০৫:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেরপুরে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় লিখে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে শেরপুরে আমিনুল ইসলাম (২৭) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছে। আজ রবিবার বিকেলে সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বাদাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত আমিনুল ওই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হালিমের ছেলে। আমিনুল বেশ কিছুদিন যাবত মানসিক অবসাদে ভুগছিল বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত প্রায় ৭ মাস আগে সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের ইলশা গ্রামের চিন্টুর মেয়ে বিথী আক্তারকে বিয়ে করেন আমিনুল ইসলাম। আমিনুল দীর্ঘদিন বেকার থাকায় তার স্ত্রী বেশিরভাগ সময় বাবার বাড়িতেই থাকতেন। সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একটি প্রজেক্টে কাজ শুরু করেন আমিনুল। তবে তিনি বেশ কিছুদিন যাবত মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। গত ১৯ জুন ময়মনসিংহের এক চিকিৎসকের তত্বাবধানে কাউন্সিলিং ও ঔষধপত্র সেবন শুরু করেন তিনি।
রবিবার দুপুরে আমিনুল ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে নিজ বসতঘরের আড়ার সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করে। স্বজনরা তার ফেসবুক পোস্ট দেখে ঘরের স্টিলের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমিনুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে রবিবার দুপুরে আমিনুল তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে লিখেন, ‘আমি আমার সঠিক মস্তিষ্কে লিখে যাচ্ছি যে, আজ আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। এই বিষয়টা নিয়ে যেন কারো প্রতি কোন প্রকার চার্জ না করা হয় এবং কাউকে দায়ী না করা হয়। আমিনুল ইসলাম।
তার আগের একটি পোস্টে লেখেন, ‘ঝুলে গেলে মানুষ মরে যায়, নাকি বেঁচে যায়?
এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ওসি এমদাদুল হক বলেন, নিহতের লাশ জেলা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন আছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

গণভোটের পক্ষে সরকারের প্রকাশ্য সমর্থন নিয়ে সমালোচনা, ব্যাখ্যা দিল প্রেস উইং

শেরপুরে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা

আপডেট সময় : ০৫:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ জুন ২০২৪
আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয় লিখে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে শেরপুরে আমিনুল ইসলাম (২৭) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছে। আজ রবিবার বিকেলে সদর উপজেলার পাকুড়িয়া ইউনিয়নের বাদাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। মৃত আমিনুল ওই গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হালিমের ছেলে। আমিনুল বেশ কিছুদিন যাবত মানসিক অবসাদে ভুগছিল বলে জানা গেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত প্রায় ৭ মাস আগে সদর উপজেলার লছমনপুর ইউনিয়নের ইলশা গ্রামের চিন্টুর মেয়ে বিথী আক্তারকে বিয়ে করেন আমিনুল ইসলাম। আমিনুল দীর্ঘদিন বেকার থাকায় তার স্ত্রী বেশিরভাগ সময় বাবার বাড়িতেই থাকতেন। সম্প্রতি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একটি প্রজেক্টে কাজ শুরু করেন আমিনুল। তবে তিনি বেশ কিছুদিন যাবত মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। গত ১৯ জুন ময়মনসিংহের এক চিকিৎসকের তত্বাবধানে কাউন্সিলিং ও ঔষধপত্র সেবন শুরু করেন তিনি।
রবিবার দুপুরে আমিনুল ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে নিজ বসতঘরের আড়ার সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করে। স্বজনরা তার ফেসবুক পোস্ট দেখে ঘরের স্টিলের দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাকে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আমিনুলকে মৃত ঘোষণা করেন।
এর আগে রবিবার দুপুরে আমিনুল তার ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে লিখেন, ‘আমি আমার সঠিক মস্তিষ্কে লিখে যাচ্ছি যে, আজ আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। এই বিষয়টা নিয়ে যেন কারো প্রতি কোন প্রকার চার্জ না করা হয় এবং কাউকে দায়ী না করা হয়। আমিনুল ইসলাম।
তার আগের একটি পোস্টে লেখেন, ‘ঝুলে গেলে মানুষ মরে যায়, নাকি বেঁচে যায়?
এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ওসি এমদাদুল হক বলেন, নিহতের লাশ জেলা সদর হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন আছে।