চট্টগ্রাম মহানগরী ও ১৬ উপজেলায় এবার তিন লাখ ৬১ হাজার কোরবানি পশুর চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছে। এসব কাঁচা চামড়া লবণ দিয়ে প্রক্রিয়াজাত করা হয়েছে। তবে মৌসুমী ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বেঁধে দেওয়া দরে চামড়া কিনেননি আড়তদাররা। অন্যান্য বছরের মতো এবার সিন্ডিকেট করে পানির দরে চামড়া কিনেছেন আড়তদাররা। আড়তদাররা জানান, গতবারের চেয়ে এবার কিছুটা বাড়তি দামে চামড়া কিনেছেন তারা। বৃহত্তর চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ী- আড়তদার সমিতির সভাপতি মো. মুসলিম উদ্দিন বলেন, এবার চট্টগ্রামে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছে।
দেশের সম্পদ নষ্ট হয়নি। তিনি দাবি করেন, ছোট আকারের গরুর চামড়া ৩-৪ শ টাকা, মাঝারি আকারের গরুর চামড়া ৫-৬ শ টাকা এবং বড় আকারের গরুর চামড়া ৭-৯ শ টাকা দরে কিনেছেন আড়তদাররা। কম দামে চামড়া কেনার অভিযোগের বিষয়ে সভাপতি মুসলিম উদ্দিন বলেন, মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বাড়ি বাড়ি ও বাসা বাড়ি থেকে চামড়া সংগ্রহ করেছেন। সেই চামড়া তিন চার হাত ঘুরে আতুরার ডিপো এলাকার আড়তে আসে। কোরবানি দাতা থেকে আড়তে আসতে দাম অন্তত দুই তিন গুণ বেড়ে যায়। চট্টগ্রাম আড়তদার সমিতির তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে তিন লাখ ৬০ হাজার ৯৫০ পিস চামড়া সংগ্রহ করা হয়েছে। এরমধ্যে গরুর চামড়া দুই লাখ ৯৭ হাজার ১৫০ পিস। মহিষের চামড়া ১২ হাজার ২ শত পিস। ছাগলের চামড়া ৫১ হাজার ৬ শ পিস।
ট্যানারি মালিকরা সরকার নির্ধারিত দামে চামড়া না কিনলে লোকসানের আশঙ্কা করছেন আড়তদাররা। বৃৃহত্তর চট্টগ্রাম কাঁচা চামড়া আড়তদার সমবায় সমিতির সভাপতি মো. মুসলিম উদ্দিন বলেন, উপজেলা পর্যায়ে চামড়া সংরক্ষণের যে উদ্যোগ সেটা খুবই চমৎকার হয়েছে। এরফলে চামড়ার মান ভালো থাকবে। তিনি বলেন, এখন ট্যানারি মালিকরা সরকার নির্ধারিত দামে চামড়া কিনলেই হয়। তাহলে লোকসান গুনতে হবে না।
























