গত ২১ জানুয়ারি কক্সবাজার থেকে প্রকাশিত দৈনিক কক্সবাজার ৭১ ও স্থানীয় অনলাইন চ্যানেল টিটিএন, অনলাইন সিবিএন ও এসএনসিসহ কয়েকটি অনলাইনে রামুতে ১৫ লক্ষ টাকা ছিনতাই করেছে বলে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে এই সংবাদটি আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে,যা প্রকৃত ঘটনার সাথে কোন ধরনের মিল নেই।
প্রকৃত পক্ষে শাহনেওয়াজ জানান, মূলত বিষয়টি হল গত ১৭ই জানুয়ারি বিকেল সাড়ে চারটার দিকে রামু থেকে কক্সবাজার গামী একটি সিএনজি নিয়ে মালেশিয়া গামী প্রবাসী যাওয়ার পথে যাহা সিএনজি কক্সবাজার থ: ১১-৭৬১০ এই গাড়িটি থামান, তখন কলঘর এলাকায় অবস্থানরত সাদ্দামসহ কয়েকজন
সিএনজি গাড়ির ড্রাইভার এর সাথে পুরাতন লেনদেন নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়, একপর্যায়ে সাদ্দামের সাথে বির্তকে জরিয়ে পড়ার কারণে ভুলবশতঃ ব্যাগ টি নিয়ে যায়।পরে ঘটনাটি আপোয মিমংসা হলে প্রবাসীর আত্মীয় চাকমারকুল শ্রীমুড়ার জাফরুল্লাহকে ব্যাগটি হস্তান্তর করার হয়। ফেরতকৃত ব্যাগে কোন রকম টাকা ছিল না,সেই ব্যাগে কাপড় ও তার কাগজপত্র ও টিকিট ছিল। সুতরাং ১৫ লক্ষ টাকা ও অন্যান্য জিনিসপত্র নেওয়ার কল্পকাহিনী সাজিয়ে প্রকৃত ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চক্রান্তে মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করা হইয়াছে। মুলতঃ ওই সময় সিএনজি ড্রাইভার কে দীর্ঘদিন পর খোঁজ পাওয়ার পর তাকে পেয়ে টাকা দেওয়ার জন্য বাধ্য করা ছাড়া আর কোন ঘটনার ঘটে নাই। এক পর্যায়ে জনসম্মুখে তাকে টাকা দিতে বাধ্য করায় ড্রাইভার পক্ষে অপরিচিত ৩ জন যাত্রী কথা বলায়, এক পর্যায়ে প্রবাসীর ব্যাগটি নিয়ে নেওয়া হয়েছিল। যাত্রীর ব্যাগ নিয়ে যাওয়ার পর শ্রীমুড়ার জাফরুল্লার আত্মীয়ের খবর পেয়ে পরে এন আলমের পেট্রোল পাম্পের পাশ্ববর্তী কুলিং কর্ণার হতে শাহনেওয়াজ ও সাদ্দাম মালয়েশিয়া গামী ব্যক্তির ব্যাগটি ফেরত প্রদান করেন উপস্থিত লোকজনের সামনে। উল্লেখ থাকে যে প্রবাসীর ব্যাগটি জাফরুল্লাহ কে ফেরতের সময় একটি ভিডিও প্রতিবেদকের কাছে প্রমানস্বরুপ রয়েছে। সেই সাথে ঐদিন ১৭ই জানুয়ারী রাত ১০টার দিকে সন্ত্রাসী কাদায নবাব মিয়া,মোঃ সিরাজ মোঃ দেলোয়ার, মঃ মনছুরসহ অনেক যৌথ ভাবে মিলে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন শিকদারকে গুরুত্ব আহত করে দারালো অস্ত্রশস্ত্র দিয়ে, তাকে মাথায় আঘাত করা হয় এবং তার হাতের আঙুল বিচ্ছিন্ন করে সন্ত্রাসীরা,এই ঘটনাকে অন্যভাবে প্রবাহিত করার জন্য ঐদিন গর্জনিয়া এলাকার সিএনজির ড্রাইভার এর সাথে যে ঘটনা ঘটেছিল সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রকৃত ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে তারা অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সেইদিন ঘটনার দিন দেলোয়ার ওই সিএনজি গাড়িতে ছিল না। তাই২২তারিখ বিভিন্ন অনলাইন চ্যানেল সহ পত্রিকায় সংবাদ পরিবেশন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ চাকমারকুল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি নাসির উদ্দীন সিকদারের সঠিক বিচার না হওয়ার জন্য এই সংবাদ টি পরিবারন করার মধ্য দিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ করতে এই হীন প্রচেষ্টা। তাই এই সংবাদের বিরুদ্ধে আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি,সেই সাথে নাসির উদ্দিনকে যারা আহত করেছে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়ার জন্য সকল প্রশাসনকে বিনীত অনুরোধ করছি,সন্ত্রাসী বাহিনীরা বর্তমানে নাসির উদ্দীন সিকদারের পরিবারকে নানাবিধ প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করচ্ছেন। তাই পরিবার কে নিরাপত্তা সহ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আকুল আবেদন জানাচ্ছি।
মূলত প্রকৃত ঘটনাটি হল রামু উপজেলার চাকমারকুল ইউনিয়নের সভাপতি নাসির উদ্দীন সিকদার কে গত শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১০ঘটিকার দিকে চাকমারকুল ডেংয়াপাড়া রাস্তার মাথায় দু”পক্ষের ঝগড়া থামাতে গিয়ে আপন ফুফাতো ভাইদের হাতে গুরুত্বর জখম হন। নাসির উদ্দীন সিকদার ১৯ শে জানুয়ারী রাত ১০টার দিকে সম্রাট কমিউনিটি সেন্টারে সাইমুম সরওয়ার কমল এমপির মতবিনিময় সভা থেকে বাড়ীর উদ্যোশ্যে বের হন।পরে বাড়ী যাওয়ার পথে সাড়ে ১০টার দিকে ঝগড়াঝাটির খবর পেয়ে ঘটনাস্হলে ছুটে যান। পরে আপোষ মীমাংসা করার চেষ্টা করলে নাসির উদ্দীন সিকদার কে লক্ষ্য করে তার ফুফাতো ভাইরা দার খোপ দিয়ে তার মাথায় গুরুত্ব জখম সহ হাতের দুটি আংগুল কেটে পেলে। তাকে সন্ত্রাসীরা কায়দায় হামলা করে জীবনে মেরে ফেলা’র চেষ্টা চলায়।পরে তাকে উদ্ধার করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসা জন্য নিয়ে যায়। কর্তব্যরত ডাক্তার নাসির উদ্দীন সিকদারকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৯ শে জানুয়ারী সকাল ১১ঘটিকার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে রেফার করেন বর্তমানে তিনি চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
তাঁর ছোট ভাই বলেন মূলত এলাকায় আমাদের একটা মান-সম্মান রয়েছে।আমাদের পিতা মরহুম কবির আহমদ একজন রাজনীতিবিধ ওচাকমারকুল ইউনিয়ন পরিষদ মেম্বার ও সাবেক (ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) ছিলেন।আমরা সকলে ছোটখাটো ব্যবসা করে খাই। পাশাপাশি এলাকায় রাজনীতির সাথে যুক্ত রয়েছি। এতে আমাদের মান সম্মানকে ক্ষুন্ন করার জন্য এলাকায় একদল কুচক্ষরি মহল দীর্ঘদিন যাবত ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তাই আমাদেরকে নিয়ে স্থানীয় পত্রিকা ও অনলাইন পোর্টালে, ফেসবুকে মিথ্যা সংবাদ পরিবেশ করে প্রকৃত ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নানান কৌশল ব্যবহার করে যাচ্ছে অপরাধী চক্র। অপরাধীরা একটি চিহ্নিত মহল। এরা সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশিত করে প্রশাসন ও জনগণ কে বিভ্রান্ত করার কৌশল গ্রহণ করেছেন।একটি কথা বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশ করতে হলে সত্য -মিথ্যা যাচাই-বাছাই করা প্রয়োজন। এবং বিপক্ষে সংবাদ পরিবেশন করতে হলে অবশ্যই তার বক্তব্য নেওয়া উচিত।তবে আমার এলাকার শুভাকাঙ্ক্ষী এবং প্রশাসনের প্রতি বিনীত ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি এ সমস্ত মিথ্যা মনগড়া ভিত্তিহীন সংবাদে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য।
প্রতিবাদকারীঃ-
শাহনেওয়াজ / সাদ্দাম হোছেন।
পিতাঃ মৃত কবির আহাম্মদ সাবেক মেম্বার
ঠিকানাঃ ৯ নং ওয়ার্ড,ডেইঙ্গাপাড়া, চাকমারকুল
রামু – কক্সবাজার।




















