০৯:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত না থেকেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

নওগাঁর মান্দা থানার মান্দা শ্যামচাঁদ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত না থেকেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর শাহাজাহান আলী বাদী হয়ে ২২অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, মান্দা শ্যামচাঁদ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক গত ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে অবসর গ্রহন করেন। তারপর গভর্নিং বডির সভাপতি অনুপ কুমার কুন্ডুকে সভাপতির পদ থেকে অপসারণ করা ও হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে সাবেক মন্ত্রী মোহাঃ ইমাজ উদ্দিন প্রাং এর নিকট হতে মান্দা থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গৌতম কুমার মহন্ত ডি.ও. লেটারের মাধ্যমে সভাপতির দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব গ্রহনের পর সভাপতি গৌতম কুমার মহন্ত গত ২০২২ খ্রিস্টাব্দের ৩ জানুয়ারি আকস্মিক ভাবে বিদ্যালয় শাখার ২ জন জেষ্ঠ্য শিক্ষককে উপেক্ষা করে পূনারয় সভাপতি পদে বসার জন্য সহকারী শিক্ষক মো. আতিকুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বভার প্রদান করেন।

এরমধ্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় গত ৭ অক্টোবর মামলা থাকায় তিনি বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। গত ৮ অক্টোবর তারিখে ছুটির নোটিশে তার স্বাক্ষর ছিল না। তিনি গত ২০ অক্টোবর তিনি বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থেকেও হাজিরা খাতায় কে বা কাহারা স্বাক্ষর করেছেন তা আমরা জানিনা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমান বলেন, গভনিং বডির সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমাকে উক্ত পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। নিয়োগের পর থেকে সুনামের সহিত বিদ্যালয় পরিচালনা করে আসতেছি। অভিযোগকারী হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এরূপ ভিত্তিহীন অভিযোগ দাখিল করেছে। এর কোন সত্যতা নেই। বর্তমানে আমার বিদ্যালয়ের পরিচালনা জন্য রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক এডহক কমিটি চলমান রয়েছে। গভর্নিং বডিতে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে জনাব গৌতম কুমার মহন্ত দায়িত্ব পালন করেনি। এই তথ্যটিও মিথ্যা বানোয়াট অধ্যক্ষ প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত মহাদয়ের বিরুদ্ধে যে অনিয়ম দুর্নীতির কথা বলা হয়েছে সেটাও ভিত্তিহীন। সেটা প্রজেক্ট কমিটি অর্থাৎ শিক্ষকদের যুক্ত করেই সম্পন্ন করা হয়েছে। আর সেদিন ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে প্রতিষ্ঠানে কেউ উপস্থিত হওয়ার আগে আমি গিয়ে স্বাক্ষর করে চলে আসি। আপনার স্বাক্ষরের সঙ্গে ওই দিনের স্বাক্ষর কোন মিল নেই এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি নিজেই স্বাক্ষর করেছি তবে টেনশনে থাকার কারণে স্বাক্ষর একটু গরমিল হতে পারে।
মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা আরজুমান বানু বলেন, অভিযোগের কপিটি আমি এখনো হাতে পাইনি। হাতে পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশকে ভালো থাকতে হলে খালেদা জিয়ার অস্তিত্ব ধারণ করতে হবে: আসিফ নজরুল

প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত না থেকেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

আপডেট সময় : ০৭:১৩:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০২৪

নওগাঁর মান্দা থানার মান্দা শ্যামচাঁদ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষক (ভারপ্রাপ্ত) আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে প্রতিষ্ঠানে উপস্থিত না থেকেও হাজিরা খাতায় স্বাক্ষরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই প্রতিষ্ঠানের ট্রেড ইন্সট্রাক্টর শাহাজাহান আলী বাদী হয়ে ২২অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরাবর অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, মান্দা শ্যামচাঁদ মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী প্রধান শিক্ষক গত ২০১৪ খ্রিস্টাব্দে অবসর গ্রহন করেন। তারপর গভর্নিং বডির সভাপতি অনুপ কুমার কুন্ডুকে সভাপতির পদ থেকে অপসারণ করা ও হীনস্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে সাবেক মন্ত্রী মোহাঃ ইমাজ উদ্দিন প্রাং এর নিকট হতে মান্দা থানা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক গৌতম কুমার মহন্ত ডি.ও. লেটারের মাধ্যমে সভাপতির দায়িত্ব নেন। দায়িত্ব গ্রহনের পর সভাপতি গৌতম কুমার মহন্ত গত ২০২২ খ্রিস্টাব্দের ৩ জানুয়ারি আকস্মিক ভাবে বিদ্যালয় শাখার ২ জন জেষ্ঠ্য শিক্ষককে উপেক্ষা করে পূনারয় সভাপতি পদে বসার জন্য সহকারী শিক্ষক মো. আতিকুর রহমানকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বভার প্রদান করেন।

এরমধ্যে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় গত ৭ অক্টোবর মামলা থাকায় তিনি বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত রয়েছেন। গত ৮ অক্টোবর তারিখে ছুটির নোটিশে তার স্বাক্ষর ছিল না। তিনি গত ২০ অক্টোবর তিনি বিদ্যালয়ে উপস্থিত না থেকেও হাজিরা খাতায় কে বা কাহারা স্বাক্ষর করেছেন তা আমরা জানিনা।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আতিকুর রহমান বলেন, গভনিং বডির সিদ্ধান্ত মোতাবেক আমাকে উক্ত পদে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। নিয়োগের পর থেকে সুনামের সহিত বিদ্যালয় পরিচালনা করে আসতেছি। অভিযোগকারী হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য এরূপ ভিত্তিহীন অভিযোগ দাখিল করেছে। এর কোন সত্যতা নেই। বর্তমানে আমার বিদ্যালয়ের পরিচালনা জন্য রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক এডহক কমিটি চলমান রয়েছে। গভর্নিং বডিতে নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে জনাব গৌতম কুমার মহন্ত দায়িত্ব পালন করেনি। এই তথ্যটিও মিথ্যা বানোয়াট অধ্যক্ষ প্রধান শিক্ষক ভারপ্রাপ্ত মহাদয়ের বিরুদ্ধে যে অনিয়ম দুর্নীতির কথা বলা হয়েছে সেটাও ভিত্তিহীন। সেটা প্রজেক্ট কমিটি অর্থাৎ শিক্ষকদের যুক্ত করেই সম্পন্ন করা হয়েছে। আর সেদিন ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে প্রতিষ্ঠানে কেউ উপস্থিত হওয়ার আগে আমি গিয়ে স্বাক্ষর করে চলে আসি। আপনার স্বাক্ষরের সঙ্গে ওই দিনের স্বাক্ষর কোন মিল নেই এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমি নিজেই স্বাক্ষর করেছি তবে টেনশনে থাকার কারণে স্বাক্ষর একটু গরমিল হতে পারে।
মান্দা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লায়লা আরজুমান বানু বলেন, অভিযোগের কপিটি আমি এখনো হাতে পাইনি। হাতে পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।