০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

গোয়ালন্দে বহুতল মার্কেট নির্মাণে অনিয়ম ও বিল উত্তোলনের অভিযোগ

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভার বহুতল মার্কেট নির্মাণের শুরুতেই অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কার্যাদেশ পাওয়ার ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও মূল ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি, তবু স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে প্রায় এক কোটি টাকার বিল উত্তোলন করেছে।

আইইউজিআইপি প্রকল্পের আওতায় ৭ তলা ভবনসহ ৩ তলা মার্কেট নির্মাণের জন্য বরাদ্দ হয়েছিল ৯ কোটি ২৭ হাজার ৪০৪ টাকা। তেন্ডার অনুযায়ী ৫০ ফুট পাইল স্থাপনের কথা থাকলেও প্রকৃত কাজ ২৫ ফুট পাইলিং করে করা হচ্ছে। প্রকল্প পরিচালকের দপ্তর থেকে কোনো লিখিত অনুমোদন বা সিডিউল সংশোধনের প্রমাণ দেখানো সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, নিম্নমানের পাইল ব্যবহার ও নির্দেশনা উপেক্ষার কারণে কিছু পাইল মাঝপথেই ভেঙে যাচ্ছে। পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী ফেরদৌস আলম খান বলেছেন, মাটির শক্তির কারণে পাইলের দৈর্ঘ্য কমানো হয়েছে এবং ধীরগতির কারণে কাজ শেষ না হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তাশা কনস্ট্রাকশন লিঃ ও জান্নাত কনস্ট্রাকশন এর স্বত্বাধিকারী শহীদুল ইসলাম অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশজুড়ে এলপি গ্যাসের হাহাকার

গোয়ালন্দে বহুতল মার্কেট নির্মাণে অনিয়ম ও বিল উত্তোলনের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৬:২২:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৫

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ পৌরসভার বহুতল মার্কেট নির্মাণের শুরুতেই অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কার্যাদেশ পাওয়ার ১০ মাস পেরিয়ে গেলেও মূল ভবনের নির্মাণ কাজ শুরু হয়নি, তবু স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে প্রায় এক কোটি টাকার বিল উত্তোলন করেছে।

আইইউজিআইপি প্রকল্পের আওতায় ৭ তলা ভবনসহ ৩ তলা মার্কেট নির্মাণের জন্য বরাদ্দ হয়েছিল ৯ কোটি ২৭ হাজার ৪০৪ টাকা। তেন্ডার অনুযায়ী ৫০ ফুট পাইল স্থাপনের কথা থাকলেও প্রকৃত কাজ ২৫ ফুট পাইলিং করে করা হচ্ছে। প্রকল্প পরিচালকের দপ্তর থেকে কোনো লিখিত অনুমোদন বা সিডিউল সংশোধনের প্রমাণ দেখানো সম্ভব হয়নি।

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন, নিম্নমানের পাইল ব্যবহার ও নির্দেশনা উপেক্ষার কারণে কিছু পাইল মাঝপথেই ভেঙে যাচ্ছে। পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী ফেরদৌস আলম খান বলেছেন, মাটির শক্তির কারণে পাইলের দৈর্ঘ্য কমানো হয়েছে এবং ধীরগতির কারণে কাজ শেষ না হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান তাশা কনস্ট্রাকশন লিঃ ও জান্নাত কনস্ট্রাকশন এর স্বত্বাধিকারী শহীদুল ইসলাম অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন।

এমআর/সবা