পোস্টে কিবরিয়া বলেন, ফরিদপুরে একজন আসামির পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। তার বিরুদ্ধে পূর্বে কোনো মামলা ছিল কি না, তা জানা নেই। পুলিশ বলছে, মাদকসহ তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তবে গ্রেপ্তারের পর রাতে তার মৃত্যু হওয়ায় পুলিশ সুপারের বক্তব্য অনেকটা ফ্যাসিবাদী আমলের পুলিশি বয়ানের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে।
তিনি আরও লেখেন, অতীতে এ ধরনের পুলিশি ব্যাখ্যা মানুষ ঘৃণার চোখে দেখেছে। গণতান্ত্রিক সরকারের আমলে পুলিশের বক্তব্য আরও গ্রহণযোগ্য ও বিশ্বাসযোগ্য হওয়া উচিত। তিনি ঘটনার সঠিক তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুর মতো ঘটনা নির্বাচিত সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করছে।
গত শনিবার বিকেলে মধুখালী উপজেলার পশ্চিম গোন্দারদিয়া মহল্লা থেকে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ মাদক উদ্ধারের অভিযোগে মির্জা ইশতিয়াক আহমেদকে আটক করে। পরিবারের অভিযোগ, আটক করার সময় তার মায়ের সামনেই তাকে মারধর করা হয়েছিল। পরে রোববার সকালে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডিবি হেফাজতে তার মৃত্যু হয়।
তবে ফরিদপুরের পুলিশ সুপার নজরুল ইসলাম দাবি করেন, মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে ইশতিয়াকের মৃত্যু হয়েছে এবং তার শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। পুলিশ হেফাজতে তাকে নির্যাতন করা হয়নি বলেও তিনি জানান।
এ ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার ইশতিয়াকের জানাজার আগে স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ করেন এবং প্রায় ৪০ মিনিট ঢাকা-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন। জানাজার আগে আয়োজিত সমাবেশে উপজেলা বিএনপির নেতারা ঘটনাটিকে ‘হত্যাকাণ্ড’ আখ্যা দিয়ে দায়ীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ কে এম কিবরিয়া বলেন, শুধু সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার বা চাকরিচ্যুতি নয়, প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়াই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।
শু/সবা
নিজস্ব প্রতিবেদক: 
























