০৮:৫৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি

দেশের উত্তরা লে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে বিভিন্ন এলাকা। গাইবান্ধা, রংপুর, কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট ও নীলফামারীতে ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। অনেক স্থানে আবার বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে নদ-নদীর পানি। এতে পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বন্যাকবলিত অনেক এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। এমন পরিস্থিতিতে ত্রাণই বানভাসিদের একমাত্র ভরসা। তবে পর্যাপ্ত ত্রাণ মিলছে না বলে বানভাসিদের অভিযোগ। কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের পর দুধকুমার ও ধরলার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় কুড়িগ্রামের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়েছে ৮ উপজেলার ৪৪ ইউনিয়নের ৩ শতাধিক গ্রামের দেড় লক্ষাধিক মানুষ। অনেকে আশ্রয় কেন্দ্র ও বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। সংকট দেখা দিয়েছে শুকনা খাবার ও বিশুদ্ধ পানির। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নিয়ন্ত্রণকক্ষ সুত্রে জানা যায়, জেলায় ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে ধরলা ও দুধকুমারের পানিও বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। দুধকুমরের প্রবল স্রোতে নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নে পাউবোর বাঁধ ভেঙ্গে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি সামান্য কমলেও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৩.৯২ সেন্টিমিটার, হাতিয়া পয়েন্টে ২৪.৯৬ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৬.৫৮ সেন্টিমিটার এবং পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমরের পানি বিপৎসীমার ৩০.২৫ সেন্টিমিটার, ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৬.৩২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি. সাঘাটা ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার ২৭টি ইউনিয়নের নিম্না ল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৭০ হাজার পরিবার। প্লাবিত এলাকার ৮০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। সদর ও ফুলছড়ি উপজেলার ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার চরা লের ঘরবাড়ি ডুবে গেছে। অনেক টিনশেড ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। অনেকে নৌকায় করে ঘরের জিনিসপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে। ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের আনন্দবাড়ী চরের আবু সাঈদ বলেন, দুই দফায় বন্যায় আমাদের সর্বনাশ হয়েছে। অল্প সময়ে দুই বন্যার কারণে আমাদের বাড়িঘর-ফসল সব পানির নিচে ডুবে গেছে। জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী গাইবান্ধার সদর উপজেলার ৫টি, সুন্দরগঞ্জের ৯ টি, সাঘাটার ৮টি ও ফুলছড়ি উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব ইউনিয়নে পানিবন্দি রয়েছে ৬৭ হাজার ৭২৯টি পরিবার। এরমধ্যে গাইবান্ধা সদরে ৩৯ হাজার ৮৮৯টি, সুন্দরগঞ্জে ৫২ হাজার, সাঘাটায় ১৫ হাজার ১৫০টি ও ফুলছড়ির ৭৪ হাজার ৯০টি পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি বাস্তবে পানিবন্দি পরিবারের সংখ্যা ৭৫ হাজারেরও বেশি হবে। পানিবন্দি এসব মানুষের জন্য স্থায়ী ও অস্থায়ী ১৮১টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এরমধ্যে সাঘাটা উপজেলায় রয়েছে ৩৬টি, সুন্দরগঞ্জে ৪৮টি, ফুলছড়িতে ২৩টি, সদরে ২৪টি, সাদুল্লাপুরে ৩৩টি, পলাশবাড়ীতে ৬টি ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ১১টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ভেতরে বন্যার পানি ওঠায় ইতোমধ্যে সদর উপজেলার ১৭টি, ফুলছড়িতে ১৪টি, সাঘাটায় ২১টি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ১১টিসহ ৭০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ।

এছাড়াও ৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৩টি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রমও বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা শিক্ষা বিভাগ। গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক খোরশেদ আলম বলেন, চলমান বন্যায় চার উপজেলায় দুই হাজার ৫৪৫ হেক্টর জমির আউশ ধান, পাট, ভুট্টা, বীজতলা ও শাকসবজি পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। দ্রুত পানি নেমে গেলে ক্ষতি কম হবে। অন্যথায় ফসল পঁচে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে প্লাবিত হয়েছে লালমনিরহাট ও নীলফামারীর বিভিন্ন উপজেলার নিম্না ল। দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই ইউনিয়নের ঝাড়সিংহেশ্বরের জামিয়ার হোসেন বলেন, গ্রামের অনেকের বাড়ির উঠানে পানি উঠে গেছে। মানুষ বন্যার শঙ্কায় রয়েছে। দিনাজপুরে আত্রাই নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়া পুণর্ভবা, ইছামতি নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার নিচু এলাকাগুলো নিমজ্জিত হয়েছে। দিনাজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, চিরিরবন্দর, সদর উপজেলার পয়েন্টে আত্রাই, পুনর্ভবা ও ফুলবাড়ি উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতি নদীর পানি বিপৎসীমার খুবই কাছাকাছি প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও শহরের পাশ ঘেষা পুনর্ভবা নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে ৩১ দশমিক ২৫ মিটার ও পুনর্ভবা নদীর পানি বিপৎসীমা ৩৩ দশমিক ৫০০ মিটার উপর দিয়ে। ফুলবাড়ি উপজেলায় ইছামতি নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে ২৬ দশমিক ৮৬ মিটার বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি

আপডেট সময় : ০৪:২১:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০২৪

দেশের উত্তরা লে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে বিভিন্ন এলাকা। গাইবান্ধা, রংপুর, কুড়িগ্রাম লালমনিরহাট ও নীলফামারীতে ২ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। অনেক স্থানে আবার বিপৎসীমা ছুঁই ছুঁই করছে নদ-নদীর পানি। এতে পরিস্থিতির আরও অবনতি হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বন্যাকবলিত অনেক এলাকায় দেখা দিয়েছে তীব্র খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সংকট। এমন পরিস্থিতিতে ত্রাণই বানভাসিদের একমাত্র ভরসা। তবে পর্যাপ্ত ত্রাণ মিলছে না বলে বানভাসিদের অভিযোগ। কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্রের পর দুধকুমার ও ধরলার পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় কুড়িগ্রামের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে পানিবন্দি হয়েছে ৮ উপজেলার ৪৪ ইউনিয়নের ৩ শতাধিক গ্রামের দেড় লক্ষাধিক মানুষ। অনেকে আশ্রয় কেন্দ্র ও বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। সংকট দেখা দিয়েছে শুকনা খাবার ও বিশুদ্ধ পানির। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নিয়ন্ত্রণকক্ষ সুত্রে জানা যায়, জেলায় ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে ধরলা ও দুধকুমারের পানিও বিপৎসীমা অতিক্রম করেছে। দুধকুমরের প্রবল স্রোতে নাগেশ্বরী উপজেলার বামনডাঙ্গা ইউনিয়নে পাউবোর বাঁধ ভেঙ্গে ১০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি সামান্য কমলেও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৩.৯২ সেন্টিমিটার, হাতিয়া পয়েন্টে ২৪.৯৬ সেন্টিমিটার, নুনখাওয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৬.৫৮ সেন্টিমিটার এবং পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমরের পানি বিপৎসীমার ৩০.২৫ সেন্টিমিটার, ধরলার পানি সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার ২৬.৩২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি. সাঘাটা ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার ২৭টি ইউনিয়নের নিম্না ল বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ৭০ হাজার পরিবার। প্লাবিত এলাকার ৮০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। সদর ও ফুলছড়ি উপজেলার ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার চরা লের ঘরবাড়ি ডুবে গেছে। অনেক টিনশেড ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে। অনেকে নৌকায় করে ঘরের জিনিসপত্র অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে। ফুলছড়ি উপজেলার এরেন্ডাবাড়ী ইউনিয়নের আনন্দবাড়ী চরের আবু সাঈদ বলেন, দুই দফায় বন্যায় আমাদের সর্বনাশ হয়েছে। অল্প সময়ে দুই বন্যার কারণে আমাদের বাড়িঘর-ফসল সব পানির নিচে ডুবে গেছে। জেলা প্রশাসনের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী গাইবান্ধার সদর উপজেলার ৫টি, সুন্দরগঞ্জের ৯ টি, সাঘাটার ৮টি ও ফুলছড়ি উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব ইউনিয়নে পানিবন্দি রয়েছে ৬৭ হাজার ৭২৯টি পরিবার। এরমধ্যে গাইবান্ধা সদরে ৩৯ হাজার ৮৮৯টি, সুন্দরগঞ্জে ৫২ হাজার, সাঘাটায় ১৫ হাজার ১৫০টি ও ফুলছড়ির ৭৪ হাজার ৯০টি পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি বাস্তবে পানিবন্দি পরিবারের সংখ্যা ৭৫ হাজারেরও বেশি হবে। পানিবন্দি এসব মানুষের জন্য স্থায়ী ও অস্থায়ী ১৮১টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এরমধ্যে সাঘাটা উপজেলায় রয়েছে ৩৬টি, সুন্দরগঞ্জে ৪৮টি, ফুলছড়িতে ২৩টি, সদরে ২৪টি, সাদুল্লাপুরে ৩৩টি, পলাশবাড়ীতে ৬টি ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ১১টি আশ্রয় কেন্দ্র রয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর ভেতরে বন্যার পানি ওঠায় ইতোমধ্যে সদর উপজেলার ১৭টি, ফুলছড়িতে ১৪টি, সাঘাটায় ২১টি ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় ১১টিসহ ৭০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ।

এছাড়াও ৭টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং ৩টি দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষা কার্যক্রমও বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা শিক্ষা বিভাগ। গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক খোরশেদ আলম বলেন, চলমান বন্যায় চার উপজেলায় দুই হাজার ৫৪৫ হেক্টর জমির আউশ ধান, পাট, ভুট্টা, বীজতলা ও শাকসবজি পানিতে নিমজ্জিত রয়েছে। দ্রুত পানি নেমে গেলে ক্ষতি কম হবে। অন্যথায় ফসল পঁচে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এদিকে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে প্লাবিত হয়েছে লালমনিরহাট ও নীলফামারীর বিভিন্ন উপজেলার নিম্না ল। দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই ইউনিয়নের ঝাড়সিংহেশ্বরের জামিয়ার হোসেন বলেন, গ্রামের অনেকের বাড়ির উঠানে পানি উঠে গেছে। মানুষ বন্যার শঙ্কায় রয়েছে। দিনাজপুরে আত্রাই নদীর পানি বিপৎসীমার ১৩৩ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়া পুণর্ভবা, ইছামতি নদীর পানিও বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার নিচু এলাকাগুলো নিমজ্জিত হয়েছে। দিনাজপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, চিরিরবন্দর, সদর উপজেলার পয়েন্টে আত্রাই, পুনর্ভবা ও ফুলবাড়ি উপজেলার উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ইছামতি নদীর পানি বিপৎসীমার খুবই কাছাকাছি প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়াও শহরের পাশ ঘেষা পুনর্ভবা নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে ৩১ দশমিক ২৫ মিটার ও পুনর্ভবা নদীর পানি বিপৎসীমা ৩৩ দশমিক ৫০০ মিটার উপর দিয়ে। ফুলবাড়ি উপজেলায় ইছামতি নদীর পানি প্রবাহিত হচ্ছে ২৬ দশমিক ৮৬ মিটার বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।