০১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত রাজনীতি

চট্টগ্রামে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। দলের মনোনয়ন না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ একাধিক শীর্ষ নেতার সমর্থকরা সড়ক ও রেল অবরোধ, মশালমিছিলসহ বিভিন্ন সহিংস ঘটনার মাধ্যমে প্রতিবাদ করছেন।

গত ৩ নভেম্বর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৈঠক শেষে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১০টি আসনে প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে। মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন: চট্টগ্রাম-১ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-২ সরওয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৪ কাজী সালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম-৫ মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৭ হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-১০ আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ মোহাম্মদ এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৩ সরওয়ার জামাল এবং চট্টগ্রাম-১৬ মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী।

মনোনয়ন ঘোষণার পর বেশ কয়েকটি আসনে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। চট্টগ্রাম-৪ আসনে কাজী সালাউদ্দিনের মনোনয়ন প্রত্যাহারের দাবিতে আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেললাইন অবরোধ করেন। একইভাবে চট্টগ্রাম-২, চট্টগ্রাম-১৬ এবং চট্টগ্রাম-১৩ আসনেও মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের অনুসারীরা সড়ক অবরোধ ও মশালমিছিল করেছেন।

মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়েও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা তৈরি করছেন। তবে কিছু আসনে মনোনয়নবঞ্চিতরাও দলের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন।

চট্টগ্রামের ছয়টি আসনে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি—চট্টগ্রাম-৩, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১১, চট্টগ্রাম-১৪ এবং চট্টগ্রাম-১৫। এসব আসনেও মনোনয়নপ্রত্যাশী একাধিক নেতার মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে।

স্থানীয় নেতারা মনে করাচ্ছেন, দলের সিদ্ধান্ত মেনে চলা অপরিহার্য, অন্যথায় দলীয় কোন্দল আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

এমআর/

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে বিএনপির মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের বিক্ষোভে উত্তপ্ত রাজনীতি

আপডেট সময় : ০৬:৫৮:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রামে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দল প্রকাশ্যে এসেছে। দলের মনোনয়ন না পাওয়ায় ক্ষুব্ধ একাধিক শীর্ষ নেতার সমর্থকরা সড়ক ও রেল অবরোধ, মশালমিছিলসহ বিভিন্ন সহিংস ঘটনার মাধ্যমে প্রতিবাদ করছেন।

গত ৩ নভেম্বর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বৈঠক শেষে মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭টি আসনের সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন। চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১০টি আসনে প্রার্থী নির্ধারণ করা হয়েছে। মনোনয়নপ্রাপ্তরা হলেন: চট্টগ্রাম-১ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম-২ সরওয়ার আলমগীর, চট্টগ্রাম-৪ কাজী সালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম-৫ মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম-৭ হুম্মাম কাদের চৌধুরী, চট্টগ্রাম-৮ এরশাদ উল্লাহ, চট্টগ্রাম-১০ আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম-১২ মোহাম্মদ এনামুল হক, চট্টগ্রাম-১৩ সরওয়ার জামাল এবং চট্টগ্রাম-১৬ মিশকাতুল ইসলাম চৌধুরী।

মনোনয়ন ঘোষণার পর বেশ কয়েকটি আসনে ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ্যে এসেছে। চট্টগ্রাম-৪ আসনে কাজী সালাউদ্দিনের মনোনয়ন প্রত্যাহারের দাবিতে আসলাম চৌধুরীর অনুসারীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক ও রেললাইন অবরোধ করেন। একইভাবে চট্টগ্রাম-২, চট্টগ্রাম-১৬ এবং চট্টগ্রাম-১৩ আসনেও মনোনয়নবঞ্চিত নেতাদের অনুসারীরা সড়ক অবরোধ ও মশালমিছিল করেছেন।

মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়েও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণের সম্ভাবনা তৈরি করছেন। তবে কিছু আসনে মনোনয়নবঞ্চিতরাও দলের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন।

চট্টগ্রামের ছয়টি আসনে এখনও প্রার্থী ঘোষণা করা হয়নি—চট্টগ্রাম-৩, চট্টগ্রাম-৬, চট্টগ্রাম-৯, চট্টগ্রাম-১১, চট্টগ্রাম-১৪ এবং চট্টগ্রাম-১৫। এসব আসনেও মনোনয়নপ্রত্যাশী একাধিক নেতার মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা রয়েছে।

স্থানীয় নেতারা মনে করাচ্ছেন, দলের সিদ্ধান্ত মেনে চলা অপরিহার্য, অন্যথায় দলীয় কোন্দল আরও জটিল হয়ে উঠতে পারে।

এমআর/