লেবানন-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি, তবু উত্তেজনা কাটেনি সীমান্তে » দৈনিক সবুজ বাংলা
০৬:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

লেবানন-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি, তবু উত্তেজনা কাটেনি সীমান্তে

ছবি: সংগৃহীত

লেবানন সীমান্তে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের বাহিনী ও লেবাননের সেনাবাহিনীর মধ্যে একটি পৃথক সীমারেখা নির্ধারণ করা হবে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলছে, তারা বর্তমানে যে অবস্থানে রয়েছে, সেখানেই থাকবে। তবে যেসব স্থাপনাকে তারা হিজবুল্লাহ-এর ঘাঁটি হিসেবে চিহ্নিত করছে, সেগুলো অপসারণে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ ধরনের অভিযানে প্রয়োজন মনে করলে বসতবাড়ি ও বেসামরিক স্থাপনাও ধ্বংস করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলি গণমাধ্যম ‘দ্য ইসরায়েল হায়োম’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির ৫৬ শতাংশ নাগরিক দক্ষিণ লেবাননে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি বজায় রাখার পক্ষে। তবে বর্তমানে নির্বাচন হলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর দল কিছু আসন হারাতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এতে বোঝা যায়, যুদ্ধবিরতির বিষয়ে দেশটির অভ্যন্তরেও মতভেদ রয়েছে।

এদিকে উত্তরের সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, চলমান পরিস্থিতির কারণে তারাই সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট’ এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, এই যুদ্ধবিরতি মূলত যুক্তরাষ্ট্র-এর চাপেই কার্যকর হয়েছে।

সার্বিকভাবে যুদ্ধবিরতি বজায় থাকলেও সীমান্তে উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।

শু/সবা
জনপ্রিয় সংবাদ

লেবানন-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি, তবু উত্তেজনা কাটেনি সীমান্তে

আপডেট সময় : ০৪:৩৮:১১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

লেবানন সীমান্তে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও পরিস্থিতি এখনো পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাদের বাহিনী ও লেবাননের সেনাবাহিনীর মধ্যে একটি পৃথক সীমারেখা নির্ধারণ করা হবে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলছে, তারা বর্তমানে যে অবস্থানে রয়েছে, সেখানেই থাকবে। তবে যেসব স্থাপনাকে তারা হিজবুল্লাহ-এর ঘাঁটি হিসেবে চিহ্নিত করছে, সেগুলো অপসারণে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এ ধরনের অভিযানে প্রয়োজন মনে করলে বসতবাড়ি ও বেসামরিক স্থাপনাও ধ্বংস করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা জানিয়েছে, ইসরায়েলি গণমাধ্যম ‘দ্য ইসরায়েল হায়োম’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশটির ৫৬ শতাংশ নাগরিক দক্ষিণ লেবাননে সেনাবাহিনীর উপস্থিতি বজায় রাখার পক্ষে। তবে বর্তমানে নির্বাচন হলে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু-এর দল কিছু আসন হারাতে পারে বলে আশঙ্কা রয়েছে। এতে বোঝা যায়, যুদ্ধবিরতির বিষয়ে দেশটির অভ্যন্তরেও মতভেদ রয়েছে।

এদিকে উত্তরের সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত মানুষের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, চলমান পরিস্থিতির কারণে তারাই সবচেয়ে বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

অন্যদিকে, ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট’ এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে, এই যুদ্ধবিরতি মূলত যুক্তরাষ্ট্র-এর চাপেই কার্যকর হয়েছে।

সার্বিকভাবে যুদ্ধবিরতি বজায় থাকলেও সীমান্তে উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা এখনো কাটেনি।

শু/সবা