০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কাপ্তাই হ্রদে ১০৫ এমএলএস রাখার দাবিতে স্মারকলিপি

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার লংগদু, বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, নানিয়ারচর, বিলাইছড়ি, কাপ্তাই ও রাঙামাটি সদর উপজেলার সাধারণ জনগণের পক্ষে চার আইনজীবী কাপ্তাই হ্রদের পানির সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণে জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি দিয়েছেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে ১০৫ ফুটের ওপরে গেলে ফসলি জমি, বসতবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয়, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কসহ জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এতে হাজারো মানুষ খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থান ও কর্মসংস্থান সংকটে পড়ে। কেবল কৃষি নয়, মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর নেমে আসে ভয়াবহ দুর্ভোগ।

এ অবস্থার স্থায়ী সমাধান হিসেবে কাপ্তাই হ্রদের পানির সর্বোচ্চ সীমা ১০৫ ফুটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার দাবি জানানো হয়। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

দুর্গত উপজেলার প্রতিনিধিত্ব করে স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন- এডভোকেট মো. রহমত উল্লাহ, এডভোকেট আলাল উদ্দিন, এডভোকেট মাসুম, এডভোকেট ফরহাদ চৌধুরী।

আইনজীবীরা স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে দুর্গত মানুষ স্বাভাবিক জীবন-যাপনে ফিরতে পারবেন।

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

কাপ্তাই হ্রদে ১০৫ এমএলএস রাখার দাবিতে স্মারকলিপি

আপডেট সময় : ০৮:১৭:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার লংগদু, বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, নানিয়ারচর, বিলাইছড়ি, কাপ্তাই ও রাঙামাটি সদর উপজেলার সাধারণ জনগণের পক্ষে চার আইনজীবী কাপ্তাই হ্রদের পানির সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণে জেলা প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি দিয়েছেন।

স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে কাপ্তাই হ্রদের পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে ১০৫ ফুটের ওপরে গেলে ফসলি জমি, বসতবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয়, বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কসহ জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এতে হাজারো মানুষ খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা, বাসস্থান ও কর্মসংস্থান সংকটে পড়ে। কেবল কৃষি নয়, মানুষের জীবন-জীবিকার ওপর নেমে আসে ভয়াবহ দুর্ভোগ।

এ অবস্থার স্থায়ী সমাধান হিসেবে কাপ্তাই হ্রদের পানির সর্বোচ্চ সীমা ১০৫ ফুটের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার দাবি জানানো হয়। এছাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।

দুর্গত উপজেলার প্রতিনিধিত্ব করে স্মারকলিপিতে স্বাক্ষর করেন- এডভোকেট মো. রহমত উল্লাহ, এডভোকেট আলাল উদ্দিন, এডভোকেট মাসুম, এডভোকেট ফরহাদ চৌধুরী।

আইনজীবীরা স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপে এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলে দুর্গত মানুষ স্বাভাবিক জীবন-যাপনে ফিরতে পারবেন।

এমআর/সবা