রাজশাহীর চন্দ্রিমার ছোট বনগ্রাম এলাকায় র্যাবের অভিযান থেকে ১২টি পেট্রোলবোমা ও ১৫টি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত বিস্ফোরক সরঞ্জাম নিরপেক্ষ সাক্ষীর উপস্থিতিতে জব্দ করে চন্দ্রিমা থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।
র্যাব-৫ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এসব বিস্ফোরক আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে বাধাগ্রস্ত বা রাজনৈতিক আধিপত্য বিস্তারের জন্য মজুদ করা হতে পারে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনের আগ মুহূর্তে এ ধরনের বিস্ফোরক উদ্ধার নির্বাচন নিরাপত্তার জন্য সতর্কবার্তা। নির্বাচনকালীন সহিংসতা ও বিক্ষিপ্ত সশস্ত্র কর্মকাণ্ডকে প্রতিরোধ করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রয়াসকে আরও ত্বরান্বিত করা প্রয়োজন।
র্যাবের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অভিযান চলমান রয়েছে এবং এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহভাজনদের চিহ্নিত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে। স্থানীয় পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাজধানী ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরের মতো রাজশাহীসহ জেলা শহরগুলোর নিরাপত্তা কড়া রাখা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনও ইতিমধ্যেই প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। তবে বোমা ও ককটেল উদ্ধার এই বিষয়টি দেখাচ্ছে যে, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা মানেই কেবল বাহিনী মোতায়েন নয়; সচেতন নজরদারি ও গোয়েন্দা তথ্যের যথাযথ ব্যবহারও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
রাজশাহীর এই ঘটনা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার নিরাপত্তা ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ রক্ষায় সক্রিয় পদক্ষেপ গ্রহণের জরুরি প্রয়োজনকে সামনে এনেছে।
শু/সবা






















