০৮:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কক্সবাজারের ৪টি আসনে বিএনপির জয়

কক্সবাজার জেলার ৪টি সংসদীয় আসন ২৯৪ কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া), ২৯৫ কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া), ২৯৬ কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) ও ২৯৭ কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) এর পূর্ণাঙ্গ ফলাফল পাওয়া গেছে। ৪টি আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।
১৩ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার, ভোরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে রিটার্নিং অফিসার মো. আ. মান্নান এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া খুব সুন্দর, স্বচ্ছ এবং পরিচ্ছন্ন নির্বাচন হয়েছে কক্সবাজারে। বিশেষ করে হিন্দু, বৌদ্ধরা ( রাখাইন- বড়ুয়া) সানন্দে ভোট দিতে দেখা গেছে।
বিএনপি ৪টির সবকটি আসনে বিজয়ী হলেও ভোট বেড়েছে জামায়াতের। ৪ জনের ৩ জন নবীন প্রার্থী যথেষ্ট ভোট পেয়েছে। এমনকি বিএনপি আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই করেছে। উল্লেখ্য পুরুষের পাশাপাশি নারী ভোটার চোখে পড়ার মতো।
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫,৪০,৪৯০ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১৭৮টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী সালাউদ্দিন আহমদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২,২২,০১৯ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল্লাহ আল ফারুক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১,২৯,৭২৮ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোঃ সারওয়ার আলী কুতুবী হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪,৫২৮ ভোট।
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৩,৫৬,২৭৫টি, বাতিল হয়েছে ৬,১৬২টি ভোট। সর্বমোট প্রদত্ত ভোট ৩,৬২,৪৩৭টি, যা মোট ভোটারের ৬৭.০৬ শতাংশ।
কক্সবাজার-১: বিএনপির সালাউদ্দিন আহমদ বিপুল ভোটে জয় লাভ করেছে।
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩,৮৭,৮৫১ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১২৫টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১,২৫,৫৪৩ ভোট।
তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯১,৮৮৯ ভোট।
অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জিয়াউল হক (হাতপাখা) ৮৭৯৯ ভোট, জাতীয় পার্টির মো: মাহমুদুল হক (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৭৫৭ ভোট ও গণঅধিকার পরিষদ এস এম রোকনুজ্জামান খান (ট্রাক) পেয়েছেন ১৯৭ ভোট।
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২,২৭,১৮৫টি, বাতিল হয়েছে ৫,৫২৪টি ভোট। সর্বমোট প্রদত্ত ভোট ২,৩২,৭০৯টি, যা মোট ভোটারের ৬০.০০ শতাংশ।
কক্সবাজার-২: বিএনপির আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ জয় লাভ করেছে।
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫,৪৫,৯৬৪ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১৮৩টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১,৮২,০৯৬ ভোট।
তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শহীদুল আলম বাহাদুর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১,৬১,৮২৭ ভোট।
অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুল ইসলাম (হাতপাখা) পেয়েছেন ৫,১৪৯ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া (ফুটবল) পেয়েছেন ৯৪৭ ভোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টির জগদীশ বড়ুয়া (আনারস) পেয়েছেন ৬০২ ভোট এবং আমজনতা দলের নুরুল আবছার (প্রজাপতি) পেয়েছেন ৩৬৭ ভোট।
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৩,৫০,৯৮৮টি, বাতিল হয়েছে ৫,৬০৬টি ভোট। সর্বমোট প্রদত্ত ভোট ৩,৫৬,৫৯৪টি, যা মোট ভোটারের ৬৫.৩১ শতাংশ।
কক্সবাজার-৩: বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজলের বিজয় হয়েছে।
কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩,৭৫,৬৮৮ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১১৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১,২৩,৫৮২ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নূর আহমদ আনোয়ারী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১,২২,০৩৩ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুরুল হক (হাতপাখা) পেয়েছেন ৪,৩৩৮ ভোট এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর সাইফুদ্দিন খালেদ (সিংহ) পেয়েছেন ৩৭৯ ভোট।
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২,৫০,৩৩২টি, বাতিল হয়েছে ৪,৮৯৯টি ভোট। সর্বমোট প্রদত্ত ভোট ২,৫০,২৩১টি, ভোটের হার ৬৭.৯৪।
কক্সবাজার-৪: হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে শাহজাহান চৌধুরীর বিজয় অর্জন করেছে।
শু/সবা
জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারের ৪টি আসনে বিএনপির জয়

আপডেট সময় : ০৫:৩৬:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
কক্সবাজার জেলার ৪টি সংসদীয় আসন ২৯৪ কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া), ২৯৫ কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া), ২৯৬ কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) ও ২৯৭ কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) এর পূর্ণাঙ্গ ফলাফল পাওয়া গেছে। ৪টি আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।
১৩ ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার, ভোরে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে রিটার্নিং অফিসার মো. আ. মান্নান এ ফলাফল ঘোষণা করেন।
দুই একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া খুব সুন্দর, স্বচ্ছ এবং পরিচ্ছন্ন নির্বাচন হয়েছে কক্সবাজারে। বিশেষ করে হিন্দু, বৌদ্ধরা ( রাখাইন- বড়ুয়া) সানন্দে ভোট দিতে দেখা গেছে।
বিএনপি ৪টির সবকটি আসনে বিজয়ী হলেও ভোট বেড়েছে জামায়াতের। ৪ জনের ৩ জন নবীন প্রার্থী যথেষ্ট ভোট পেয়েছে। এমনকি বিএনপি আওয়ামী লীগের ঘাঁটিতে হাড্ডা হাড্ডি লড়াই করেছে। উল্লেখ্য পুরুষের পাশাপাশি নারী ভোটার চোখে পড়ার মতো।
কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫,৪০,৪৯০ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১৭৮টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী সালাউদ্দিন আহমদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২,২২,০১৯ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আব্দুল্লাহ আল ফারুক দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১,২৯,৭২৮ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মোঃ সারওয়ার আলী কুতুবী হাতপাখা প্রতীকে পেয়েছেন ৪,৫২৮ ভোট।
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৩,৫৬,২৭৫টি, বাতিল হয়েছে ৬,১৬২টি ভোট। সর্বমোট প্রদত্ত ভোট ৩,৬২,৪৩৭টি, যা মোট ভোটারের ৬৭.০৬ শতাংশ।
কক্সবাজার-১: বিএনপির সালাউদ্দিন আহমদ বিপুল ভোটে জয় লাভ করেছে।
কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩,৮৭,৮৫১ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১২৫টি ভোট কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১,২৫,৫৪৩ ভোট।
তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৯১,৮৮৯ ভোট।
অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জিয়াউল হক (হাতপাখা) ৮৭৯৯ ভোট, জাতীয় পার্টির মো: মাহমুদুল হক (লাঙ্গল) পেয়েছেন ৭৫৭ ভোট ও গণঅধিকার পরিষদ এস এম রোকনুজ্জামান খান (ট্রাক) পেয়েছেন ১৯৭ ভোট।
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২,২৭,১৮৫টি, বাতিল হয়েছে ৫,৫২৪টি ভোট। সর্বমোট প্রদত্ত ভোট ২,৩২,৭০৯টি, যা মোট ভোটারের ৬০.০০ শতাংশ।
কক্সবাজার-২: বিএনপির আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ জয় লাভ করেছে।
কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫,৪৫,৯৬৪ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১৮৩টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১,৮২,০৯৬ ভোট।
তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শহীদুল আলম বাহাদুর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১,৬১,৮২৭ ভোট।
অন্যান্য প্রার্থীদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুল ইসলাম (হাতপাখা) পেয়েছেন ৫,১৪৯ ভোট, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ ইলিয়াস মিয়া (ফুটবল) পেয়েছেন ৯৪৭ ভোট, বাংলাদেশ লেবার পার্টির জগদীশ বড়ুয়া (আনারস) পেয়েছেন ৬০২ ভোট এবং আমজনতা দলের নুরুল আবছার (প্রজাপতি) পেয়েছেন ৩৬৭ ভোট।
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ৩,৫০,৯৮৮টি, বাতিল হয়েছে ৫,৬০৬টি ভোট। সর্বমোট প্রদত্ত ভোট ৩,৫৬,৫৯৪টি, যা মোট ভোটারের ৬৫.৩১ শতাংশ।
কক্সবাজার-৩: বিএনপির লুৎফুর রহমান কাজলের বিজয় হয়েছে।
কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩,৭৫,৬৮৮ জন। পোস্টাল ব্যালেটসহ মোট ১১৬টি কেন্দ্রের ফলাফলে বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১,২৩,৫৮২ ভোট।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নূর আহমদ আনোয়ারী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ১,২২,০৩৩ ভোট। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নুরুল হক (হাতপাখা) পেয়েছেন ৪,৩৩৮ ভোট এবং জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন (এনডিএম)-এর সাইফুদ্দিন খালেদ (সিংহ) পেয়েছেন ৩৭৯ ভোট।
এই আসনে মোট বৈধ ভোট পড়েছে ২,৫০,৩৩২টি, বাতিল হয়েছে ৪,৮৯৯টি ভোট। সর্বমোট প্রদত্ত ভোট ২,৫০,২৩১টি, ভোটের হার ৬৭.৯৪।
কক্সবাজার-৪: হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে শাহজাহান চৌধুরীর বিজয় অর্জন করেছে।
শু/সবা