ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ অবসানে স্বাক্ষরিত ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’কে যুক্তরাষ্ট্রের পরাজয়ের ঘোষণা বলে মন্তব্য করেছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও আলোচক দলের প্রধান মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ।
বুধবার আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় হওয়া এই চুক্তি কোনো চাপ বা জবরদস্তির ফল নয়, বরং ইরানি জাতির প্রতিরোধ ও দৃঢ় অবস্থানের ফল।
গালিবাফ বলেন, “এই কারণেই ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক আমেরিকার পরাজয়ের ঘোষণায় পরিণত হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা অবশ্যই এ অঞ্চলের দেশগুলোকেই নিশ্চিত করতে হবে। বিদেশি সামরিক উপস্থিতি স্থিতিশীলতা আনতে ব্যর্থ হয়েছে, বরং তা অস্থিতিশীলতার উৎসে পরিণত হয়েছে।
ইরানের স্পিকার বলেন, “আমরা এই অঞ্চল থেকে বিদেশি সামরিক বাহিনীর প্রত্যাহারকে একটি কৌশলগত লক্ষ্য হিসেবে বিবেচনা করি।”
মধ্যপ্রাচ্যের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমরা এই অঞ্চলের ভবিষ্যৎকে দ্বন্দ্বে নয়, বরং সহযোগিতায়; ধ্বংসে নয়, বরং সহাবস্থানের মাধ্যমে দেখতে চাই।”
গালিবাফ জানান, ওয়াশিংটনের সঙ্গে চূড়ান্ত সমঝোতায় পৌঁছানোর ক্ষেত্রে লেবাননে শান্তি প্রতিষ্ঠা ছিল অন্যতম প্রধান শর্ত। তার ভাষায়, “আমাদের কাছে লেবাননে যুদ্ধবিরতি ইরানের যুদ্ধবিরতির মতোই গুরুত্বপূর্ণ ছিল এবং এখনো রয়েছে। লেবাননে যুদ্ধের অবসান ইরানের যুদ্ধের অবসানের মতোই গুরুত্বপূর্ণ।”
উল্লেখ্য, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে। সাম্প্রতিক সংঘাত চলাকালে মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার জবাবে এসব ঘাঁটি পরিচালনাকারী দেশগুলোও ইরানের হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।
সূত্র: এএফপি
শু/সবা
সবুজ বাংলা আন্তর্জাতিক ডেস্ক 























