ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে বসছে ইরান » দৈনিক সবুজ বাংলা
০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে বসছে ইরান

মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে বসতে পাকিস্তানের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে ইরান। সেই অনুযায়ী আগামী ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে যাচ্ছেন তেহরানের সরকারি প্রতিনিধিরা।

বুধবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল। বিবৃতিতে বলা হয়, যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের পর ইরান দুই সপ্তাহের জন্য আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে।

তবে ইরান স্পষ্ট করেছে, ইসলামাবাদে সংলাপে অংশ নেওয়া মানেই যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে— এমনটি নয়। চূড়ান্ত যুদ্ধবিরতি নির্ভর করবে ইরানের প্রস্তাবিত শর্তগুলো কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে তার ওপর।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। এর একপর্যায়ে পাকিস্তানকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একাধিক ধাপে শান্তি প্রস্তাব পাঠানো হলেও প্রথম প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে ইরান।

পরবর্তীতে সংশোধিত প্রস্তাবে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি এবং সেই সময়ের মধ্যে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনার কথা বলা হয়। কয়েকদিন পর্যালোচনার পর ইরান ১৪ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি জানায় এবং এতে সম্মত হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।

এরই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দুই পক্ষকে ইসলামাবাদে আলোচনায় বসার আমন্ত্রণ জানান। উভয় পক্ষই এতে সম্মতি দেওয়ায় ১০ এপ্রিল সংলাপের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ সংলাপকে চলমান সংঘাত নিরসনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শু/সবা

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে পাস ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ বিল-২০২৬

ইসলামাবাদে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে বসছে ইরান

আপডেট সময় : ০৪:০৫:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে সংলাপে বসতে পাকিস্তানের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছে ইরান। সেই অনুযায়ী আগামী ১০ এপ্রিল ইসলামাবাদে যাচ্ছেন তেহরানের সরকারি প্রতিনিধিরা।

বুধবার এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানিয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সংস্থা সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিল। বিবৃতিতে বলা হয়, যুদ্ধক্ষেত্রে নিজেদের কৌশলগত লক্ষ্য অর্জনের পর ইরান দুই সপ্তাহের জন্য আলোচনায় বসতে সম্মত হয়েছে।

তবে ইরান স্পষ্ট করেছে, ইসলামাবাদে সংলাপে অংশ নেওয়া মানেই যুদ্ধ শেষ হয়ে গেছে— এমনটি নয়। চূড়ান্ত যুদ্ধবিরতি নির্ভর করবে ইরানের প্রস্তাবিত শর্তগুলো কতটা বাস্তবায়িত হচ্ছে তার ওপর।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই উত্তেজনা বৃদ্ধি পায়। এর একপর্যায়ে পাকিস্তানকে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়। পরে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে একাধিক ধাপে শান্তি প্রস্তাব পাঠানো হলেও প্রথম প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে ইরান।

পরবর্তীতে সংশোধিত প্রস্তাবে ৪৫ দিনের যুদ্ধবিরতি এবং সেই সময়ের মধ্যে স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে আলোচনার কথা বলা হয়। কয়েকদিন পর্যালোচনার পর ইরান ১৪ দিনের অস্থায়ী যুদ্ধবিরতিতে সম্মতি জানায় এবং এতে সম্মত হন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও।

এরই ধারাবাহিকতায় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দুই পক্ষকে ইসলামাবাদে আলোচনায় বসার আমন্ত্রণ জানান। উভয় পক্ষই এতে সম্মতি দেওয়ায় ১০ এপ্রিল সংলাপের দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ সংলাপকে চলমান সংঘাত নিরসনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে।

শু/সবা