০৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২২ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ত্রিশালে সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতিতে থমকে গেছে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা, পরীক্ষা বন্ধ

বেতন–গ্রেড উন্নীতকরণসহ তিন দফা দাবিতে অনড় অবস্থান নেয়ার কারণে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) শিক্ষার্থীরা সকালেই পরীক্ষা দেওয়ার জন্য স্কুলে আসলেও শিক্ষকরা পরীক্ষা নেওয়া থেকে বিরত থাকায় শিক্ষার্থীরা খালি হাতে ফিরে যান।

শিক্ষকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে বেতন–গ্রেড, পদোন্নতি ও অন্যান্য দাবি নিয়ে আশ্বাস ছাড়া কোনো বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অলহরী দুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুন্নাহার সুমি বলেন, “প্রতিবারই শুধু আশ্বাস; বাস্তবে কোনো সমাধান নেই। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পরীক্ষায় অংশ নেব না।”

ত্রিশাল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. কামরুজ্জামান বলেন, “উপজেলার প্রায় সব স্কুলে পরীক্ষা বর্জন করা হয়েছে। দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে।” তবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নীলুফার হাকিম দাবি করেন, “বিচ্ছিন্ন কিছু স্কুল বাদ দিলে অধিকাংশ বিদ্যালয়ে পরীক্ষা হয়েছে। কিছু স্কুলে প্রধান শিক্ষক বা দপ্তর কর্মকর্তা পরীক্ষা নিয়েছেন।”

শিক্ষকদের দাবির মধ্যে রয়েছে—১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণ, শতভাগ পদোন্নতি নিশ্চিতকরণ এবং চাকরির ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রদান। তারা বলছেন, দাবি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজনে ছুটির দিনেও ক্লাস ও পরীক্ষা নিয়ে ঘাটতি পূরণ করা হবে।

অভিভাবক সুমন মিয়া বলেন, “শিশুদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। আগে জানালে অন্তত সময় নষ্ট হতো না।” শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও তারা শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবিকে সমর্থন জানিয়েছেন।

এমআর/সবা

শীতের রাতে পায়ে মোজা পরে ঘুমানো ভালো নাকি খারাপ, জানুন

ত্রিশালে সহকারী শিক্ষকদের কর্মবিরতিতে থমকে গেছে প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা, পরীক্ষা বন্ধ

আপডেট সময় : ০৮:০০:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৫

বেতন–গ্রেড উন্নীতকরণসহ তিন দফা দাবিতে অনড় অবস্থান নেয়ার কারণে ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত হয়েছে। সোমবার (১ ডিসেম্বর) শিক্ষার্থীরা সকালেই পরীক্ষা দেওয়ার জন্য স্কুলে আসলেও শিক্ষকরা পরীক্ষা নেওয়া থেকে বিরত থাকায় শিক্ষার্থীরা খালি হাতে ফিরে যান।

শিক্ষকরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে বেতন–গ্রেড, পদোন্নতি ও অন্যান্য দাবি নিয়ে আশ্বাস ছাড়া কোনো বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অলহরী দুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক নুরুন্নাহার সুমি বলেন, “প্রতিবারই শুধু আশ্বাস; বাস্তবে কোনো সমাধান নেই। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পরীক্ষায় অংশ নেব না।”

ত্রিশাল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মো. কামরুজ্জামান বলেন, “উপজেলার প্রায় সব স্কুলে পরীক্ষা বর্জন করা হয়েছে। দাবি মানা না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি নেওয়া হবে।” তবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নীলুফার হাকিম দাবি করেন, “বিচ্ছিন্ন কিছু স্কুল বাদ দিলে অধিকাংশ বিদ্যালয়ে পরীক্ষা হয়েছে। কিছু স্কুলে প্রধান শিক্ষক বা দপ্তর কর্মকর্তা পরীক্ষা নিয়েছেন।”

শিক্ষকদের দাবির মধ্যে রয়েছে—১১তম গ্রেডে উন্নীতকরণ, শতভাগ পদোন্নতি নিশ্চিতকরণ এবং চাকরির ১০ ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড প্রদান। তারা বলছেন, দাবি বাস্তবায়ন না হলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে এবং প্রয়োজনে ছুটির দিনেও ক্লাস ও পরীক্ষা নিয়ে ঘাটতি পূরণ করা হবে।

অভিভাবক সুমন মিয়া বলেন, “শিশুদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। আগে জানালে অন্তত সময় নষ্ট হতো না।” শিক্ষার্থীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হলেও তারা শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবিকে সমর্থন জানিয়েছেন।

এমআর/সবা