ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ (সংসদীয় আসন ১৮৯) নির্বাচনী এলাকায় বেপরোয়া অনিয়ম, দুর্নীতি ও ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলেছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. আমিনুল হক।
শুক্রবার দুপুরে তিনি নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে রিটার্নিং অফিসারের বরাবর একটি লিখিত আবেদন জমা দেন। আবেদনে তিনি নির্বাচনের ফলাফল স্থগিত এবং বিতর্কিত কেন্দ্রগুলোতে পুনঃনির্বাচনের আয়োজনের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের মূল বিষয়সমূহ
১/ ভোটের আগের রাতে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর অর্থ বিতরণের ভিডিও প্রমাণ রয়েছে।
২/ পোলিং এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।
৩/ ৪০টিরও বেশি কেন্দ্রে এজেন্টদের স্বাক্ষর ছাড়া ফলাফল শিট প্রস্তুত করা হয়েছে।
৪/ অনেক ক্ষেত্রে ভোট গণনার আগেই ফলাফল শিটে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে।
৫/ ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশে বাধা প্রদান ও ভোট শুরুর আগে সীল মারা ব্যালট বই বিতরণের অভিযোগ।
৬/ ১ থেকে ২৯ নম্বর কেন্দ্র পর্যন্ত ঘোষিত মোট ভোটের সঙ্গে প্রিজাইডিং অফিসারদের সরবরাহকৃত ফলাফলে এবং পোস্টাল ভোটে গুরুতর গরমিল দেখা গেছে।
আবেদনপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে। সংবিধানের ১১৯ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করা কমিশনের দায়িত্ব হলেও এ ক্ষেত্রে তা ব্যর্থ হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
এর আগে সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাননি। এবার তিনি আরপিও-এর ৯১এ ধারা অনুযায়ী ফলাফল স্থগিত ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠনের মাধ্যমে ন্যায়বিচারের আশা করছেন।
শু/সবা
























