কক্সবাজারের উখিয়ায় সন্তানকে বাঁচাতে যাওয়া মাকে পিটিয়ে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তরা বিএনপি ও ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে যুক্ত বলে দাবী করেছে ভুক্তভোগীরা।
শনিবার রাত ৮ টার দিকে উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের টাইপালং এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। শনিবার স্থানীয় ছাত্রদল নেতা জিসানের একটি ফেসবুক স্ট্যাটাসে হা হা রিয়েক্ট দেন ছাত্রলীগ নেতা ইউনুস। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ইউনুসকে মারধর শুরু করলে বাঁচাতে এগিয়ে যায় এনজিওকর্মী এসএম ইমরান। তখন ইমরানকেও মারধর শুরু করে তারা। পরে খবর পেয়ে ইমরানকে বাঁচাতে তার মা এগিয়ে গেলে বিএনপি নেতারা তাকে মারধর করে। এতে গুরুতর আহত হয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়েন ইমরানের মা ছৈয়দা বেগম।
সেখান থেকে তাকে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ছৈয়দা বেগম স্থানীয় সাব্বির আহমদের স্ত্রী। হাসপাতালে নিহতের সন্তানেরা দাবী করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা মিজান সিকদার, আব্দুল করিম, আকাশ, সাইফুল সিকদার, ছৈয়দ বাবুল, মাহবুবুর রহমান, ছালাম সিকদার, ছাত্রদল নেতা জিসান ও এম্বুল্যান্স চালক শামসুল আলমের নেতৃত্বে খুন করা হয় ছৈয়দা বেগমকে।
এদিকে ছাত্রলীগ নেতা ইউনুসকে মারধরের পর ঘটনাস্থলে পুলিশ গেলে তাকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। কিন্তু বিএনপির কোন নেতাকর্মীকে আটক করা হয়নি। উখিয়া থানার ওসি মুজিবুর রহমান জানান, ওই নারী হাসপাতালে মারা গেছেন। কিভাবে মারা গেছে সেটা যাচাই-বাছাই করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
আইনি প্রক্রিয়া শেষ ১৭ মে দুপুরে উখিয়ার টাইপালংএ জানাযার নামাজে ব্যবস্হা করা হয়েছে। ঘটনার পর পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুজিবুর রহমান।
শু/সবা
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি 





















