১২:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

হাটহাজারীতে ১২ অক্টোবর থেকে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন

হাটহাজারীতে আগামী ১২ অক্টোবর থেকে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হবে। এই কর্মসূচিতে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশু এবং স্কুলের প্লে, নার্সারি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবে। প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার শিশুকে বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে টিকাদান কার্যক্রম স্থানীয় ইপিআই কেন্দ্র, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি শিশুর ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন সনদ (১৭ ডিজিট) বাধ্যতামূলক। যাদের জন্মনিবন্ধন সনদ নেই, তাদের দ্রুত নিবন্ধনের আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। অভিভাবকরা vaxepi.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারবেন। পূর্বে এইচপিভি টিকার জন্য নিবন্ধনকৃত অভিভাবকরা নতুন নিবন্ধন ছাড়া লগইন করতে পারবেন।
গত বৃহস্পতিবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে টাইফয়েড সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তাপস কান্তি মজুমদার। কর্মশালায় অংশ নেন চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. জাহিদ হোসেন প্রমুখ।
ডা. তাপস কান্তি মজুমদার বলেন, “এক ডোজ টাইফয়েড টিকা নিলেই শিশুরা এই রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকবে। সরকারের এ উদ্যোগ শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে। এখন পর্যন্ত এই টিকার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ক্যাম্পেইন চলবে ১০ দিন স্কুলে এবং ৮ দিন কমিউনিটিতে। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা, বিশেষ করে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য। প্রতি বছর প্রায় ৮ হাজার শিশু টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।”
টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করতে ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারীসহ টিকাদানকারী ও তদারককারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
ক্যাপশন: টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রশিক্ষণ পরবর্তী বক্তব্য রাখছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তাপস কান্তি মজুমদার।

শুভ/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

হাটহাজারীতে ১২ অক্টোবর থেকে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন

আপডেট সময় : ০৫:৪১:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

হাটহাজারীতে আগামী ১২ অক্টোবর থেকে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু হবে। এই কর্মসূচিতে ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী শিশু এবং স্কুলের প্লে, নার্সারি থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করবে। প্রায় ১ লাখ ৪৭ হাজার শিশুকে বিনামূল্যে টিকা দেওয়া হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে টিকাদান কার্যক্রম স্থানীয় ইপিআই কেন্দ্র, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি শিশুর ডিজিটাল জন্মনিবন্ধন সনদ (১৭ ডিজিট) বাধ্যতামূলক। যাদের জন্মনিবন্ধন সনদ নেই, তাদের দ্রুত নিবন্ধনের আহ্বান জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ। অভিভাবকরা vaxepi.gov.bd ওয়েবসাইটে গিয়ে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে পারবেন। পূর্বে এইচপিভি টিকার জন্য নিবন্ধনকৃত অভিভাবকরা নতুন নিবন্ধন ছাড়া লগইন করতে পারবেন।
গত বৃহস্পতিবার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স মিলনায়তনে টাইফয়েড সচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তাপস কান্তি মজুমদার। কর্মশালায় অংশ নেন চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কর্মকর্তা, গণমাধ্যমকর্মী এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ডা. জাহিদ হোসেন প্রমুখ।
ডা. তাপস কান্তি মজুমদার বলেন, “এক ডোজ টাইফয়েড টিকা নিলেই শিশুরা এই রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকবে। সরকারের এ উদ্যোগ শিশুস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় ভূমিকা রাখবে। এখন পর্যন্ত এই টিকার কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ক্যাম্পেইন চলবে ১০ দিন স্কুলে এবং ৮ দিন কমিউনিটিতে। সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা, বিশেষ করে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য। প্রতি বছর প্রায় ৮ হাজার শিশু টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।”
টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করতে ইতিমধ্যেই স্বাস্থ্য সহকারী, পরিবার কল্যাণ সহকারীসহ টিকাদানকারী ও তদারককারীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
ক্যাপশন: টিকাদান কর্মসূচি সফলভাবে সম্পন্ন করতে প্রশিক্ষণ পরবর্তী বক্তব্য রাখছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. তাপস কান্তি মজুমদার।

শুভ/সবা