দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌরুট দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১জেলার প্রবেশদ্বার রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ফেরিঘাট। এ নৌরুটে চলাচলকারীদের নানা সংকট, আর ভোগান্তি যেন নিত্যদিনের সঙ্গী। পাশাপাশি যোগ হয়েছে ঘনকুয়াশা। ফলে সকাল থেকেই ঘাট এলাকায় দেখা দিয়েছে যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ট্রাকের দীর্ঘ সারি, ভোগান্তি বেড়েছে দ্বিগুণ।
গতকাল ও আজকের ঘনকুয়াশার ফলে দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া নৌরুটে মাঝে মাঝে ফেরী বন্ধ থাকছে। এছাড়াও রয়েছে ফেরি সঙ্কট, ঘাট সঙ্কট, নাব্যতা সঙ্কটে নদীতে ড্রেজিংসহ নানাবিধ সমস্যা।
সরেজমিন (১০ জানুয়ারী) দৌলতদিয়া ঘাট এলাকা ঘুরে দেখা যায়, দৌলতদিয়া ঘাটের জিরো পয়েন্ট হতে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের গেট পর্যন্ত প্রায় ৩কিলোমিটার এলাকা জুড়ে যাত্রীবাহী বাস, পন্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যানের দীর্ঘ সারি। তাদের সকলকেই ফেরির নাগাল পেতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ঘন্টার পর ঘন্টা।
যশোর থেকে আসা আরিফুল ইসলাম বলেন, সকাল ৮ টার দিকে দৌলতদিয়া মডেল হাই স্কুলের সামনে মহাসড়কে সিরিয়ালে আটকা পড়েছি এখন বেলা ২টা বাজে একটু একটু করে পুলিশ বক্সের সামনে এসে আটকে আছি প্রায় ঘন্টা খানেক হলো, গাড়িতে বসে থাকতে থাকতে অসুস্থ হয়ে পরছি। ধুলাবালির কারনে বাইরেও যেতে পারছি না। আর কখন ফেরিতে উঠতে পারবো তাও জানি না।
কভার্ডভ্যান চালক ইয়াছিন মোল্লা বলেন, আমাদের ঘুম খাওয়া দাওয়া সবই গাড়ির উপরে। সবচেয়ে বেশী কষ্ট হয় গোসল ও প্রাকৃতিক কাজের ক্ষেত্রে। আর সড়কে চোর, ছ্যাচ্চোর, ছিনতাইকারীর উৎপাত তো রয়েছেই।
বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সালাহউদ্দিন জানান, আমাদের কাছে বর্তমানে ১৬ টি ফেরি রয়েছে যা দিয়ে আমরা ২ থেকে ৩ হাজার যানবাহন পারাপার করে থাকি। কুয়াশার কারণে ঘাটে ফেরিগুলো নোঙর করে ছিল। কুয়াশায় ফেরি বন্ধের ৮ ঘন্টা পর সকাল সাড়ে ৯ টার দিকে দৌলতদিয়া ঘাট থেকে ফেরি ছেড়ে যায়। ফেরি বন্ধের কারনে যানবাহন পারাপার ব্যাহত হওয়ায় দৌলতদিয়া প্রান্তে ৩ শতাধিক বিভিন্ন ধরনের যানবাহন আটকে ছিলো। বেলা বাড়ার সাথে সাথে সিরিয়াল থাকবে না বলে তিনি জানান।
শিরোনাম
দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে পন্যবাহী ট্রাকের ৩ কিলোমিটারের দীর্ঘ সারি
-
রাজবাড়ী প্রতিনিধি - আপডেট সময় : ০৩:৩১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৪
- ।
- 99
জনপ্রিয় সংবাদ























