১২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিলমারীতে ত্রাণ না পেয়ে দূর্গতদের উপজেলা পরিষদ ঘেরাও

টানা ১০দিন ধরে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় । চরম খাদ্য সংকটে পড়েছেন বানভাসিরা। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে সরকারীভাবে ত্রাণ সহায়তা না পেয়ে বুধবার দুপুরে বন্যা দূর্গত বিভিন্ন এলাকার মানুষরা উপজেলা পরিষদ ঘেরাও করে রাখে  কয়েক হাজার নারী পুরুষরা। পরে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: রুকুনুজ্জামান শাহিন ত্রাণের জন্য হা-হাকাররত বন্যা দূর্গতদের মাঝে ত্রাণ পৌঁছে দেয়ার আশ্বাস দেন।
এ সময় নয়ারহাট ইউনিয়ন থেকে আসা আছিয়া বেগম, সালমা বেগম, কহিনুর বেগম বলেন, বাঁশের মাচান, নৌকা ও কলাগাছের ভেলায় আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। এখন পর্যন্ত ত্রাণ সহায়তা পাইনি। আমরা না খেয়ে মরে গেলে কি ত্রাণ দেয়া হবে। অষ্টমীর চর  ইউনিয়ন থেকে আসা  নুর মোহাম্মদ বলেন, অকাল বন্যা সবকিছু ডুবে গেছে। শিশু, বৃদ্ধ ও পশুপাখিদের নিয়ে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে। আমাদের মাঝে চরম খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: রুকুনুজ্জামান শাহিন বলেন, আমার এখানে বানভাসি নারী পুরুষ প্রায় ৫ এসেছিলো।সরকারী ভাবে বরাদ্দ পাওয়া ত্রাণ দূর্গতদের মাঝে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসনকে আরো ত্রাণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। বন্যা দূর্গতরা ত্রাণের জন্য জোর করে আমার কাছে তাদের আইডি কার্ডে ফটোকপি জমা দিয়ে যাচ্ছে। নতুন করে বরাদ্দ পেলে পর্যায়ক্রমে তাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: মোশারফ হোসেন বলেন, এ পর্যন্ত সরকারী ভাবে ৬৬ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত চাল ও নগদ অর্থ পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হচ্ছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

চিলমারীতে ত্রাণ না পেয়ে দূর্গতদের উপজেলা পরিষদ ঘেরাও

আপডেট সময় : ০৪:২১:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুলাই ২০২৪
টানা ১০দিন ধরে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় । চরম খাদ্য সংকটে পড়েছেন বানভাসিরা। এদিকে দীর্ঘদিন ধরে সরকারীভাবে ত্রাণ সহায়তা না পেয়ে বুধবার দুপুরে বন্যা দূর্গত বিভিন্ন এলাকার মানুষরা উপজেলা পরিষদ ঘেরাও করে রাখে  কয়েক হাজার নারী পুরুষরা। পরে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: রুকুনুজ্জামান শাহিন ত্রাণের জন্য হা-হাকাররত বন্যা দূর্গতদের মাঝে ত্রাণ পৌঁছে দেয়ার আশ্বাস দেন।
এ সময় নয়ারহাট ইউনিয়ন থেকে আসা আছিয়া বেগম, সালমা বেগম, কহিনুর বেগম বলেন, বাঁশের মাচান, নৌকা ও কলাগাছের ভেলায় আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছি। এখন পর্যন্ত ত্রাণ সহায়তা পাইনি। আমরা না খেয়ে মরে গেলে কি ত্রাণ দেয়া হবে। অষ্টমীর চর  ইউনিয়ন থেকে আসা  নুর মোহাম্মদ বলেন, অকাল বন্যা সবকিছু ডুবে গেছে। শিশু, বৃদ্ধ ও পশুপাখিদের নিয়ে গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে। আমাদের মাঝে চরম খাদ্য সংকট দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: রুকুনুজ্জামান শাহিন বলেন, আমার এখানে বানভাসি নারী পুরুষ প্রায় ৫ এসেছিলো।সরকারী ভাবে বরাদ্দ পাওয়া ত্রাণ দূর্গতদের মাঝে পৌঁছে দেয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসনকে আরো ত্রাণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। বন্যা দূর্গতরা ত্রাণের জন্য জোর করে আমার কাছে তাদের আইডি কার্ডে ফটোকপি জমা দিয়ে যাচ্ছে। নতুন করে বরাদ্দ পেলে পর্যায়ক্রমে তাদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হবে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: মোশারফ হোসেন বলেন, এ পর্যন্ত সরকারী ভাবে ৬৬ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। বরাদ্দকৃত চাল ও নগদ অর্থ পর্যায়ক্রমে বিতরণ করা হচ্ছে।