১২:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মসজিদের নগরী এখন মসজিদের দেশে পরিণত হয়েছে

সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমাজের অনাচার দূর করা সম্ভব। বিশেষ করে দুর্নীতি, মাদকাসক্তি, বাল্যবিয়ে, শিক্ষা-সংস্কৃতিসহ সব সমস্যা দূরীকরণে সমাজিক সংঠনগুলো বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে। উগ্রবাদীদের টার্গেটে যখন বাংলাদেশ, তখন এগিয়ে এসেছেন আলেম-উলামা এবং সংগঠনসমূহ। একসময় ঢাকা সিটিকে মসজিদের নগরী বলা হতো। এখন সেটা ছাপিয়ে পুরো বাংলাদেশ মসজিদের দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। আর সেটা সম্ভব হয়েছে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর কারণে।

আজ  বিকালে রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশে (আইডিইবি) বাংলাদেশ দ্বীনি সেবা ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘আদর্শ সমাজ গঠনে সামাজিক সংগঠনের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান উপদেষ্টা ধর্মমন্ত্রী জনাব মো. ফরিদুল হক খান এমপিকে পূর্ণমন্ত্রী, প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রীর প্রাক্তন মূখ্যসচিব মো. আবুল কালাম আজাদকে সংসদ সদস্য এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপিকে পরপর তিনবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ায় দ্বীনি সেবা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

সংগঠনের সভাপতি মাওলানা ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মুফতি আবুল বাশার নুমানি, মাওলানা মুজিবুর রহমান, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল হামিদ জমাদ্দার, ডি আইজি নাফিউর রহমান, মুফতি মুনিরুল ইসলাম এবং মুফতি রেজাউল হক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ দ্বীনি সেবা ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এর প্রতিষ্ঠাকাল থেকে বিভিন্ন সামাজিক কাজের মধ্য দিয়ে এটি আলোচনায় আসে। ২০২২ সালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিশ্বজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা ও জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগীতা’ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফাউন্ডেশনটি ব্যাপক কার্যক্রম শুরু করে। এরপর ২০২৩ সালের ১৩ আগস্ট বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম দেশসেরা হাফেজদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাছাড়া কাজের ধারাবাহিকতায় ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ সিলেটের বন্যা পরিস্থিতিতে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়, ঢাকার মিরপুরে পুলিশ কনভেনশন হলে ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে সচেতনতামূলক সেমিনার করা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আয়োজনে, বাংলাদেশ দ্বীনি সেবা ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ‘এডিস মশা ও ডেঙ্গু বিস্তার রোধে করণীয়’ সম্পর্কে ইমাম খতিবদের নিয়ে সেমিনারের আয়োজন করা ছাড়াও এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এখন সারাদেশে ধর্মীয় ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে সারা দেশের আরো প্রায় ৬৭টি উপজেলায় ‘মাদক ও যৌতুকবিরোধী সেমিনার’ আয়োজন করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সঙ্গে গ্রুপ পরিবর্তনের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান আয়ারল্যান্ডের

মসজিদের নগরী এখন মসজিদের দেশে পরিণত হয়েছে

আপডেট সময় : ০৮:২৭:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪

সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমাজের অনাচার দূর করা সম্ভব। বিশেষ করে দুর্নীতি, মাদকাসক্তি, বাল্যবিয়ে, শিক্ষা-সংস্কৃতিসহ সব সমস্যা দূরীকরণে সমাজিক সংঠনগুলো বিশেষ ভূমিকা পালন করতে পারে। উগ্রবাদীদের টার্গেটে যখন বাংলাদেশ, তখন এগিয়ে এসেছেন আলেম-উলামা এবং সংগঠনসমূহ। একসময় ঢাকা সিটিকে মসজিদের নগরী বলা হতো। এখন সেটা ছাপিয়ে পুরো বাংলাদেশ মসজিদের দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। আর সেটা সম্ভব হয়েছে সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টা এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর কারণে।

আজ  বিকালে রাজধানীর কাকরাইলস্থ ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশে (আইডিইবি) বাংলাদেশ দ্বীনি সেবা ফাউন্ডেশন আয়োজিত ‘আদর্শ সমাজ গঠনে সামাজিক সংগঠনের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাকালীন প্রধান উপদেষ্টা ধর্মমন্ত্রী জনাব মো. ফরিদুল হক খান এমপিকে পূর্ণমন্ত্রী, প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রীর প্রাক্তন মূখ্যসচিব মো. আবুল কালাম আজাদকে সংসদ সদস্য এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানবিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং আসাদুজ্জামান খান কামাল এমপিকে পরপর তিনবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ায় দ্বীনি সেবা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে তাদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

সংগঠনের সভাপতি মাওলানা ওমর ফারুকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন মুফতি আবুল বাশার নুমানি, মাওলানা মুজিবুর রহমান, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল হামিদ জমাদ্দার, ডি আইজি নাফিউর রহমান, মুফতি মুনিরুল ইসলাম এবং মুফতি রেজাউল হক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ দ্বীনি সেবা ফাউন্ডেশন একটি অরাজনৈতিক সেবামূলক প্রতিষ্ঠান। এর প্রতিষ্ঠাকাল থেকে বিভিন্ন সামাজিক কাজের মধ্য দিয়ে এটি আলোচনায় আসে। ২০২২ সালে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ‘বিশ্বজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা ও জাতীয় হিফজুল কুরআন প্রতিযোগীতা’ আয়োজনের মধ্য দিয়ে ফাউন্ডেশনটি ব্যাপক কার্যক্রম শুরু করে। এরপর ২০২৩ সালের ১৩ আগস্ট বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলনকেন্দ্রে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বপ্রথম দেশসেরা হাফেজদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। তাছাড়া কাজের ধারাবাহিকতায় ফাউন্ডেশনের উদ্যোগ সিলেটের বন্যা পরিস্থিতিতে ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়, ঢাকার মিরপুরে পুলিশ কনভেনশন হলে ডেঙ্গু পরিস্থিতিতে সচেতনতামূলক সেমিনার করা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আয়োজনে, বাংলাদেশ দ্বীনি সেবা ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় ‘এডিস মশা ও ডেঙ্গু বিস্তার রোধে করণীয়’ সম্পর্কে ইমাম খতিবদের নিয়ে সেমিনারের আয়োজন করা ছাড়াও এই ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এখন সারাদেশে ধর্মীয় ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে সারা দেশের আরো প্রায় ৬৭টি উপজেলায় ‘মাদক ও যৌতুকবিরোধী সেমিনার’ আয়োজন করা হয়েছে।