১০:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সদরপুরে সাবেক ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারী সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ২৫ নং চর বিষ্ণুপুর মৌজার বিএস ০১ নং খতিয়ানের বিএস ৭৪০৮ নং দাগের মোট ১৫২ শতাংশ জমির মধ্যে প্রায় ৮ শতাংশ জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে এলাকার প্রভাবশালী ও সাবেক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা নিলয় রঞ্জন সরকারের বিরুদ্ধে।
উক্ত মৌজায় বিএস ৬৫৬ নং খতিয়ানে বিএস ৮০৮৫ নং দাগে ৫০ শতাংশের মধ্যে  স্হানীয় আঃ রশিদ খাঁর বাড়ী যা ৪নং সীটে এবং উক্ত মৌজায় বিএস ১৫২১ নং খতিয়ানে বিএস ৯৮৭২ নং দাগে নিলয় রঞ্জন সরকারের সম্পত্তি যা ৫নং সীটের অন্তর্ভূক্ত। উভয় সীটের মাঝখান দিয়ে ০১নং খতিয়ানে বিএস ৭৪০৮নং দাগে শ্রেনী সরকারী রাস্তা জমির পরিমান ১৫২ শতাংশ।
আঃ রশিদ খাঁ  জানান এলাকার প্রভাবশালী ও সাবেক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা নিলয় রঞ্জন সরকার উক্ত জমির মধ্যে প্রায় ৮ শতাংশ সরকারী জমি দখল করে অস্হায়ী দোকানপাট উঠিয়ে ভাড়া দিয়ে আর্থিক লাভবান হচ্ছে এবং সরকারের সরকারী সম্পত্তি বেদখল হয়েছে। আমি সহ এলাকাবাসী বাধা দিতে গেলে সে আমার পরিবার সহ আমাকে হুমকি ও হয়রানী করে। এমনকি বিভিন্ন দফতরে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে হয়রানী করছে। তিনি জানান আমাদের সম্পত্তিতে মাটি ভরাট করতে গেলে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার মাধ্যমে আমাদের নামে একটি নোটিশ করে এবং আমার জায়গায় একটি সরকারী সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়। তিনি জানান এতে বোঝাযায় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সুজিৎ ভক্তের সাথে নিলয় রঞ্জন সরকারের যোগসাজোস রয়েছে। এ ব্যাপারে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা সূজিৎ ভক্ত বলেন, পরিমাপ করে সরকারী সম্পত্তি নির্ধারণ করা হয় নাই। আমি আমার অফিসের কর্মচারীর দেখানো সিমানা অনুযায়ী ঐ নোটিস দিয়েছি। তবে কে সরকারী সম্পত্তি দখল করেছে এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে উর্দ্ধতন কর্মকর্তার আদেশে ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।
মোঃ আজম আলী খান বলেন আমরা আমাদের সম্মতিতে মাটি ফেলতে গেলে নিলয় রঞ্জন সরকার আমাদের বাধা দেয় ও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। আমরা এখন নিরাপত্তা হীনতায় ভূগছি। এছাড়াও এলাকার মোজাহার মোল্যা এবং ফয়জল মোল্যা বলেন যতবার পরিমাপ হয়েছে আমরা ততোবারই  দেখেছি নিলয় রঞ্জন সরকারের দোকানপাট সরকারী জায়গার মধ্যে পড়েছে।
এ ব্যাপারে নিলয় রঞ্জন সরকারের সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায় নাই।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকিয়া সুলতানা জানান,আমরা অভিযোগ পেলে অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে ব্যাবস্হাগ্রহন করবো। শুনেছি ঐ জমি নিয়ে বিজ্ঞ আদালতে দেওয়ানী মামলা রয়েছে। তবে উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি পেলে সরকারী সার্ভেয়ার দ্বারা জমি পরিমাপ করা সম্ভব।

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

সদরপুরে সাবেক ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারী সম্পত্তি দখলের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:১৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৫

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলার ২৫ নং চর বিষ্ণুপুর মৌজার বিএস ০১ নং খতিয়ানের বিএস ৭৪০৮ নং দাগের মোট ১৫২ শতাংশ জমির মধ্যে প্রায় ৮ শতাংশ জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে এলাকার প্রভাবশালী ও সাবেক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা নিলয় রঞ্জন সরকারের বিরুদ্ধে।
উক্ত মৌজায় বিএস ৬৫৬ নং খতিয়ানে বিএস ৮০৮৫ নং দাগে ৫০ শতাংশের মধ্যে  স্হানীয় আঃ রশিদ খাঁর বাড়ী যা ৪নং সীটে এবং উক্ত মৌজায় বিএস ১৫২১ নং খতিয়ানে বিএস ৯৮৭২ নং দাগে নিলয় রঞ্জন সরকারের সম্পত্তি যা ৫নং সীটের অন্তর্ভূক্ত। উভয় সীটের মাঝখান দিয়ে ০১নং খতিয়ানে বিএস ৭৪০৮নং দাগে শ্রেনী সরকারী রাস্তা জমির পরিমান ১৫২ শতাংশ।
আঃ রশিদ খাঁ  জানান এলাকার প্রভাবশালী ও সাবেক ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা নিলয় রঞ্জন সরকার উক্ত জমির মধ্যে প্রায় ৮ শতাংশ সরকারী জমি দখল করে অস্হায়ী দোকানপাট উঠিয়ে ভাড়া দিয়ে আর্থিক লাভবান হচ্ছে এবং সরকারের সরকারী সম্পত্তি বেদখল হয়েছে। আমি সহ এলাকাবাসী বাধা দিতে গেলে সে আমার পরিবার সহ আমাকে হুমকি ও হয়রানী করে। এমনকি বিভিন্ন দফতরে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়ে হয়রানী করছে। তিনি জানান আমাদের সম্পত্তিতে মাটি ভরাট করতে গেলে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার মাধ্যমে আমাদের নামে একটি নোটিশ করে এবং আমার জায়গায় একটি সরকারী সাইনবোর্ড ঝুলিয়ে দেয়। তিনি জানান এতে বোঝাযায় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা সুজিৎ ভক্তের সাথে নিলয় রঞ্জন সরকারের যোগসাজোস রয়েছে। এ ব্যাপারে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা সূজিৎ ভক্ত বলেন, পরিমাপ করে সরকারী সম্পত্তি নির্ধারণ করা হয় নাই। আমি আমার অফিসের কর্মচারীর দেখানো সিমানা অনুযায়ী ঐ নোটিস দিয়েছি। তবে কে সরকারী সম্পত্তি দখল করেছে এ ব্যাপারে অভিযোগ পেলে উর্দ্ধতন কর্মকর্তার আদেশে ব্যবস্হা গ্রহন করা হবে।
মোঃ আজম আলী খান বলেন আমরা আমাদের সম্মতিতে মাটি ফেলতে গেলে নিলয় রঞ্জন সরকার আমাদের বাধা দেয় ও বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। আমরা এখন নিরাপত্তা হীনতায় ভূগছি। এছাড়াও এলাকার মোজাহার মোল্যা এবং ফয়জল মোল্যা বলেন যতবার পরিমাপ হয়েছে আমরা ততোবারই  দেখেছি নিলয় রঞ্জন সরকারের দোকানপাট সরকারী জায়গার মধ্যে পড়েছে।
এ ব্যাপারে নিলয় রঞ্জন সরকারের সাথে যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায় নাই।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার জাকিয়া সুলতানা জানান,আমরা অভিযোগ পেলে অবৈধ দখলদারের বিরুদ্ধে ব্যাবস্হাগ্রহন করবো। শুনেছি ঐ জমি নিয়ে বিজ্ঞ আদালতে দেওয়ানী মামলা রয়েছে। তবে উদ্ধতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি পেলে সরকারী সার্ভেয়ার দ্বারা জমি পরিমাপ করা সম্ভব।