7:55 am, Tuesday, 16 June 2026

ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চলের জেলা কুড়িগ্রাম

ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চলের জেলা কুড়িগ্রাম। সন্ধ্যার পর নামছে ঘন কুয়াশা। সেই সঙ্গে বাড়ছে ঠান্ডার তীব্রতা। ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে খেটে-খাওয়া, দিনমজুর ও নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষেরা।

রবিবার (৪ জানুয়ারী) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবং বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ।

হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত এ অঞ্চলে দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে শীত। দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় জেলাজুড়ে শীতের দাপট তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমর,ধরলা সহ ১৬ নদনদীর চরাঞ্চলের মানুষ ।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের ভ্যান চালক চালক সাইদুর রহমান (৫৫) বলেন, “ঠান্ডা এতো বেশী যে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে শরীর শীতল হয়ে যাচ্ছে। ঠান্ডায় হাত-পা কাঁপছে। ঠান্ডায় ভ্যান চলাতে পরছিনা আগে অনেক কামাই হতো এখন আর হয় না। এমন ঠান্ডা আর দেখিনি।

ধরলা নদীর পাড় এলাকার আজাহার আলী (৭৫) বলেন, হামারা নদীর পারের মানুষ এখানে খুব ঠান্ডা বয়স্ক মানুষ খুব কষ্টে আছি। অ্যাজমা শরিল খালি হাইফাই করে।

শীতের এই তীব্রতায় কুড়িগ্রামের শীতার্ত মানুষ ও জনপ্রতিনিধিরা অবিলম্বে সরকারী ও বেসরকারীভাবে পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণ ও মানবিক সহায়তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান,রবিবার (৪ জানুয়ারী) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবং বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ।
আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা এরকম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরের হিমেল বাতাস ও বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ হওয়ায় শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়েছে।

শু/সবা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

seventeen − thirteen =

About Author Information

Tipu Sultan

সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫ হাজার পরিবারকে ২১৩ কোটি টাকার সহায়তা

ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চলের জেলা কুড়িগ্রাম

Update Time : ০১:৪৯:১২ pm, Sunday, ৪ জানুয়ারী ২০২৬

ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরাঞ্চলের জেলা কুড়িগ্রাম। সন্ধ্যার পর নামছে ঘন কুয়াশা। সেই সঙ্গে বাড়ছে ঠান্ডার তীব্রতা। ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে খেটে-খাওয়া, দিনমজুর ও নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষেরা।

রবিবার (৪ জানুয়ারী) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবং বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ।

হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত এ অঞ্চলে দিন দিন ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে শীত। দিনের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় জেলাজুড়ে শীতের দাপট তীব্র আকার ধারণ করেছে। এতে করে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমর,ধরলা সহ ১৬ নদনদীর চরাঞ্চলের মানুষ ।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের ভ্যান চালক চালক সাইদুর রহমান (৫৫) বলেন, “ঠান্ডা এতো বেশী যে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে শরীর শীতল হয়ে যাচ্ছে। ঠান্ডায় হাত-পা কাঁপছে। ঠান্ডায় ভ্যান চলাতে পরছিনা আগে অনেক কামাই হতো এখন আর হয় না। এমন ঠান্ডা আর দেখিনি।

ধরলা নদীর পাড় এলাকার আজাহার আলী (৭৫) বলেন, হামারা নদীর পারের মানুষ এখানে খুব ঠান্ডা বয়স্ক মানুষ খুব কষ্টে আছি। অ্যাজমা শরিল খালি হাইফাই করে।

শীতের এই তীব্রতায় কুড়িগ্রামের শীতার্ত মানুষ ও জনপ্রতিনিধিরা অবিলম্বে সরকারী ও বেসরকারীভাবে পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণ ও মানবিক সহায়তা জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান,রবিবার (৪ জানুয়ারী) সকাল ৬টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ডিগ্রি সেলসিয়াস। এবং বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ।
আগামী কয়েক দিন তাপমাত্রা এরকম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরের হিমেল বাতাস ও বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ হওয়ায় শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়েছে।

শু/সবা