মিঢামারে বিদ্রোহী ও জান্তা সরকারের বিাবদমান পরিস্থিরি ৩৩দিন পর নিজভুমি টেকনাফ উপজেলার নৌরুটে চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে। জুনে দু’দেদেশর সীমান্ত নাফনদে মিয়ানমারে সংঘাতের জেরে নৌরুটে বিক্ষিপ্ত গোলাগুলি পড়লে সেন্টমার্টিনের যাত্রিরা সঙ্কিত হয়ে পড়ে। এভাবে দু’সপ্তাহ পর্যন্ত নাফনদে মিয়ানমারের ওপার থেকে যাত্রিবাহি ট্রলারে গুলি এসে পড়লে পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হয়ে উঠে। এরপর সরকার কুটনৈতিক পর্যায়ে বুঝাপড়া অবশেষে ৭ জুলাই টেকনাফ কায়ুকখালী নাফনদ থেকে কয়েকটি ট্রলার সেন্টমাটিন অভিমুখি খাদ্যসহ নিত্যপণ্য নিয়ে রওয়ানা করে।
বাংলাদেশে ও মিয়ানমার সীমান্তের নাফনদ জলসীমা ব্যবহার করছে দু’দেশ দীর্ঘ চিরকাল ধরে। উভয় দেশের মানুষের মধ্যে কোনো ভীতি ছিলনা। সম্প্রতি মিয়ানমারে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে সীমান্তের এ জলসীমা অনিরাপদ হয়ে উঠে। কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপের সঙ্গে টেকনাফের নৌযোগাযোগ এখন স্বাভাবিক।
সেন্টমাটিন দ্বীপে (জিঞ্জিরা) ১০ হাজার বাসিন্দা। সম্প্রতি মিয়ানমারে সংঘাতপূর্ণ সংকটের মধ্যে মাসব্যাপি নৌরুট বন্ধ থাকায় বিকল্প রুটে সেন্টমার্টিনে পণ্য পরিবহন করা হয়। গত ২২ জুন থেকে ৩৩দিন এ নাফরুটে কোনো নৌযান চলাচল করেনি।
সবুজ বাংলার উখিয়া প্রতিনিধিকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান ও সার্ভিস ট্রলার সমিতির সভাপতি আবদুর রশিদ। তারা বলেন, টেকনাফ থেকে বিকল্প নৌপথে দু’টি ট্রলার ২২ জুন সেন্টমার্টিনে পৌঁছেছে। তারা আও জানিয়েছেন, মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ সংঘাত নিয়ে তাঁরা কোনো ধরনের আতঙ্কের মধ্যে নেই। তবে অল্প কিছুদিন নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় তাঁরা দুর্ভোগে পড়েছিলেন।





















