০৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে ইবিতে শহীদি মার্চ পালিত

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ১ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে এবং আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে শহীদি মার্চ পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩ টায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী শহীদি মার্চ পালনের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে জড়ো হয় শতাধিক শিক্ষার্থী। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক, পার্শ্ববর্তী শেখপাড়া বাজার প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসে এসে ছাত্র সমাবেশে মিলিত হয়৷

এসময় শিক্ষার্থীরা একশন একশন, ডাইরেক্ট একশান; ইবিয়ানদের একশন, ডাইরেক্ট একশান; স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট একশন; ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই;  আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেব না; শহীদদের রক্ত, বৃথা যেতে দেব না, আওয়ামী লীগের আস্তানা, ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

ছাত্র সমাবেশে সহ-সমন্বয়ক সায়েম আহমেদ বলেন, ঐতিহাসিক সেই ৫ আগস্টের আগের রাতে প্রতি মুহুর্তে আমরা রক্তের উত্তাপ উপলব্ধি করছিলাম। আমাদের ক্যাম্পাসে কোন হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও প্রতিটি শিক্ষার্থীর মনেই আতঙ্ক ছিল যে মার্চ টু ঢাকায় কত মানুষ না জানি মারা যাবে, আরো কত যে রক্ত ঝরবে। মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া যে একমাস আগের এই দিনে জাতির কলঙ্কম একটি অধ্যায় আমরা তাড়িয়ে দিতে পেরেছি। এখন আমাদের অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজনীতি, শিক্ষানীতি সর্বত্র সংস্কার আনতে হবে।

অপর সহ-সমন্বয়ক নাহিদ হাসান বলেন, এমন অনেক কাহিনি আছে যেটা আবু সায়িদের হত্যার চেয়েও কঠিনতম। বাচ্চা থেকে বৃদ্ধ, কাউকেই ছাড় দেওয়া হয়নি। এই সরকারের কাছে দাবি জানাই যারা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তাদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। যারা কারাগারে আছে তাদেরকে অনতিবিলম্বে ফাঁসির মঞ্চে দাঁড় করাতে হবে। এটাই আমাদের এক দফা এক দাবি। পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে অবিলম্বে শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচারের মাধ্যমে ফাঁসি দিতে হবে৷ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কোন না কোনভাবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত। তাদেরকে যে যেখানে পাবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতা শক্ত হাতে প্রতিহত করবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুরে সেনাবাহিনীর শীতবস্ত্র বিতরণ

জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে ইবিতে শহীদি মার্চ পালিত

আপডেট সময় : ০৬:২৮:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের ১ মাস পূর্তি উপলক্ষ্যে এবং আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে শহীদি মার্চ পালিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ৩ টায় পূর্বঘোষিত কর্মসূচী অনুযায়ী শহীদি মার্চ পালনের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা প্রাঙ্গণে জড়ো হয় শতাধিক শিক্ষার্থী। পরে সেখান থেকে একটি মিছিল বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক, পার্শ্ববর্তী শেখপাড়া বাজার প্রদক্ষিণ করে ক্যাম্পাসে এসে ছাত্র সমাবেশে মিলিত হয়৷

এসময় শিক্ষার্থীরা একশন একশন, ডাইরেক্ট একশান; ইবিয়ানদের একশন, ডাইরেক্ট একশান; স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট একশন; ফাঁসি ফাঁসি ফাঁসি চাই, খুনি হাসিনার ফাঁসি চাই;  আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেব না; শহীদদের রক্ত, বৃথা যেতে দেব না, আওয়ামী লীগের আস্তানা, ভেঙে দাও, গুড়িয়ে দাও ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

ছাত্র সমাবেশে সহ-সমন্বয়ক সায়েম আহমেদ বলেন, ঐতিহাসিক সেই ৫ আগস্টের আগের রাতে প্রতি মুহুর্তে আমরা রক্তের উত্তাপ উপলব্ধি করছিলাম। আমাদের ক্যাম্পাসে কোন হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও প্রতিটি শিক্ষার্থীর মনেই আতঙ্ক ছিল যে মার্চ টু ঢাকায় কত মানুষ না জানি মারা যাবে, আরো কত যে রক্ত ঝরবে। মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া যে একমাস আগের এই দিনে জাতির কলঙ্কম একটি অধ্যায় আমরা তাড়িয়ে দিতে পেরেছি। এখন আমাদের অর্থনীতি, রাজনীতি, সমাজনীতি, শিক্ষানীতি সর্বত্র সংস্কার আনতে হবে।

অপর সহ-সমন্বয়ক নাহিদ হাসান বলেন, এমন অনেক কাহিনি আছে যেটা আবু সায়িদের হত্যার চেয়েও কঠিনতম। বাচ্চা থেকে বৃদ্ধ, কাউকেই ছাড় দেওয়া হয়নি। এই সরকারের কাছে দাবি জানাই যারা এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত তাদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে হবে। যারা কারাগারে আছে তাদেরকে অনতিবিলম্বে ফাঁসির মঞ্চে দাঁড় করাতে হবে। এটাই আমাদের এক দফা এক দাবি। পররাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে অবিলম্বে শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচারের মাধ্যমে ফাঁসি দিতে হবে৷ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ কোন না কোনভাবে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত। তাদেরকে যে যেখানে পাবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতা শক্ত হাতে প্রতিহত করবে।