নরসিংদীর মাধবদীতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর অফিসের প্রধান দরজায় তালা দিয়ে কর্মবিরতি পালন করছে কর্মকর্তা- কর্মচারীরা। ফলে কোনো সেবা না পেয়ে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সমিতির গ্রাহকগণ। কর্ম বিরতির ফলে বিদ্যুৎ বিল ও ২৪ ঘন্টা সার্ভিস ছাড়া সকল কাজ বন্ধ রয়েছে ।
আন্দোলনকারীদের পক্ষে নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর ডেপুটী জেনারেল ম্যানেজার (টেকনিক্যাল) মোঃ আব্দুল্লাহ আল হাদী সহ অনেকেই জানিয়েছেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিদ্যুৎ বিভাগের নির্দেশনা অমান্য করে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কর্তৃক পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সমূহে শোষণ, নির্যাতন, নিপীড়ন বন্ধ, গুণগত মানহীন মালামাল ক্রয় করে গ্রাহক ভোগান্তি বন্ধ করতে হবে। স্মার্ট ও টেকসই বাংলাদেশ বিনির্মাণে BREB-PBS একীভূতকরণসহ বিভিন্ন চাকরিবিধি বাস্তবায়ন ও সকল চুক্তিভিত্তিক ও অনিয়মিত কর্মচারীদের চাকরি নিয়মিত করনের দাবি জানান। এসময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আশ্বাস না আসা পর্যন্ত অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতির আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে জানান আন্দোলনকারীরা।
নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর গ্রাহক মোঃ ফরহাদ জানান,আমার মিটার সকেটের জন্য অফিসে গিয়েছিলাম কিন্তু অফিসে কর্মবিরতির জন্য আমার মিটার সকেট সেবা না পেয়ে ফিরে যেতে হয়েছে। সমিতির গ্রাহক মোঃ মামুন জানান, আমার ব্যবহার না করা মিটারে বিল পাঠিয়েছে। আমি সেই বিলটির সমস্যা সমাধানের জন্য অফিসে আসলে জানতে পারি অফিসে কর্মবিরতি চলছে। তাই কাজটি না করেই চলে যেতে হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সকাল থেকেই অফিসের প্রধান দরজায় তালা লাগিয়ে অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অনেকেই বাহিরে অবস্থান করছেন। দুপুরের সময় দুই দরজার একটির তালা খোলা হলেও কোনো কার্যক্রম চলছেনা। এসময় প্রতিবেদক ছবি নেওয়ার সময় নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সহকারী জেনারেল ম্যানেজার (অর্থ) মিজানুর রহমান শুভ ও এসিস্ট্যান্ট একাউন্স মোঃ বাবুল মিয়া ছবি নিতে বাঁধা দেয় ও অসম্মানজনক আচরণ করে।
ঘটনা সম্পর্কে জানতে নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার আবু বক্কর শিবলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আন্দোলন কেনো হচ্ছে এটা যারা কর্মবিরতি পালন করছে তাদের নিকট জেনে নিন। তবে আমরা এখন তাদের সাথে মিটিং করেছি যেখানে গ্রাহক সেবা অব্যাহত থাকার সিদ্ধান্ত হয়। যারা অফিসে তালা দিয়েছে ঘটনা জেনে কারা করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।





















