১২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্ব পরিছন্নতা দিবস উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবস (২০ সেপ্টেম্বর) উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে তিন শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে ব্যতিক্রমী ‘বিচ ক্লিনআপ ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্লাস্টিকবর্জ্যমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব সমুদ্র সৈকত গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ব্র্যাক। সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত বিকাল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কর্মসূচি চলে। স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণী, উন্নয়নকর্মী ও পর্যটকরা গ্লাভস ও বর্জ্যব্যাগ নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।

কার্যক্রমের মধ্যে ছিল সৈকত পরিষ্কার করা, সচেতনতামূলক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে অংশগ্রহণকারীরা স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখেন।

উদ্যোগে উপস্থিত ছিলেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক গোলাম মুকতাদির, সহকারী প্রকৌশলী আবুল মনজুর, ইউএনডিপি, ইউনিসেফ, ইউএনএইচসিআর ও ব্র্যাকের কর্মকর্তারা। প্রকল্প পরিচালক গোলাম মুকতাদির আশা প্রকাশ করেন, মানুষ যেন স্বপ্রণোদিত হয়ে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। অন্যান্য বক্তারা বলেন, এই উদ্যোগ শুধু সৈকত পরিষ্কার করার জন্য নয়, বরং পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা তৈরি করতে পরিচালিত হচ্ছে।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশজুড়ে এলপি গ্যাসের হাহাকার

বিশ্ব পরিছন্নতা দিবস উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন্নতা অভিযান

আপডেট সময় : ০৭:৪৭:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বিশ্ব পরিচ্ছন্নতা দিবস (২০ সেপ্টেম্বর) উপলক্ষে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে তিন শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে ব্যতিক্রমী ‘বিচ ক্লিনআপ ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্লাস্টিকবর্জ্যমুক্ত ও পরিবেশবান্ধব সমুদ্র সৈকত গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ক্যাম্পেইনের আয়োজন করে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর ও ব্র্যাক। সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট থেকে কলাতলী পয়েন্ট পর্যন্ত বিকাল ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কর্মসূচি চলে। স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, তরুণ-তরুণী, উন্নয়নকর্মী ও পর্যটকরা গ্লাভস ও বর্জ্যব্যাগ নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।

কার্যক্রমের মধ্যে ছিল সৈকত পরিষ্কার করা, সচেতনতামূলক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। এতে অংশগ্রহণকারীরা স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখেন।

উদ্যোগে উপস্থিত ছিলেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রকল্প পরিচালক গোলাম মুকতাদির, সহকারী প্রকৌশলী আবুল মনজুর, ইউএনডিপি, ইউনিসেফ, ইউএনএইচসিআর ও ব্র্যাকের কর্মকর্তারা। প্রকল্প পরিচালক গোলাম মুকতাদির আশা প্রকাশ করেন, মানুষ যেন স্বপ্রণোদিত হয়ে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। অন্যান্য বক্তারা বলেন, এই উদ্যোগ শুধু সৈকত পরিষ্কার করার জন্য নয়, বরং পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা তৈরি করতে পরিচালিত হচ্ছে।

এমআর/সবা