০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাঁদপুর মতলব উত্তরে বিদেশী পিস্তল ৫ রাউন্ড গুলিসহ যুবক আটক

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে বিদেশী পিস্তল ও ৫ রাউন্ড গুলিসহ ১ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।শনিবার সন্ধ্যায় মতলব উত্তর উপজেলার বেলতলী আশ্রয়ন প্রকল্প সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত রমজান বেলতলী এলাকার বারেক সওদাগরের ছেলে। রোববার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতলব উত্তর থানার ওসি আলমগীর হোসেন রনি।মূলত ব্যবসায়ী রিপন সরকারকে হত্যার উদ্দেশ্যে অস্ত্রের যোগান দেন আব্দুল্লাপুরের ফিরোজ সিকদারের ছেলে লিটন বলে জানান আটককৃত রমাজন। এই বিষয়ে, বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন, মোঃ রিপন সরকারের ছোট ভাই, মোঃ শাহাদাত হোসেন  বলেন, আমার বড় ভাই মোঃ রিপন মিয়া, মতলব উত্তর থানাধীন  বেলতলী এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত মাছের ও বালুর ব্যবসা করে আসিতেছে।

উক্ত ব্যবসার জেল ধরিয়া গজারিয়া থানার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের, মোঃ ফিরোজ কসাই এর ছেলে, মোঃ লিটন কসাই, লিটন কসাই মূলত ইয়াবা ব্যবসায়ী, তাদেরকে পুলিশে হাতে ধরিয়ে দেওয়ায়, আমার বড় ভাই মোঃ রিপন মিয়ার, সাথে শত্রুতা শুরু হয় ,পূর্ব শত্রুতার তার জের ধরে, লিটন কসাই বেলতলি গ্রামের বারেক সওদাগরের ছোট ছেলে রমজান সওদাগর(২৮)  ২এর মাধ্যমে, প্রাণে মেরে ফেলার প্লান করেন।  পূর্বে এর আগেও কয়েকবার এর, বিভিন্ন লোক মারফতে, রিপন মিয়া কে হত্যার চেষ্টা করেন। আটককৃত মোঃ রমজান সওদাগর, আমার ভাইয়ের মাছের  ফিসারিতে, দীর্ঘদিন যাবত কাজ করে আসতেছে, আমার ভাই মোহাম্মদ রিপন মিয়া গোপন সূত্রে জানতে পায় যে তাকে হত্যা করার জন্য, গজারিয়া থানার লিটন কসাই, মোঃ রমজান সওদাগর সহ আরো কয়েকজনকে পিস্তল দিয়ে আমাকে মারার প্ল্যান করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৬জুলাই বেলা অনুমান ১২ ঘটিকার সময় রমজান সওদাগর আমার বড় ভাই মোহাম্মদ রিপন মিয়ার মাছের ফিসারীতে কাজ করতে আসিলে,আমি ও আমার বড় ভাই রিপন মিয়া, কৌশলে, মোঃ রমজান সওদাগরকে আমাদের অফিসে ডেকে নিয়ে উক্ত বিষয় জিজ্ঞাসাবাদ করি, জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে রমজান জানান মোঃ লিটন কসাই, আরো কয়েকজন মিলে লিটন কসাই এর মাধ্যমে, গত পাঁচ তারিখ শনিবার, অনুমান 8 ঘটিকার সময়, মতলব উত্তর থানা দিন আনারপুর স্থানে,  রমজানকে ডেকে নিয়ে লিটন কসাই এর লোকের মাধ্যমে রমজানের হাতে রিপন মিয়াকে মারার জন্য একটি পিস্তল ও পাঁচ রাউন্ড গুলি সহ তার হাতে দেন।

রিপন মিয়ার ছোট ভাই মোঃ শাহাদাত জানান, মোহাম্মদ লিটন কসাই পিতা ফিরোজ কসাই ও গোলজার খা পিতা মৃত বাতেন খা, মোহাম্মদ উজ্জল শৈয়াল পিতা মৃত মজিদ শৈয়াল ও লনী নারী, পিতা মৃত হাফেজ রারি, মোঃ জাহিদ পিতা নাসির সরদার, মোঃ সুমন মিয়া,পিতা চান মিয়া, আব্দুল গোলদার ,পিতা মহবত আলী, তারাই মূলত আমার ভাইকে কিভাবে হত্যা করবে পরিকল্পনা করেছি তাই আমি তাদেরকে আসামি দিয়ে অজ্ঞাত নামা কয়েকজনকে দিয়ে একটি মামলা  করি,গত ০৬/০৪/২০২৪ইং তারিখ রাত ২৩.০৫ ঘটিকার সময়  মোঃ খায়রুল কবির, সহকারী পুলিশ সুপার, মতলব সার্কেল, চাঁদপুর এর নেতৃত্বে এবং মোঃ আলমগীর হোসেন, অফিসার ইনচার্জ, মতলব উত্তর থানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে মতলব উত্তর থানায় কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)  মোঃ ছানোয়ার হোসেন সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ মতলব উত্তর থানাধীন সাদুল্যাহপুর ইউনিয়ন বেলতলী লঞ্চঘাট সংলগ্ন আশ্রয়ন প্রকল্পের উত্তর পার্শ্বে , নান্নু ফকির এর ফার্নিচার দোকানের ভিতর হইতে রিপন সরকারের ছোট ভাই মোঃ শাহাদাত হোসেন সহ স্থানীয় জনসাধারন কর্তৃক আটককৃত আসামী,বারেক সওদাগর এর ছেলে মোঃ রমজান সওদাগর কে  বেলতলী, বদরপুর গ্রাম(সওদাগর বাড়ী) স্থানীয় লোকজন থেকে মতলব উত্তর থানা  পুলিশ হেফাজত নেন। এ সময় ০১টি পিস্তল ও ০১টি ম্যাগাজিন, যাহার ভিতরে ০৫(পাঁচ) রাউন্ড গুলি সহ উদ্ধার ও জব্দ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুর মতলব উত্তরে বিদেশী পিস্তল ৫ রাউন্ড গুলিসহ যুবক আটক

আপডেট সময় : ০৭:৩৪:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুলাই ২০২৪

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে বিদেশী পিস্তল ও ৫ রাউন্ড গুলিসহ ১ যুবককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় জনতা।শনিবার সন্ধ্যায় মতলব উত্তর উপজেলার বেলতলী আশ্রয়ন প্রকল্প সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত রমজান বেলতলী এলাকার বারেক সওদাগরের ছেলে। রোববার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মতলব উত্তর থানার ওসি আলমগীর হোসেন রনি।মূলত ব্যবসায়ী রিপন সরকারকে হত্যার উদ্দেশ্যে অস্ত্রের যোগান দেন আব্দুল্লাপুরের ফিরোজ সিকদারের ছেলে লিটন বলে জানান আটককৃত রমাজন। এই বিষয়ে, বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন, মোঃ রিপন সরকারের ছোট ভাই, মোঃ শাহাদাত হোসেন  বলেন, আমার বড় ভাই মোঃ রিপন মিয়া, মতলব উত্তর থানাধীন  বেলতলী এলাকায় দীর্ঘদিন যাবত মাছের ও বালুর ব্যবসা করে আসিতেছে।

উক্ত ব্যবসার জেল ধরিয়া গজারিয়া থানার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের, মোঃ ফিরোজ কসাই এর ছেলে, মোঃ লিটন কসাই, লিটন কসাই মূলত ইয়াবা ব্যবসায়ী, তাদেরকে পুলিশে হাতে ধরিয়ে দেওয়ায়, আমার বড় ভাই মোঃ রিপন মিয়ার, সাথে শত্রুতা শুরু হয় ,পূর্ব শত্রুতার তার জের ধরে, লিটন কসাই বেলতলি গ্রামের বারেক সওদাগরের ছোট ছেলে রমজান সওদাগর(২৮)  ২এর মাধ্যমে, প্রাণে মেরে ফেলার প্লান করেন।  পূর্বে এর আগেও কয়েকবার এর, বিভিন্ন লোক মারফতে, রিপন মিয়া কে হত্যার চেষ্টা করেন। আটককৃত মোঃ রমজান সওদাগর, আমার ভাইয়ের মাছের  ফিসারিতে, দীর্ঘদিন যাবত কাজ করে আসতেছে, আমার ভাই মোহাম্মদ রিপন মিয়া গোপন সূত্রে জানতে পায় যে তাকে হত্যা করার জন্য, গজারিয়া থানার লিটন কসাই, মোঃ রমজান সওদাগর সহ আরো কয়েকজনকে পিস্তল দিয়ে আমাকে মারার প্ল্যান করেছে। তারই ধারাবাহিকতায় গত ৬জুলাই বেলা অনুমান ১২ ঘটিকার সময় রমজান সওদাগর আমার বড় ভাই মোহাম্মদ রিপন মিয়ার মাছের ফিসারীতে কাজ করতে আসিলে,আমি ও আমার বড় ভাই রিপন মিয়া, কৌশলে, মোঃ রমজান সওদাগরকে আমাদের অফিসে ডেকে নিয়ে উক্ত বিষয় জিজ্ঞাসাবাদ করি, জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে রমজান জানান মোঃ লিটন কসাই, আরো কয়েকজন মিলে লিটন কসাই এর মাধ্যমে, গত পাঁচ তারিখ শনিবার, অনুমান 8 ঘটিকার সময়, মতলব উত্তর থানা দিন আনারপুর স্থানে,  রমজানকে ডেকে নিয়ে লিটন কসাই এর লোকের মাধ্যমে রমজানের হাতে রিপন মিয়াকে মারার জন্য একটি পিস্তল ও পাঁচ রাউন্ড গুলি সহ তার হাতে দেন।

রিপন মিয়ার ছোট ভাই মোঃ শাহাদাত জানান, মোহাম্মদ লিটন কসাই পিতা ফিরোজ কসাই ও গোলজার খা পিতা মৃত বাতেন খা, মোহাম্মদ উজ্জল শৈয়াল পিতা মৃত মজিদ শৈয়াল ও লনী নারী, পিতা মৃত হাফেজ রারি, মোঃ জাহিদ পিতা নাসির সরদার, মোঃ সুমন মিয়া,পিতা চান মিয়া, আব্দুল গোলদার ,পিতা মহবত আলী, তারাই মূলত আমার ভাইকে কিভাবে হত্যা করবে পরিকল্পনা করেছি তাই আমি তাদেরকে আসামি দিয়ে অজ্ঞাত নামা কয়েকজনকে দিয়ে একটি মামলা  করি,গত ০৬/০৪/২০২৪ইং তারিখ রাত ২৩.০৫ ঘটিকার সময়  মোঃ খায়রুল কবির, সহকারী পুলিশ সুপার, মতলব সার্কেল, চাঁদপুর এর নেতৃত্বে এবং মোঃ আলমগীর হোসেন, অফিসার ইনচার্জ, মতলব উত্তর থানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে মতলব উত্তর থানায় কর্মরত পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত)  মোঃ ছানোয়ার হোসেন সংগীয় অফিসার ও ফোর্সসহ মতলব উত্তর থানাধীন সাদুল্যাহপুর ইউনিয়ন বেলতলী লঞ্চঘাট সংলগ্ন আশ্রয়ন প্রকল্পের উত্তর পার্শ্বে , নান্নু ফকির এর ফার্নিচার দোকানের ভিতর হইতে রিপন সরকারের ছোট ভাই মোঃ শাহাদাত হোসেন সহ স্থানীয় জনসাধারন কর্তৃক আটককৃত আসামী,বারেক সওদাগর এর ছেলে মোঃ রমজান সওদাগর কে  বেলতলী, বদরপুর গ্রাম(সওদাগর বাড়ী) স্থানীয় লোকজন থেকে মতলব উত্তর থানা  পুলিশ হেফাজত নেন। এ সময় ০১টি পিস্তল ও ০১টি ম্যাগাজিন, যাহার ভিতরে ০৫(পাঁচ) রাউন্ড গুলি সহ উদ্ধার ও জব্দ করেন।