০২:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রলয়ংকরী পাহাড়ি ঢল থেকে মুক্তি ও ফসল রক্ষায় সোমেশ্বরী নদী খননের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

নেত্রকোণার দুর্গাপুরে প্রলয়ংকরী পাহাড়ি ঢল থেকে মুক্তি ও এলাকার ফসলি জমি রক্ষায় উপজেলার সোমেশ্বরী নদী খননের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে এলাকার কৃষক-শ্রমিক ও সাধারণ জনতা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে শত শত মানুষ ঘন্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করে। পরে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে তারা।
এই কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন,সোমেশ্বরী নদীতে তীব্র পাহাড়ি ঢলের সাথে ধেয়ে আসা বালু অত্র জনপদবাসীর জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ফসলি জমিতে বালুর স্তর পড়ে শত শত একর জমি চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাই আমরা ফসল ফলাতে পারছি না। নদী খনন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সাম্প্রতিক সময়ের সোমেশ্বরী নদীর তীব্র পাহাড়ি ঢলের সাথে ধেয়ে আসা বালু আবারও দীর্ঘ ২২ কিলোমিটারব্যাপী দুর্গাপুর উপজেলা ও আশেপাশের কৃষি জমিতে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। সোমেশ্বরী নদীর প্রলয়ঙ্করী পাহাড়ি ঢলের সাথে ধেয়ে আসা বালুর কবল থেকে আমাদের আবাদযোগ্য ফসলি জমি রক্ষার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।
এই কর্মসূচিতে সর্বস্তরের কৃষকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন আশ্রাব আলী,মামুনুর রশিদ, ফরিদ মিয়া,শহিদুল ইসলাম,ইন্তাজ আলী,আমিনুল হক,কবির মিয়া সহ অনেকে।
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রলয়ংকরী পাহাড়ি ঢল থেকে মুক্তি ও ফসল রক্ষায় সোমেশ্বরী নদী খননের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি

আপডেট সময় : ০৬:২৮:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০২৪
নেত্রকোণার দুর্গাপুরে প্রলয়ংকরী পাহাড়ি ঢল থেকে মুক্তি ও এলাকার ফসলি জমি রক্ষায় উপজেলার সোমেশ্বরী নদী খননের দাবিতে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে এলাকার কৃষক-শ্রমিক ও সাধারণ জনতা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলা পরিষদ চত্ত্বরে শত শত মানুষ ঘন্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করে। পরে দুর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে তারা।
এই কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন,সোমেশ্বরী নদীতে তীব্র পাহাড়ি ঢলের সাথে ধেয়ে আসা বালু অত্র জনপদবাসীর জন্য আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ফসলি জমিতে বালুর স্তর পড়ে শত শত একর জমি চাষাবাদের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। তাই আমরা ফসল ফলাতে পারছি না। নদী খনন কার্যক্রম বন্ধ থাকায় সাম্প্রতিক সময়ের সোমেশ্বরী নদীর তীব্র পাহাড়ি ঢলের সাথে ধেয়ে আসা বালু আবারও দীর্ঘ ২২ কিলোমিটারব্যাপী দুর্গাপুর উপজেলা ও আশেপাশের কৃষি জমিতে বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। সোমেশ্বরী নদীর প্রলয়ঙ্করী পাহাড়ি ঢলের সাথে ধেয়ে আসা বালুর কবল থেকে আমাদের আবাদযোগ্য ফসলি জমি রক্ষার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট সবিনয় অনুরোধ জানাচ্ছি।
এই কর্মসূচিতে সর্বস্তরের কৃষকদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন আশ্রাব আলী,মামুনুর রশিদ, ফরিদ মিয়া,শহিদুল ইসলাম,ইন্তাজ আলী,আমিনুল হক,কবির মিয়া সহ অনেকে।