মিরসরাইয়ে ৯ বছরের এক কন্যা শিশু ধর্ষণের অভিযোগের ২৪ ঘন্টা পার না হতে ফের এক তরুণী ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়ন ও জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল এলাকায় পৃথক এ ঘটনা
ঘটে। দুটি ঘটনায় জোরারগঞ্জ থানায় মামলা হয়েছে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে উপজেলার ইছাখালী ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় ৯ বছরের এক কন্যা শিশুকে ধর্ষনের অভিযোগে নিশান দাস নামে একজনকে গ্রেফতার করে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ। নিশান জলদাশ ইছাখালী ইউনিয়নের পূর্র্ব ইছাখালী গ্রামের প্রদীপ জলদাশের ছেলে। ওই শিশুর ঘরে কেউ না থাকায় শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। এই ঘটনায় শিশুটির বাবা মামলা দায়ের করেছেন।
একদিকে শনিবার (৩১ আগস্ট) দিবাগত রাতে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভাবির দোকান এলাকা থেকে সিম বিক্রি শেষে সিএনজিচালিত অটোরিকসা যোগে বড়তাকিয়া ফিরছিলে এক তরুণী। পথিমধ্যে সিএসজি চালক আব্দুল্লাহ (২৪) এর যোগসূত্রে অপর সিএনজি চালক আব্দুল আজিজকে (২৫) সিএনজিতে উঠান। পরবর্তীতে সিএনজি চালক আব্দুল্লাহ ওই তরুণীকে জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নতুন ৩০০ ফিট রাস্তার দক্ষিণ পাশে বেপজা গেইট সংলগ্ন রাস্তার পাশে নিয়ে যায়। আব্দুল আজিজ তরুণীর গলায় ছুরি ধরে প্রাণে মারার ভয় দেখিয়ে আব্দুল্লাহ এবং পরে আব্দুল আজিজ’দ্বয়
মিলে ওই তরুণীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পরে অভিযুক্তরা ভিকটিমকে ভয় দেখিয়ে ঘটনাস্থলে ফেলে রেখে চলে যায়। সংবাদ পেয়ে জোরারগঞ্জ থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে সিএনজি চালক আব্দুল্লাহকে তার নিজ বাড়ী থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত সিএনজি চালক ইছাখালী ইউনিয়নের চরশরৎ এলাকার ছাদেক আলী মাঝি বাড়ির মৃত আবুল কালামের ছেলে। এ ঘটনায় আজিজ নামের একজন পলাতক রয়েছে। সে একই এলাকার ছালেক মেম্বার বাড়ির আবু তাহেরের ছেলে। অভিযুক্ত আসামী দুজন সম্পর্কে মামাতো ফুফাতো ভাই। পরে তাঁদের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণী থানায় মামলা দায়ের করেছেন। জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম আব্দুল হালিম বলেন,
‘‘এক শিশুকে ধর্ষণ ও তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় তাৎক্ষণিক পুুলিশ একজনকে আটক করেছে। আরেকজন পলাতক রয়েছে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। শিশু ধর্ষণের ঘটনাটি পরশুদিনের। থানায় মামলার প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত নিশানকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আসামীদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ভিকটিমদের মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়।
এসএস/সবা


























