০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন অভিনেত্রী সীমানা

শেরপুরের নকলায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন অভিনেত্রী সীমানা। আজ মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে উপজেলার কায়দা বাজারদী গ্রামের গোরস্থান মাঠে তার জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে বাজারদী গোরস্থানে এই অভিনেত্রীকে সমাহিত করা হয়।

 

আজ মঙ্গলবার ভোরে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান দেশের গুণী অভিনেত্রী সীমানা। মৃত্যুকালে সীমানা স্বামী, দুই ছেলে রেখে গেছেন। সীমানার বাড়ি উপজেলার বাজারদী গ্রামে। তার পিতা সেকান্দার আলী অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা। দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সীমানা সবার বড় ছিলেন।

 

জানা গেছে, গত ২১ মে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে আট দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন সীমানা। অবস্থার অবনতি হলে ২৯ মে এই অভিনেত্রীকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে এই অভিনেত্রীকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ভেন্টিলেশনে শেষ চেষ্টা হিসেবে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। কিন্তু আর ফেরা হলো না সীমানার।

 

প্রসঙ্গত, সীমানা নকলার ললিতকলা একাডেমী, খেলাঘর, কোর্টফিল্ড, কমল ওস্তাদজী এবং শিল্পকলায় অভিনয় চর্চা করতেন। এরপরে বিটিভিতে কাজ করা শুরু করেন। তারপর ২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগীতার মাধ্যমে শোবিজে পা রাখেন সীমানা।

 

এরপর থেকে তিনি নাটক এবং বিজ্ঞাপনে নিয়মিত কাজ করেন। তৌকির আহমেদ পরিচালিত ‘দারুচিনি দ্বীপ’ তার প্রথম সিনেমা। ‘রোশনী’ নামের একটি সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। সীমানার উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে সাকিন সারিসুরি, কলেজ স্টুডেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

আপিল শুনানির অষ্টম দিনে ৪৫ আবেদন মঞ্জুর করল ইসি

শেরপুরে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন অভিনেত্রী সীমানা

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ জুন ২০২৪

শেরপুরের নকলায় চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন অভিনেত্রী সীমানা। আজ মঙ্গলবার রাত আটটার দিকে উপজেলার কায়দা বাজারদী গ্রামের গোরস্থান মাঠে তার জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাযা শেষে বাজারদী গোরস্থানে এই অভিনেত্রীকে সমাহিত করা হয়।

 

আজ মঙ্গলবার ভোরে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান দেশের গুণী অভিনেত্রী সীমানা। মৃত্যুকালে সীমানা স্বামী, দুই ছেলে রেখে গেছেন। সীমানার বাড়ি উপজেলার বাজারদী গ্রামে। তার পিতা সেকান্দার আলী অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা। দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে সীমানা সবার বড় ছিলেন।

 

জানা গেছে, গত ২১ মে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হলে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে আট দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন সীমানা। অবস্থার অবনতি হলে ২৯ মে এই অভিনেত্রীকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে এই অভিনেত্রীকে পরীক্ষা নিরীক্ষা করে ভেন্টিলেশনে শেষ চেষ্টা হিসেবে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। কিন্তু আর ফেরা হলো না সীমানার।

 

প্রসঙ্গত, সীমানা নকলার ললিতকলা একাডেমী, খেলাঘর, কোর্টফিল্ড, কমল ওস্তাদজী এবং শিল্পকলায় অভিনয় চর্চা করতেন। এরপরে বিটিভিতে কাজ করা শুরু করেন। তারপর ২০০৬ সালে লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগীতার মাধ্যমে শোবিজে পা রাখেন সীমানা।

 

এরপর থেকে তিনি নাটক এবং বিজ্ঞাপনে নিয়মিত কাজ করেন। তৌকির আহমেদ পরিচালিত ‘দারুচিনি দ্বীপ’ তার প্রথম সিনেমা। ‘রোশনী’ নামের একটি সিনেমাতে অভিনয় করেছেন। সীমানার উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে সাকিন সারিসুরি, কলেজ স্টুডেন।