রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজের সামনে আলিফ পরিবহনের চালক ও হেলপার কর্তৃক আল-আমিন নামের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে তিনটি বাস আটক করেছেন শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (৩ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টার দিকে কলেজ গেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে আটককৃত বাসগুলো শিক্ষার্থীদের হেফাজতে কলেজ ক্যাম্পাসে রয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী আল-আমিন সরকার জানান, বনশ্রী থেকে মিরপুর-১০ যাওয়ার উদ্দেশ্যে তিনি আলিফ পরিবহনের একটি বাসে ওঠেন। পথে বাসটির চালক ও হেলপার বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এক পর্যায়ে শেওড়াপাড়ার কাছে পৌঁছালে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ডিভাইডারের ওপর উঠে যায়, যার ফলে অন্তত ৮-৯ জন যাত্রী আহত হন।
তিনি আরও বলেন, “বাস চালক ও হেলপারের বেপরোয়া গতি ও যাত্রীদের আহত হওয়ার ঘটনার প্রতিবাদ করলে তাদের সঙ্গে আমার কথা-কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে চালক ও হেলপার মিলে আমাকে মারধর করেন।
এ ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরা সংঘবদ্ধ হয়ে কলেজ গেটের সামনে আলিফ পরিবহনের তিনটি বাস (গাবতলী-মহাখালী-বনশ্রী রুটে চলাচলকারী) আটক করেন।
অভিযোগের বিষয়ে আলিফ বাসের হেলপার ইব্রাহিম বলেন, “শিক্ষার্থীরা আমাদের একটি ছবি দেখিয়েছেন যেখানে একজনের হাত কেটে যাওয়ার দৃশ্য আছে। তারা ওই ঘটনার জের ধরেই বাসগুলো আটক করেছেন। তবে আমাদের বাসের সঙ্গে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি।
বাসের আরেক হেলপার লাবিব দাবি করেন, মিরপুর সনি হল এলাকায় বাস ঘোরানোর সময় তাদের আগের দুটি বাসের চালক ও হেলপারদের মারধর করা হয়েছে। নিজেদের নির্দোষ দাবি করে তিনি বাসগুলো ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, বাসগুলো শিক্ষার্থীদের জিম্মায় কলেজ ক্যাম্পাসে রাখা হয়েছে এবং এ নিয়ে কলেজে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
শু/সবা
সরকারি তিতুমীর কলেজ প্রতিনিধি 
























