষেবা মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া, লভিভের পশ্চিমাঞ্চলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া বৈদ্যুতিক সরঞ্জামগুলোও মেরামতের কাজ চলছে। টেলিগ্রামে লভিভের আঞ্চলিক গভর্নর ম্যাকসিম কোজিটস্কি বলেছেন, ন্যাটো সদস্য দেশ পোল্যান্ডের সীমান্তবর্তী লভিভে হামলার সময় পাঁচটি ড্রোন ব্যবহার করেছে রুশ বাহিনী। ইউক্রেনের বিমান প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সেগুলো ধ্বংস করেছে। তবে ধ্বংসাবশেষ পড়ে দুই ব্যক্তি আহত হয়েছেন। লভিভের মেয়র আন্দ্রি সাদোভি লিখেছেন, লভিভ জেলা শহরের মালেখিভ গ্রামে ড্রোন হামলায় একটি বহুতল আবাসিক ভবন এবং অন্যান্য আবাসিক ভবনের বেশ কয়েকটি জানালা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইউক্রেনের বিমান বাহিনী বলেছে, ইউক্রেনের ছয়টি অঞ্চলে রাশিয়ার ছোড়া ২১টি ড্রোনের মধ্যে ১৯টিই ধ্বংস করেছে তারা। তবে এ বিষয়ে রাশিয়ার পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। উভয় পক্ষই যুদ্ধে বেসামরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার কথা অস্বীকার করে। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিবেশী ইউক্রেনে সর্বাত্মক হামলা শুরু করেছিল রাশিয়া। লভিভ শহর লভিভ অঞ্চলের প্রশাসনিক কেন্দ্র।

 

রাশিয়ার দুটি জ্বালানি ডিপোতে ড্রোন হামলা
রাশিয়ার দুটি জ্বালানি ডিপোতে সন্দেহজনক ড্রোন হামলার পর আগুন ধরে যায়। গতকাল এই হামলা হয়েছে। সম্প্রতি রাশিয়ার তেল শিল্পের ওপর ইউক্রেনের ধারাবাহিক হামলার অংশ হিসেবে এই ড্রোন হামলা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাম্বভ অঞ্চলের গভর্নর মাক্সিম ইয়েগোরভ জানান, মস্কোর দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্লাটোনোভস্কায়া জ্বালানি ডিপোতে বিস্ফোরণের পর আগুন লাগার ঘটনা ঘটে। ধারণা করা হচ্ছে, ড্রোন হামলার পর আগুন ধরেছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে রুশ বার্তা সংস্থা আরআইএ জানিয়েছে, একই জ্বালানি ডিপোর দ্বিতীয় একটি রিজার্ভারেও আগুন ধরে যায়। স্থানীয় জরুরি সেবা কর্তৃপক্ষ সম্ভাব্য ড্রোন হামলার সতর্কতা জারি করেছে এবং সাধারণ নাগরিকদের সতর্ক থাকতে এবং খোলা স্থানে যাওয়া থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছে। এর আগে, রাশিয়ার উত্তর ককেশাস অঞ্চলের আদ্যগেয়ায় আরেকটি জ্বালানি ডিপোতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার কারণে আগুন ধরে যায়। তবে সেই আগুন এরই মধ্যে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে আঞ্চলিক প্রধান মুরাত কুম্পিলভ টেলিগ্রামে জানিয়েছেন।