০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

তালগাছ প্রকল্পে শতকোটি টাকা নয়ছয়

কালবৈশাখির মৌসুম আসতে না আসতেই দেশজুড়ে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বজ্রপাতে মৃত্যু। ২০১১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ১৩ বছরে দেশে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে ৩৪০৭ জনের। সবশেষ গত মঙ্গলবার চার জেলায় বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। এর আগে গত ৭ এপ্রিল নয় জেলায় বজ্রপাতে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের পরই পুরোদমে শুরু হচ্ছে বোরো ধান কাটা। এ সময় বিপুল সংখ্যক মানুষ খোলা মাঠে কৃষিকাজে নিয়োজিত থাকবেন। ফলে বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধির শঙ্কা বাড়ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসরকারি সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের (এসএসটিএফের) তথ্য অনুযায়ী, বজ্রপাতে বিশ্বের এক-চতুর্থাংশ মৃত্যুই হয় বাংলাদেশে। দেশে প্রতি বছর গড়ে বজ্রপাতে ২৬৫ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে ৭০ শতাংশই মাঠে থাকা কৃষক, সাড়ে ১৪ শতাংশ বাড়ি ফেরার পথে আর ১৩ শতাংশ গোসল কিংবা মাছ শিকারের সময়। অর্থাৎ বজ্রপাতে শহরের চেয়ে মাঠে- ঘাটে থাকা মানুষের বেশি মৃত্যু হয়। শহরের ভবনগুলোতে বজ্রপাত প্রতিরোধক দণ্ড থাকায় হতাহতের সংখ্যা কম। বজ্রপাতে প্রাণহানির এ সংখ্যার বিচারে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম।

বজ্রপাতে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে ২০২১ সালে। ওই বছর মারা যান ৩৬৩ জন। এ ছাড়া, ২০২০ সালে ২৩৬ জন, ২০১৯ সালে ১৬৮ জন, ২০১৮ সালে ৩৫৯ জন, ২০১৭ সালে ৩০১ জন, ২০১৬ সালে ২০৫ জন এবং ২০১৫ সালে মারা যান ১৬০ জন। মৃত্যুর সংখ্যা বিচার করে ২০১৬ সালে বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। তবে মৃত্যুর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়লেও পূর্বাভাস বা মোকাবিলায় নেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। এমনকি অভিযোগ আছে বজ্রপাতে মৃত্যু ঠেকাতে প্রকল্পের নামে শত কোটি টাকা নয়ছয়। ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বজ্রপাত ঠেকাতে ২০১৭ সালে দেশব্যাপী ১০ লাখ তালগাছ লাগানোর জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় ২০১৭ সালে ১০ লাখ তালগাছের চারা ও ৩৫ লাখ আঁটি রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু যথাযথ পরিচর্যা না থাকায় কোথাও কোথাও চারাগুলো মারা যায়, নষ্ট হয়ে যায় আঁটিগুলোও।

বিষয়টি ধরা পড়ে ২০২২ সালে। এরপর প্রকল্পটি বাতিল করা হয়। এ সময়ে প্রকল্পের পেছনে প্রায় শত কোটি টাকা ব্যয় হয়। যার পুরোটাই গচ্চা যায়। তালগাছের পর দুর্যোগ মন্ত্রণালয় ১৯০০ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্প হাতে নেয়। যা একনেকে পাসের অপেক্ষায় আছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) এবিএম সফিকুল হায়দার বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আবহাওয়াবিদসহ সংশ্লিষ্ট সবার পরামর্শ নেওয়া হয়। কিন্তু ৩৮ লাখ তালের আঁটি লাগানোর পর চারা গজায়নি। আবার কিছু তালগাছ মারা যায়। একটি তালগাছ বড় হতে প্রায় ৩০ বছরের বেশি সময় লাগে। এত লম্বা সময় ধরে একটা গাছ পরিচর্যা করা সম্ভব নয়। ফলে প্রকল্পটি বাতিল করা হয়। একই বছর বজ্রপাতের পূর্বাভাস জানতে ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের আটটি স্থানে বসানো হয় রাডার। প্রকল্পের ধারণাপত্রে বলা হয়েছিল, বজ্রপাত হওয়ার ১৫ মিনিট আগে ওই এলাকার মানুষদের তথ্য জানিয়ে দেওয়া যাবে। সেই প্রকল্পও আলোর মুখ দেখেনি। সম্প্রতি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সহযোগিতায় বজ্রপাত সম্পর্কে আগাম তথ্য পেতে ‘হাই ইমপ্যাক্ট ওয়েদার অ্যাসেসমেন্ট’ নামে আরেকটি প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এ প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী সংস্থা। এর মাধ্যমে ৫৪ ঘণ্টা আগেই বজ্রপাত সম্পর্কে আগাম তথ্য পাওয়ার কথা থাকলেও কৃষক ও জেলেদের কাছে এ ধরনের প্রযুক্তি সহজলভ্য না হওয়ায় এটিও খুব বেশি কাজে আসছে না। এদিকে নতুন করে ‘হাওরাঞ্চলে কৃষকদের জীবন সুরক্ষায় বজ্রনিরোধক ব্যবস্থা স্থাপন’ নামের একটি প্রকল্প হাতে নেয় কৃষি মন্ত্রণালয়। ২০২২ সালে নেওয়া ২৩১ কোটি টাকার প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। অথচ একই প্রকল্প ২০১৭ সাল থেকে বাস্তবায়ন করে আলোর মুখ দেখেনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে স্থানীয় সরকার বিভাগ ‘রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফর অ্যাডাপশন অ্যান্ড ভালনারাবিলিটি রিডাকশন (রিভার)’ নামক প্রকল্প হাতে নেয়।

প্রকল্পের অধীন দেশের এক হাজার ৪০০টি স্থানে বজ্রনিরোধক যন্ত্র স্থাপন করার কথা। এ প্রকল্পে ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এসএসটিএফের গবেষণা সেলের প্রধান আবদুল আলীম বলেন, বাংলাদেশে সাধারণ কোনো প্রকল্প পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে চললে একসময় তা ঝিমিয়ে পড়ে। একটি তালগাছ বড় হতে লাগে ২৫-৩০ বছর। এত সময় ধরে কে এটার রক্ষণাবেক্ষণ করবে? তাই আমাদের পরামর্শ ছিল হাওরে ফাঁকা জায়গায় আশ্রয়কেন্দ্র ও টাওয়ার স্থাপন করে লাইটনিং প্রটেকশন সিস্টেম বসানো। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হিসেবে তালগাছ ও নারকেল গাছ লাগানো যেতে পারত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জিল্লুর রহমান বলেন, মানুষের সতর্কতা মৃত্যুঝুঁকি এড়ানোর প্রধান উপায়। যেদিন যে এলাকায় বজ্রপাতের সম্ভাবনা থাকবে সতর্কতামূলক মেসেজ পাঠানো যায়। যাতে মানুষ সতর্ক থাকতে পারে। এছাড়াও প্রকল্প যেটায় নেওয়া হোক আগে পাইলটিং করতে হবে। আগের প্রকল্পগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই করা হয়েছে ফলে টাকাগুলো জলে গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

তালগাছ প্রকল্পে শতকোটি টাকা নয়ছয়

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪

কালবৈশাখির মৌসুম আসতে না আসতেই দেশজুড়ে আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বজ্রপাতে মৃত্যু। ২০১১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ১৩ বছরে দেশে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে ৩৪০৭ জনের। সবশেষ গত মঙ্গলবার চার জেলায় বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। এর আগে গত ৭ এপ্রিল নয় জেলায় বজ্রপাতে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদের পরই পুরোদমে শুরু হচ্ছে বোরো ধান কাটা। এ সময় বিপুল সংখ্যক মানুষ খোলা মাঠে কৃষিকাজে নিয়োজিত থাকবেন। ফলে বজ্রপাতে মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধির শঙ্কা বাড়ছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং বেসরকারি সংগঠন সেভ দ্য সোসাইটি অ্যান্ড থান্ডারস্টর্ম অ্যাওয়ারনেস ফোরামের (এসএসটিএফের) তথ্য অনুযায়ী, বজ্রপাতে বিশ্বের এক-চতুর্থাংশ মৃত্যুই হয় বাংলাদেশে। দেশে প্রতি বছর গড়ে বজ্রপাতে ২৬৫ জনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে ৭০ শতাংশই মাঠে থাকা কৃষক, সাড়ে ১৪ শতাংশ বাড়ি ফেরার পথে আর ১৩ শতাংশ গোসল কিংবা মাছ শিকারের সময়। অর্থাৎ বজ্রপাতে শহরের চেয়ে মাঠে- ঘাটে থাকা মানুষের বেশি মৃত্যু হয়। শহরের ভবনগুলোতে বজ্রপাত প্রতিরোধক দণ্ড থাকায় হতাহতের সংখ্যা কম। বজ্রপাতে প্রাণহানির এ সংখ্যার বিচারে সারা বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান পঞ্চম।

বজ্রপাতে সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে ২০২১ সালে। ওই বছর মারা যান ৩৬৩ জন। এ ছাড়া, ২০২০ সালে ২৩৬ জন, ২০১৯ সালে ১৬৮ জন, ২০১৮ সালে ৩৫৯ জন, ২০১৭ সালে ৩০১ জন, ২০১৬ সালে ২০৫ জন এবং ২০১৫ সালে মারা যান ১৬০ জন। মৃত্যুর সংখ্যা বিচার করে ২০১৬ সালে বজ্রপাতকে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করে সরকার। তবে মৃত্যুর সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়লেও পূর্বাভাস বা মোকাবিলায় নেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। এমনকি অভিযোগ আছে বজ্রপাতে মৃত্যু ঠেকাতে প্রকল্পের নামে শত কোটি টাকা নয়ছয়। ত্রাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, বজ্রপাত ঠেকাতে ২০১৭ সালে দেশব্যাপী ১০ লাখ তালগাছ লাগানোর জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় ২০১৭ সালে ১০ লাখ তালগাছের চারা ও ৩৫ লাখ আঁটি রোপণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু যথাযথ পরিচর্যা না থাকায় কোথাও কোথাও চারাগুলো মারা যায়, নষ্ট হয়ে যায় আঁটিগুলোও।

বিষয়টি ধরা পড়ে ২০২২ সালে। এরপর প্রকল্পটি বাতিল করা হয়। এ সময়ে প্রকল্পের পেছনে প্রায় শত কোটি টাকা ব্যয় হয়। যার পুরোটাই গচ্চা যায়। তালগাছের পর দুর্যোগ মন্ত্রণালয় ১৯০০ কোটি টাকার আরেকটি প্রকল্প হাতে নেয়। যা একনেকে পাসের অপেক্ষায় আছে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) এবিএম সফিকুল হায়দার বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে আবহাওয়াবিদসহ সংশ্লিষ্ট সবার পরামর্শ নেওয়া হয়। কিন্তু ৩৮ লাখ তালের আঁটি লাগানোর পর চারা গজায়নি। আবার কিছু তালগাছ মারা যায়। একটি তালগাছ বড় হতে প্রায় ৩০ বছরের বেশি সময় লাগে। এত লম্বা সময় ধরে একটা গাছ পরিচর্যা করা সম্ভব নয়। ফলে প্রকল্পটি বাতিল করা হয়। একই বছর বজ্রপাতের পূর্বাভাস জানতে ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের আটটি স্থানে বসানো হয় রাডার। প্রকল্পের ধারণাপত্রে বলা হয়েছিল, বজ্রপাত হওয়ার ১৫ মিনিট আগে ওই এলাকার মানুষদের তথ্য জানিয়ে দেওয়া যাবে। সেই প্রকল্পও আলোর মুখ দেখেনি। সম্প্রতি মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সহযোগিতায় বজ্রপাত সম্পর্কে আগাম তথ্য পেতে ‘হাই ইমপ্যাক্ট ওয়েদার অ্যাসেসমেন্ট’ নামে আরেকটি প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর এ প্রকল্পের বাস্তবায়নকারী সংস্থা। এর মাধ্যমে ৫৪ ঘণ্টা আগেই বজ্রপাত সম্পর্কে আগাম তথ্য পাওয়ার কথা থাকলেও কৃষক ও জেলেদের কাছে এ ধরনের প্রযুক্তি সহজলভ্য না হওয়ায় এটিও খুব বেশি কাজে আসছে না। এদিকে নতুন করে ‘হাওরাঞ্চলে কৃষকদের জীবন সুরক্ষায় বজ্রনিরোধক ব্যবস্থা স্থাপন’ নামের একটি প্রকল্প হাতে নেয় কৃষি মন্ত্রণালয়। ২০২২ সালে নেওয়া ২৩১ কোটি টাকার প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। অথচ একই প্রকল্প ২০১৭ সাল থেকে বাস্তবায়ন করে আলোর মুখ দেখেনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়। ২০২৩ সালের মার্চ মাসে স্থানীয় সরকার বিভাগ ‘রেজিলিয়েন্ট ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফর অ্যাডাপশন অ্যান্ড ভালনারাবিলিটি রিডাকশন (রিভার)’ নামক প্রকল্প হাতে নেয়।

প্রকল্পের অধীন দেশের এক হাজার ৪০০টি স্থানে বজ্রনিরোধক যন্ত্র স্থাপন করার কথা। এ প্রকল্পে ৪০০ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। এসএসটিএফের গবেষণা সেলের প্রধান আবদুল আলীম বলেন, বাংলাদেশে সাধারণ কোনো প্রকল্প পাঁচ বছরের বেশি সময় ধরে চললে একসময় তা ঝিমিয়ে পড়ে। একটি তালগাছ বড় হতে লাগে ২৫-৩০ বছর। এত সময় ধরে কে এটার রক্ষণাবেক্ষণ করবে? তাই আমাদের পরামর্শ ছিল হাওরে ফাঁকা জায়গায় আশ্রয়কেন্দ্র ও টাওয়ার স্থাপন করে লাইটনিং প্রটেকশন সিস্টেম বসানো। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হিসেবে তালগাছ ও নারকেল গাছ লাগানো যেতে পারত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জিল্লুর রহমান বলেন, মানুষের সতর্কতা মৃত্যুঝুঁকি এড়ানোর প্রধান উপায়। যেদিন যে এলাকায় বজ্রপাতের সম্ভাবনা থাকবে সতর্কতামূলক মেসেজ পাঠানো যায়। যাতে মানুষ সতর্ক থাকতে পারে। এছাড়াও প্রকল্প যেটায় নেওয়া হোক আগে পাইলটিং করতে হবে। আগের প্রকল্পগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়াই করা হয়েছে ফলে টাকাগুলো জলে গেছে।