০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মেয়াদউত্তীর্ণ অগ্নিনির্বাপকে চলছে বেরোবি, একমাসেও নেই প্রশাসনের উদ্যোগ

‎এক মাস আগেই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যম্পাসে আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহৃত অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র। এগুলোই ঝুলছে বিভিন্ন দপ্তর, অফিস ও ক্লাস রুমের দেয়ালে। ফলে যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। বুধবার ৩০ জুলাই  বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে এমনই চিত্র চোখে পড়েছে।
‎সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, একাডেমিক ভবন গুলোতে নেই পর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপক সিলিন্ডার। ক্যম্পাসে বেশিরভাগ অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রেরই মেয়াদ নেই। এ বছরের জুনে এগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।
‎এই বিষয়ে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ন বিভাগের শিক্ষার্থী আহসান হাবিব রকি বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনগুলোতে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র থাকলেও সেগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ। ঘটনাক্রমে আগুন লাগার ঘটনা ঘটলেও এই মেয়াদ উত্তীর্ণ অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের রাসায়নিক পদার্থ ঠিকভাবে কাজ না করলে প্রাথমিক ভাবে আগুন নেভাতে না পারলে তা বৃহৎ আকার ধারণ করবে। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর জন্য আতঙ্ক সৃষ্টি করবে।  তাই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এগুলো পরিবর্তন  করার জন্য আহ্বান করছি।’
‎মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী রুদ্র সূত্রধর বলেন, ‘মেয়াদোত্তীর্ণ ফায়ার এক্সটিংগুইশার প্রায়শই কাজ করে না বা অল্প সময়ে গ্যাস বা কেমিক্যাল নি:শেষ হয়ে যায়। ফলে জরুরি অবস্থায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা ঘটতে পারে, এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জীবন সরাসরি ঝুঁকির মুখে পড়ে।  এমন অবস্থায় নিরাপত্তার ঘাটতি একটি বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।’
‎এই বিষয়ে জানতে চাইলে নিরাপত্তা শাখার উপ-রেজিস্ট্রার লোকমান হাকিম বলেন, এ বিষয়ে টেন্ডার হয়ে গেছে। টেন্ডার কেউ পেয়েছে। কাজের অনুমতি পেলে তারা কাজ শুরু করবে।
‎এ বিষয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো: হারুন অর রশিদ বলেন, ‘যারা কাজটা পেয়েছে।তারা অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র গুলো লাগাবে। এখনো লাগায়নি। আর এটা নিয়মিত কাজের অন্তর্ভুক্ত।
জনপ্রিয় সংবাদ

আপিল শুনানির অষ্টম দিনে ৪৫ আবেদন মঞ্জুর করল ইসি

মেয়াদউত্তীর্ণ অগ্নিনির্বাপকে চলছে বেরোবি, একমাসেও নেই প্রশাসনের উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৪:১৬:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই ২০২৫
‎এক মাস আগেই মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ক্যম্পাসে আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহৃত অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র। এগুলোই ঝুলছে বিভিন্ন দপ্তর, অফিস ও ক্লাস রুমের দেয়ালে। ফলে যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। বুধবার ৩০ জুলাই  বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে এমনই চিত্র চোখে পড়েছে।
‎সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, একাডেমিক ভবন গুলোতে নেই পর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপক সিলিন্ডার। ক্যম্পাসে বেশিরভাগ অগ্নি নির্বাপক যন্ত্রেরই মেয়াদ নেই। এ বছরের জুনে এগুলোর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে।
‎এই বিষয়ে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ন বিভাগের শিক্ষার্থী আহসান হাবিব রকি বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনগুলোতে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র থাকলেও সেগুলো মেয়াদ উত্তীর্ণ। ঘটনাক্রমে আগুন লাগার ঘটনা ঘটলেও এই মেয়াদ উত্তীর্ণ অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রের রাসায়নিক পদার্থ ঠিকভাবে কাজ না করলে প্রাথমিক ভাবে আগুন নেভাতে না পারলে তা বৃহৎ আকার ধারণ করবে। যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর জন্য আতঙ্ক সৃষ্টি করবে।  তাই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এগুলো পরিবর্তন  করার জন্য আহ্বান করছি।’
‎মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী রুদ্র সূত্রধর বলেন, ‘মেয়াদোত্তীর্ণ ফায়ার এক্সটিংগুইশার প্রায়শই কাজ করে না বা অল্প সময়ে গ্যাস বা কেমিক্যাল নি:শেষ হয়ে যায়। ফলে জরুরি অবস্থায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা ঘটতে পারে, এতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জীবন সরাসরি ঝুঁকির মুখে পড়ে।  এমন অবস্থায় নিরাপত্তার ঘাটতি একটি বড় দুর্ঘটনার কারণ হতে পারে।’
‎এই বিষয়ে জানতে চাইলে নিরাপত্তা শাখার উপ-রেজিস্ট্রার লোকমান হাকিম বলেন, এ বিষয়ে টেন্ডার হয়ে গেছে। টেন্ডার কেউ পেয়েছে। কাজের অনুমতি পেলে তারা কাজ শুরু করবে।
‎এ বিষয়ে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. মো: হারুন অর রশিদ বলেন, ‘যারা কাজটা পেয়েছে।তারা অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র গুলো লাগাবে। এখনো লাগায়নি। আর এটা নিয়মিত কাজের অন্তর্ভুক্ত।