১১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চেঙ্গী নদী পানি কমলেও দীঘিনালায় নিচু এলাকা গুলোতে কমেনি পানি

খাগড়াছড়িতে টানা তিনদিন ধরে বৃষ্টিতে চেঙ্গী, মাইনি নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে নিম্লঞ্চল রাস্তাঘাট ও গ্রাম। জেলার বিভিন্ন উপজেলার আন্তসড়কগুলো ডুবে গেছে পানিতে। এদিকে খাগড়াছড়ির চেঙ্গী নদী পানি কমলে আশ্রয় কেন্দ্র অবস্থান নেওয়া পরিবার গুরো নিজ বাড়িতে ফিরে গেছে।
তবে পানি নামেনি  দীঘিনালা উপজেলার নিচু এলাকাগুলো। উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের ২০টি গ্রামের  প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার এখনও পানিবন্দি। ডুবে গেছে মেরুং বাজার। একই উপজেলার কবাখালি ইউনিয়নের ৫ গ্রামের পানিও নামেনি। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে রাঙামাটির লংগদু উপজেলার বাসিন্দারা।
খাগড়াছড়ি সদরে গঞ্জপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরেজমিনে দেখে আসলাম শিক্ষকরা বিদ্যালয়ের আসলেও শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আসেনি। বিষয় জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক রওসন আরা বেগম বলেন পৌর এলাকাতে বন্যার পানি প্লাবিত ফলে ছাত্র- ছাত্রীরা স্কুলে আসেনি।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ বলেন, দীঘিনালায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। ২১টি আশ্রয়কেন্দ্রে মোট চার’শ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চেঙ্গী নদী পানি কমলেও দীঘিনালায় নিচু এলাকা গুলোতে কমেনি পানি

আপডেট সময় : ০৪:১৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জুলাই ২০২৪

খাগড়াছড়িতে টানা তিনদিন ধরে বৃষ্টিতে চেঙ্গী, মাইনি নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে নিম্লঞ্চল রাস্তাঘাট ও গ্রাম। জেলার বিভিন্ন উপজেলার আন্তসড়কগুলো ডুবে গেছে পানিতে। এদিকে খাগড়াছড়ির চেঙ্গী নদী পানি কমলে আশ্রয় কেন্দ্র অবস্থান নেওয়া পরিবার গুরো নিজ বাড়িতে ফিরে গেছে।
তবে পানি নামেনি  দীঘিনালা উপজেলার নিচু এলাকাগুলো। উপজেলার মেরুং ইউনিয়নের ২০টি গ্রামের  প্রায় ৫ শতাধিক পরিবার এখনও পানিবন্দি। ডুবে গেছে মেরুং বাজার। একই উপজেলার কবাখালি ইউনিয়নের ৫ গ্রামের পানিও নামেনি। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে রাঙামাটির লংগদু উপজেলার বাসিন্দারা।
খাগড়াছড়ি সদরে গঞ্জপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সরেজমিনে দেখে আসলাম শিক্ষকরা বিদ্যালয়ের আসলেও শিক্ষার্থীরা ক্লাসে আসেনি। বিষয় জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক রওসন আরা বেগম বলেন পৌর এলাকাতে বন্যার পানি প্লাবিত ফলে ছাত্র- ছাত্রীরা স্কুলে আসেনি।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ বলেন, দীঘিনালায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে। ২১টি আশ্রয়কেন্দ্রে মোট চার’শ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।