০৪:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লালমনিরহাটে তিস্তা রক্ষায় জেন-জি’র ফ্ল্যাশমব

লালমনিরহাটে তিস্তা নদী রক্ষায় চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে তরুণদের সংগঠন জেন-জি আয়োজন করেছে “জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই” শিরোনামের ফ্ল্যাশমব।

বৃহস্পতিবার লালমনিরহাটের মহেন্দ্রনগর, মোস্তফিরহাট ও বড়বাড়ি এলাকার ঢাকা-লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে উৎসবমুখর পরিবেশে এ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

ফ্ল্যাশমবের উদ্বোধন করেন তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন,“এটি রাজনৈতিক আন্দোলন নয়, সামাজিক আন্দোলন। তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবন-জীবিকা বাঁচাতে সকল মতের মানুষ একাত্ম হয়েছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত শুরু করতে হবে।”

ফ্ল্যাশমবে তরুণ-তরুণী, শিক্ষার্থী, জেলে, কৃষক, প্রবীণ নাগরিকসহ হাজারো মানুষ অংশ নেন। নাচ, সংগীত, নাট্যাভিনয় ও প্রতীকী প্রদর্শনের মাধ্যমে তারা তিস্তা নদীভাঙনের করুণ চিত্র তুলে ধরেন—যেখানে প্রতিবছর হাজার পরিবার গৃহহীন হচ্ছে, হারাচ্ছে জীবিকা ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন জেন-জি লালমনিরহাটের আহ্বায়ক শহিদ ইসলাম সুজন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান শাকিল, সদস্য সচিব আয়শা সিদ্দিকা কথা, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাহ্-হিয়াতুল হাবীব মৃদুলসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

সাংস্কৃতিক প্রদর্শনীতে সহযোগিতা করে ঝংকার যুব সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং অদম্য যুব সংগঠন। এছাড়াও তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হাক্কানি ও সাধারণ সম্পাদক সফিয়ার রহমান আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করে অংশ নেন।

পুরো আয়োজন জুড়েই প্রতিধ্বনিত হয়েছিল স্লোগান—“জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই!”

এমআর/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

লালমনিরহাটে তিস্তা রক্ষায় জেন-জি’র ফ্ল্যাশমব

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর ২০২৫

লালমনিরহাটে তিস্তা নদী রক্ষায় চলমান আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানিয়ে তরুণদের সংগঠন জেন-জি আয়োজন করেছে “জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই” শিরোনামের ফ্ল্যাশমব।

বৃহস্পতিবার লালমনিরহাটের মহেন্দ্রনগর, মোস্তফিরহাট ও বড়বাড়ি এলাকার ঢাকা-লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়কে উৎসবমুখর পরিবেশে এ কর্মসূচি সম্পন্ন হয়।

ফ্ল্যাশমবের উদ্বোধন করেন তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও জেলা বিএনপির সভাপতি অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন,“এটি রাজনৈতিক আন্দোলন নয়, সামাজিক আন্দোলন। তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবন-জীবিকা বাঁচাতে সকল মতের মানুষ একাত্ম হয়েছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ দ্রুত শুরু করতে হবে।”

ফ্ল্যাশমবে তরুণ-তরুণী, শিক্ষার্থী, জেলে, কৃষক, প্রবীণ নাগরিকসহ হাজারো মানুষ অংশ নেন। নাচ, সংগীত, নাট্যাভিনয় ও প্রতীকী প্রদর্শনের মাধ্যমে তারা তিস্তা নদীভাঙনের করুণ চিত্র তুলে ধরেন—যেখানে প্রতিবছর হাজার পরিবার গৃহহীন হচ্ছে, হারাচ্ছে জীবিকা ও সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা।

আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন জেন-জি লালমনিরহাটের আহ্বায়ক শহিদ ইসলাম সুজন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আতিকুর রহমান শাকিল, সদস্য সচিব আয়শা সিদ্দিকা কথা, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব তাহ্-হিয়াতুল হাবীব মৃদুলসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

সাংস্কৃতিক প্রদর্শনীতে সহযোগিতা করে ঝংকার যুব সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং অদম্য যুব সংগঠন। এছাড়াও তিস্তা বাঁচাও নদী বাঁচাও সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি নজরুল ইসলাম হাক্কানি ও সাধারণ সম্পাদক সফিয়ার রহমান আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করে অংশ নেন।

পুরো আয়োজন জুড়েই প্রতিধ্বনিত হয়েছিল স্লোগান—“জাগো বাহে, তিস্তা বাঁচাই!”

এমআর/সবা