নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে নারকীয় তান্ডব চালিয়ে সন্ত্রাসীরা ব্যাপক, ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। এ সময় টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়। আহতদের মাঝে আখিনূর ও হিরাকে আড়াইহাজার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়নের বাহেরচর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে। এদিকে এ তান্ডবে নারী-পুরুষ ও শিশুসহ পুরো এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বাহেরচর গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে শাহআলম ও জুলহাস মেম্বারের সাথে আওয়ামীলীগ নেতা তোফাজ্জলের দীর্ঘ দিন ধরে দ্বন্ধ চলছিল। এর আগেই একাধিক বার হামলা ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বেশ কয়েকটি মামলা ও চলছে। এরই মাঝে সোমবার রাতে শাহ আলম ও ৫ নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য জুলহাসের নেতৃত্বে শতশত লোক দেশীয় অস্ত্র, দা, ছুরি টেঁটা ও বল্লম নিয়ে তোফাজ্জলের বাড়িতে হামলা চালায়। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের নারী ইউপি সদস্য আফরোজার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করে। এরপর সন্ত্রাসীরা একে একে ১৬টি বাড়ি ভাংচুর করে লুটপাট চালায়।
হামলায় ও টেঁটাবিদ্ধসহ অন্তত ৮ জন আহত হয়। আহতদের মাঝে আখিনূর ও হিরাকে আড়াইহাজার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাকীদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
হামলার শিকার তোফাজ্জল ও নারী ইউপি সদস্য আফরোজা জানান, হামলার ঘটনা নজীরবিহীন। অভিযুক্ত জুলহাস মেম্বারকে তার মুঠাফোনে কল দিলেও পাওয়া যায়নি। আড়াইহাজার থানার উপপরিদর্শক (এস আই) রহিম জানান, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থলে যাই। এর আগেই ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে আড়াইহাজার থানার ওসি আহসান উল্লাহ জানান, এই ঘটনায় ৩ জনকে আটক করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। জড়িতরা কোন অবস্থাতেই পার পাবে না।























