০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ঘরে ঢুকে সন্ত্রাসীদের গুলি, বাবা ও দুই সন্তান নিহত

Oplus_131072

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তের গুলিতে একই পরিবারের তিনজন রোহিঙ্গা খুন হয়েছে।
সোমবার (২১ অক্টোবর) ভোর সাড়ে চারটার দিকে গুয়ালাপালং পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন বর্ধিত ক্যাম্প-২০ এর লাল পাহাড় সংলগ্ন এস-৪ ও বি-৭ ব্লক এলাকা দিয়ে ১৫-২০ জন অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারী প্রবেশ করে ঐ ব্লকে অস্থায়ীভাবে বসবাসরত আহমদ হোসেন ও তার পরিবারকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়েলে এই ঘটনাটি ঘটে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ভোরে আরএসওর একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাড়িতে প্রবেশ করে। এসময় কান্না করে ঘুম থেকে উঠে যায় শিশু আসমা (১৩)। সন্ত্রাসীরা কান্না থামাতে তাকে গুলি করে। পরে আসমার বাবা আহম্মদ হোসেন (৬০)ও ভাই সৈয়দুল আমিন (৩৮) কে গুলি করে পালিয়ে যায় তারা৷ বাবা ও ভাই ঘটনাস্থলে মারা গেলেও গুরুতর আহতাবস্থায় শিশু আসমাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ১৪ এপিবিএন অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. ইকবাল। ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের বরাত দিয়ে তিনি জানান,”ভোর সাড়ে চারটার দিকে ওয়ালাপালং পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন বর্ধিত ক্যাম্প-২০ এর লাল পাহাড় সংলগ্ন এস-৪ ও বি-৭ ব্লক এলাকা দিয়ে ১৫-২০ জন অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারী প্রবেশ করে ঐ ব্লকে অস্থায়ীভাবে বসবাসরত আহমদ হোসেন ও তার পরিবারকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। বুকে ও গলায় গুলি করলে ঘটনাস্থলে দুজন নিহত হয়। পরে আহত অবস্থায় আহমদ হোসেনের মেয়ে আসমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে পথিমধ্যে সে মারা যাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।”
মো. ইকবাল জানায়, “প্রাথমিকভাবে জানা যায়, নিহত রোহিঙ্গা সৈয়দুল আমিন আরসার সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ সম্পৃক্ত থাকার কারণে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা এইরূপ হত্যাকান্ড চালায়।
পরবর্তীতে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা লাল পাহাড়ের এস-৪, বি-৭ ব্লক দিয়ে পালিয়ে যায় বলে জানা যায়। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।”
জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরে ঘরে ঢুকে সন্ত্রাসীদের গুলি, বাবা ও দুই সন্তান নিহত

আপডেট সময় : ০২:৫০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪
কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তের গুলিতে একই পরিবারের তিনজন রোহিঙ্গা খুন হয়েছে।
সোমবার (২১ অক্টোবর) ভোর সাড়ে চারটার দিকে গুয়ালাপালং পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন বর্ধিত ক্যাম্প-২০ এর লাল পাহাড় সংলগ্ন এস-৪ ও বি-৭ ব্লক এলাকা দিয়ে ১৫-২০ জন অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারী প্রবেশ করে ঐ ব্লকে অস্থায়ীভাবে বসবাসরত আহমদ হোসেন ও তার পরিবারকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়েলে এই ঘটনাটি ঘটে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, ভোরে আরএসওর একদল সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাড়িতে প্রবেশ করে। এসময় কান্না করে ঘুম থেকে উঠে যায় শিশু আসমা (১৩)। সন্ত্রাসীরা কান্না থামাতে তাকে গুলি করে। পরে আসমার বাবা আহম্মদ হোসেন (৬০)ও ভাই সৈয়দুল আমিন (৩৮) কে গুলি করে পালিয়ে যায় তারা৷ বাবা ও ভাই ঘটনাস্থলে মারা গেলেও গুরুতর আহতাবস্থায় শিশু আসমাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ১৪ এপিবিএন অধিনায়ক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. ইকবাল। ক্যাম্পে বসবাসরত রোহিঙ্গাদের বরাত দিয়ে তিনি জানান,”ভোর সাড়ে চারটার দিকে ওয়ালাপালং পুলিশ ক্যাম্পের আওতাধীন বর্ধিত ক্যাম্প-২০ এর লাল পাহাড় সংলগ্ন এস-৪ ও বি-৭ ব্লক এলাকা দিয়ে ১৫-২০ জন অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারী প্রবেশ করে ঐ ব্লকে অস্থায়ীভাবে বসবাসরত আহমদ হোসেন ও তার পরিবারকে লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে। বুকে ও গলায় গুলি করলে ঘটনাস্থলে দুজন নিহত হয়। পরে আহত অবস্থায় আহমদ হোসেনের মেয়ে আসমাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করা হলে পথিমধ্যে সে মারা যাওয়ার তথ্য পাওয়া যায়।”
মো. ইকবাল জানায়, “প্রাথমিকভাবে জানা যায়, নিহত রোহিঙ্গা সৈয়দুল আমিন আরসার সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সাথে দীর্ঘদিন যাবৎ সম্পৃক্ত থাকার কারণে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা এইরূপ হত্যাকান্ড চালায়।
পরবর্তীতে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা লাল পাহাড়ের এস-৪, বি-৭ ব্লক দিয়ে পালিয়ে যায় বলে জানা যায়। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।”