০১:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়া চিনিকল আধুনিকায়ন ও রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক রোকন, সদস্য সচিব এলিন

কুষ্টিয়া চিনিকল আধুনিকায়ন ও রক্ষা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমরেড রোকনুজ্জামান রোকনকে আহ্বায়ক ও আবু মনি সাকলায়েন এলিনকে সদস্য সচিব করে ১৭ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
বুধবার বিকেলে এক সভার উক্ত কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্যরা হলেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজেদুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা ও বাপ্পী আহমেদ, সদস্য সত্য বিশ্বাস, আবদার হোসেন, মাহাবুল ইসলাম, জহুরুল ইসলাম, আব্দুস সোবাহান, জীবন আহমেদ, মামুন বিশ্বাস, আনোয়ার জাহিদ, ফায়জুল ইসলাম, সিহাব উদ্দিন, করিমুল ইসলাম ও রমজান আলী। দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে বলে জানা যায়।
নবগঠিত কমিটির সদস্য সচিব আবু মনি সাকলায়েন এলিন বলেন, ‘কুষ্টিয়া সুগার মিলস লিমিটেডে হঠাৎ মাড়াই বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে এই মিলের কর্মচারীরা বেকার হয়ে পড়েছেন। আমরা এই মিল আধুনিকায়ন ও মাড়াই কার্যক্রম শুরুর দাবিতে দ্রুত সকলকে একত্রিত করে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবো।’
উল্লেখ্য, ২১৬ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয় কুষ্টিয়া সুগার মিল। ১৯৬১ সালে শহর থেকে মাত্র আট কিলোমিটার দূরে জগতি এলাকায় কুষ্টিয়া সুগার মিল এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ১৯৬৫-৬৬ মৌসুম থেকে কারখানায় চিনি উৎপাদন শুরু হয়। বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ সালে চিনিকলটিকে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু আকস্মিকভাবে মিলটির আখ মাড়াই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ধ্বংসের মুখে রয়েছে যন্ত্রাংশসহ বিভিন্ন ধরনের সম্পদ। তবে সরকারি নির্দেশনা পেলে আবারও মিলটির কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হবে বলে জানান কুষ্টিয়া সুগার মিলের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
জনপ্রিয় সংবাদ

উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ডাকাতি মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

কুষ্টিয়া চিনিকল আধুনিকায়ন ও রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক রোকন, সদস্য সচিব এলিন

আপডেট সময় : ০৩:৩৭:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৪
কুষ্টিয়া চিনিকল আধুনিকায়ন ও রক্ষা কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমরেড রোকনুজ্জামান রোকনকে আহ্বায়ক ও আবু মনি সাকলায়েন এলিনকে সদস্য সচিব করে ১৭ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
বুধবার বিকেলে এক সভার উক্ত কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটির অন্যান্যরা হলেন সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাজেদুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মাসুদ রানা ও বাপ্পী আহমেদ, সদস্য সত্য বিশ্বাস, আবদার হোসেন, মাহাবুল ইসলাম, জহুরুল ইসলাম, আব্দুস সোবাহান, জীবন আহমেদ, মামুন বিশ্বাস, আনোয়ার জাহিদ, ফায়জুল ইসলাম, সিহাব উদ্দিন, করিমুল ইসলাম ও রমজান আলী। দ্রুত পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে বলে জানা যায়।
নবগঠিত কমিটির সদস্য সচিব আবু মনি সাকলায়েন এলিন বলেন, ‘কুষ্টিয়া সুগার মিলস লিমিটেডে হঠাৎ মাড়াই বন্ধ ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে এই মিলের কর্মচারীরা বেকার হয়ে পড়েছেন। আমরা এই মিল আধুনিকায়ন ও মাড়াই কার্যক্রম শুরুর দাবিতে দ্রুত সকলকে একত্রিত করে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলবো।’
উল্লেখ্য, ২১৬ একর জমিতে প্রতিষ্ঠিত হয় কুষ্টিয়া সুগার মিল। ১৯৬১ সালে শহর থেকে মাত্র আট কিলোমিটার দূরে জগতি এলাকায় কুষ্টিয়া সুগার মিল এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ১৯৬৫-৬৬ মৌসুম থেকে কারখানায় চিনি উৎপাদন শুরু হয়। বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ সালে চিনিকলটিকে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু আকস্মিকভাবে মিলটির আখ মাড়াই বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ধ্বংসের মুখে রয়েছে যন্ত্রাংশসহ বিভিন্ন ধরনের সম্পদ। তবে সরকারি নির্দেশনা পেলে আবারও মিলটির কার্যক্রম চালু করা সম্ভব হবে বলে জানান কুষ্টিয়া সুগার মিলের একাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।