১২:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৩ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামের চিলমারী হাসপাতালে এক্সরে মেশিন বন্ধ থাকায় দূর্ভোগে রোগীরা

দীর্ঘ ১৮ বছর এক্সরে মেশিন বিকল থাকার পর নতুন আরো একটি এক্সরে মেশিন দেয়া হয়েছে চিলমারী হাসাপাতালে। কিন্তু টেকনিশিয়ান না থাকায় সেটিও তালাবদ্ধ ঘরে পড়ে আছে ৮ মাস ধরে। এতে হাসপাতালে আসা রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। পাশাপাশি তাদের কয়েক গুণ বেশি টাকা দিয়ে বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের গিয়ে এক্সরে করাতে হচ্ছে।
জানা গেছে, কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালটি পঞ্চাশ শয্যাবিশিষ্ট। হাসপাতালে প্রথম এক্সরে ‘কোরিয়ান মেশিন ৩০০ এমএ’ স্থাপন করা হয় ২০০৫ সালে। কিন্তু চালুর কিছুদিন পর এক্সরে মেশিনটি বিকল হয়। এরপর দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে সেটি তালাবদ্ধ ঘরে অচলাবস্থায় পড়েছিল। গত- ৮ মাস আগে নতুন করে আরো একটি ‘ইন্ডিয়ান এমএআর ৩০’ এক্সরে মেশিন দেয়া হয়েছে চিলমারী হাসাপাতালে। কিন্তু টেকনিশিয়ান না থাকায় সেটি ও তালাবদ্ধ ঘরে পড়ে আছে।
স্বাস্থ্যসেবা পেতে চিলমারী উপজেলা, উলিপুর উপজেলার সাদুল্লাহ, আদর্শবাজার, উমানন্দ, বাবুরহাট, বজরা, বামনেরহাট পাশ্ববতী  সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মন্ডলের হাট, কারেন্টবাজার, কাশিমবাজার এলাকার প্রায় ২ লাখ মানুষের একমাত্র ভরসাস্থল এই হাসপাতাল। সেখানে প্রতিদিন গড়ে ৩ শতাধিক বিভিন্ন রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এক্সরে মেশিন অকার্যকর থাকায় সরকারি ওই হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
চিলমারী ইউনিয়নের শাখাহাতি  এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আলমগীর হোসেন    বলেন, কোনো পরীক্ষা বা এক্স-রে দরকার হলে হাসপাতালের ডাক্তার এবং স্টাফরা তাদের পছন্দের ক্লিনিক দেখিয়ে সেখানে থেকে পরীক্ষা করার জন্য বলে দেন।
এতে করে অনেক টাকা গুনতে হয়। আমরা চাই সরকার যেন এক্স-রে মেশিন চালু করি দেয়।
এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, নতুন এক্স-রে মেশিন হাসপাতালে এসেছে, আগেরটিও ভালো হয়েছে। কিন্তু টেকনিশিয়ান না থাকায় এক্স-রে মেশিন চালু করা যাচ্ছে না। টেকনিশিয়ান চেয়ে ২ দফায় চাহিদা পাঠানো হয়েছে। টেকনিশিয়ান আসামাত্র এক্স-রে মেশিন চালু করা হবে।

জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

কুড়িগ্রামের চিলমারী হাসপাতালে এক্সরে মেশিন বন্ধ থাকায় দূর্ভোগে রোগীরা

আপডেট সময় : ০৪:১৪:০৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৩

দীর্ঘ ১৮ বছর এক্সরে মেশিন বিকল থাকার পর নতুন আরো একটি এক্সরে মেশিন দেয়া হয়েছে চিলমারী হাসাপাতালে। কিন্তু টেকনিশিয়ান না থাকায় সেটিও তালাবদ্ধ ঘরে পড়ে আছে ৮ মাস ধরে। এতে হাসপাতালে আসা রোগীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। পাশাপাশি তাদের কয়েক গুণ বেশি টাকা দিয়ে বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারের গিয়ে এক্সরে করাতে হচ্ছে।
জানা গেছে, কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালটি পঞ্চাশ শয্যাবিশিষ্ট। হাসপাতালে প্রথম এক্সরে ‘কোরিয়ান মেশিন ৩০০ এমএ’ স্থাপন করা হয় ২০০৫ সালে। কিন্তু চালুর কিছুদিন পর এক্সরে মেশিনটি বিকল হয়। এরপর দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে সেটি তালাবদ্ধ ঘরে অচলাবস্থায় পড়েছিল। গত- ৮ মাস আগে নতুন করে আরো একটি ‘ইন্ডিয়ান এমএআর ৩০’ এক্সরে মেশিন দেয়া হয়েছে চিলমারী হাসাপাতালে। কিন্তু টেকনিশিয়ান না থাকায় সেটি ও তালাবদ্ধ ঘরে পড়ে আছে।
স্বাস্থ্যসেবা পেতে চিলমারী উপজেলা, উলিপুর উপজেলার সাদুল্লাহ, আদর্শবাজার, উমানন্দ, বাবুরহাট, বজরা, বামনেরহাট পাশ্ববতী  সুন্দরগঞ্জ উপজেলার মন্ডলের হাট, কারেন্টবাজার, কাশিমবাজার এলাকার প্রায় ২ লাখ মানুষের একমাত্র ভরসাস্থল এই হাসপাতাল। সেখানে প্রতিদিন গড়ে ৩ শতাধিক বিভিন্ন রোগী চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এক্সরে মেশিন অকার্যকর থাকায় সরকারি ওই হাসপাতালে স্বাভাবিক চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
চিলমারী ইউনিয়নের শাখাহাতি  এলাকা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা আলমগীর হোসেন    বলেন, কোনো পরীক্ষা বা এক্স-রে দরকার হলে হাসপাতালের ডাক্তার এবং স্টাফরা তাদের পছন্দের ক্লিনিক দেখিয়ে সেখানে থেকে পরীক্ষা করার জন্য বলে দেন।
এতে করে অনেক টাকা গুনতে হয়। আমরা চাই সরকার যেন এক্স-রে মেশিন চালু করি দেয়।
এবিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, নতুন এক্স-রে মেশিন হাসপাতালে এসেছে, আগেরটিও ভালো হয়েছে। কিন্তু টেকনিশিয়ান না থাকায় এক্স-রে মেশিন চালু করা যাচ্ছে না। টেকনিশিয়ান চেয়ে ২ দফায় চাহিদা পাঠানো হয়েছে। টেকনিশিয়ান আসামাত্র এক্স-রে মেশিন চালু করা হবে।