০৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বেগুনবাড়ী সামাজিক নতুন কবরস্থান এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণে ও জমি দানে একটি নতুন সামাজিক কবরস্থানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলার কাটাবাড়ি ইউনিয়নে ৫৯ শতাংশ জমির ওপর বেগুনবাড়ী সামাজিক নতুন কবরস্থান নামে এই কবরস্থানটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

উপজেলার কাটাবাড়ি ইউনিয়নের কাটাবাড়ি গ্রামের ধর্ম প্রাণ মুসল্লিদের সম্মিলিত উদ্যোগে এই মহৎ কাজটি সম্পন্ন হয়। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর কবরস্থানের চাহিদা থাকলেও, সম্প্রতি স্থানীয়দের নিজেদের জমি দানের মাধ্যমে তা বাস্তবে রূপ নেয়। এই সামাজিক উদ্যোগের ফলে এলাকার মানুষের দীর্ঘ দিনের একটি সমস্যার সমাধান হলো।
উল্লেখ্য, এই ৫৯ শতক জমি পূর্বেও কবরস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। তবে এবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে এটিকে একটি প্রতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হলো। এটি এলাকার মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই মহতী উদ্যোগের প্রশংসা করে এলাকাবাসী জানান, কবরস্থানটি প্রতিষ্ঠা হওয়ায় এখন মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফন নিয়ে দুশ্চিন্তা দূর হবে। কবরস্থানটির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনা ও পবিত্রতা রক্ষা করা এখন এলাকাবাসীর নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

দাঁড়িপাল্লা-মাহফিল নিয়ে দেওয়া আরেক জামায়াত নেতার বক্তব্য ভাইরাল

বেগুনবাড়ী সামাজিক নতুন কবরস্থান এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০৬:৩৪:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় এলাকাবাসীর স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণে ও জমি দানে একটি নতুন সামাজিক কবরস্থানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলার কাটাবাড়ি ইউনিয়নে ৫৯ শতাংশ জমির ওপর বেগুনবাড়ী সামাজিক নতুন কবরস্থান নামে এই কবরস্থানটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।

উপজেলার কাটাবাড়ি ইউনিয়নের কাটাবাড়ি গ্রামের ধর্ম প্রাণ মুসল্লিদের সম্মিলিত উদ্যোগে এই মহৎ কাজটি সম্পন্ন হয়। দীর্ঘদিন ধরে এলাকাবাসীর কবরস্থানের চাহিদা থাকলেও, সম্প্রতি স্থানীয়দের নিজেদের জমি দানের মাধ্যমে তা বাস্তবে রূপ নেয়। এই সামাজিক উদ্যোগের ফলে এলাকার মানুষের দীর্ঘ দিনের একটি সমস্যার সমাধান হলো।
উল্লেখ্য, এই ৫৯ শতক জমি পূর্বেও কবরস্থান হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। তবে এবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে এটিকে একটি প্রতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া হলো। এটি এলাকার মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য একটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় ও গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
এই মহতী উদ্যোগের প্রশংসা করে এলাকাবাসী জানান, কবরস্থানটি প্রতিষ্ঠা হওয়ায় এখন মৃত ব্যক্তির দাফন-কাফন নিয়ে দুশ্চিন্তা দূর হবে। কবরস্থানটির সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ, পরিচালনা ও পবিত্রতা রক্ষা করা এখন এলাকাবাসীর নৈতিক ও সামাজিক দায়িত্ব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।